Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬

কার্তিকের বাহন ঘোড়া! সোশাল সাইটে কটাক্ষের শিকার শ্রীভূমির পুজো

সমালোচনা দর্শনার্থীদের মুখেও।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১১, ২০১৮, ১৭:৫২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১১, ২০১৮, ১৭:৫২

options
link
কার্তিকের বাহন ঘোড়া! সোশাল সাইটে কটাক্ষের শিকার শ্রীভূমির পুজো zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জমে উঠেছে পুজো। মহালয়ার পর থেকেই মণ্ডপে মণ্ডপে শুরু হয়ে গিয়েছে দর্শনার্থীদের ভিড়। ঠাকুর দেখা শুরু হয়ে গিয়েছে। শহরের অন্যতম সেরা পুজো হিসেবে শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবেও জমতে শুরু করেছে ভিড়। আর এরপরেই শুরু হয়েছে বিতর্ক।

প্রথমা থেকেই দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবের মণ্ডপ। সেদিন থেকেই ভিড় জমতে শুরু করে দিয়েছে মণ্ডপে। ক্লাবের এবারের থিম ‘পদ্মাবত’। চিতোরগড় দুর্গের আদলে তৈরি হয়েছে প্যান্ডেল। রাওয়াল রতন সিং আর রানি পদ্মাবতীর কাহিনি গড়ে উঠেছিল এই দুর্গ ঘিরেই। পদ্মাবত এই দুর্গ ছাড়াই অচল। তাই মণ্ডপে ফুটে উঠেছে রাজস্থানের ঐতিহ্য। থিমের সঙ্গে তাল রেখেই তৈরি হয়েছে প্রতিমা। আর সেখানেই হয়েছে গন্ডগোল।

Advertisement

এবার পুজোয় আপনিও দুর্গা কিংবা অসুর, জানেন কীভাবে? ]

পদ্মাবতকে প্রাধান্য দিতে গিয়ে পুজো কমিটি কার্তিকের বাহন করে দিয়েছে ঘোড়া। গণেশের বাহন আবার হাতি। এই দুই পশুই রণক্ষেত্রে খুব গুরুত্বপূর্ণ। তাই দুর্গার দুই ছেলের বাহন এই দুই পশুকে করাই সঙ্গত মনে হয়েছে তাদের। অবশ্য এই কথা আমাদের নয়। দর্শনার্থীরাই নিজেদের মধ্যে আলোচনা করছেন এসব। তবে আলোচনা তাদের এখানেই থেমে নেই। আলোচনার পিছন পিছনই এসেছে বিতর্ক। দেবদেবীদের বাহন এভাবে পালটে ফেলায় রুষ্ট অনেকেই। কথা নেই, বার্তা নেই, বাহন পালটে ফেললেই হল? এ যে শাস্ত্র বিরোধী কাজ।

শুধু তাই নয়। সোশাল সাইট জুড়ে শুরু হয়ে গিয়েছে ঠাট্টা। শ্রীভূমির দুর্গাপ্রতিমার ছবি পোস্ট করে কার্তিক আর গণেশের বাহন নিয়ে চলছে হাসির ঝড়। তবে দর্শকের এমন প্রতিক্রিয়ায় শ্রীভূমি স্পোর্টিং কর্তৃপক্ষ কী ভাবছে, তা এখনও প্রকাশ্যে আসেনি।

এবছর পুজোয় শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবের মতো বিতর্কে জড়িয়েছিল সন্তোষপুর লেক পল্লি। এই পুজোয় থিমের উপকরণ হলুদ। টিজারে লেখা ছিল ‘হালদি কা প্যান্ডাল’। এই নাম ঘিরেই শুরু হয় বিতর্ক। পুজোমণ্ডপে গিয়ে কালো পতাকা দেখানোর হুমকিও দেয় একটি সংগঠনের সদস্যরা। চালু হয়ে যায় হ্যাশট্যাগ। কিন্তু এরপর থিমের নাম পালটে দেয় পুজো কমিটি। ক্ষমাও চেয়ে নেয় তারা।

নস্করি মায়ের আশীর্বাদ পেতে কাঁটাতার পেরিয়ে আসেন ওপার বাংলার মানুষ ]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.