ভোটপর্ব শেষ। আশায় সিপিএম। সিপিএমের লক্ষ্য ছিল ভোট (West Bengal Assembly Election) বাড়ানো। আর রামে চলে যাওয়া ভোট যতটা সম্ভব যাতে ফিরিয়ে আনা যায়। কাজেই ভোট মেটার পর খাতা-পেনসিল নিয়ে সিপিএম বসে গিয়েছে হারিয়ে যাওয়া ভোট কতটা ফিরে পাওয়া গেল। আলিমুদ্দিন থেকে আগেই নিচুতলায় বার্তা দেওয়া হয়েছিল দলের ভোট শতাংশ বাড়ানোর জন্য ঝাঁপাতেই হবে। একেবারে শেষমুহূর্ত পর্যন্ত দোদুল্যমান ও বাম মনোভাবাপন্ন ভোটারদের ভোট যাতে কাস্তে-হাতুড়িতেই পড়ে সেটা যেভাবে হোক চেষ্টা করতে হবে। ওই সমস্ত ভোটারদের সঙ্গে শেষমুহূর্ত পর্যন্ত যোগাযোগ চলবে। পার্টির ভোটার স্লিপ পৌঁছতে গিয়েও আরেকদফা সেই সমস্ত ভোটারদের বুঝিয়েছিল কমরেডরা।
এই বিষয়ে আরও খবর
দমদম থেকে টালিগঞ্জ, বাগুইআটি থেকে বালিগঞ্জ। কিংবা মধ্য হাওড়া থেকে উলুবেড়িয়া। দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের দিন ভোটের (West Bengal Assembly Election) ময়দানে বহু জায়গায় লাল ঝান্ডার ক্যাম্প অফিসের দেখা মিলেছে। কমরেডরা ভিড় করে ছিলেন ক্যাম্পে বা পার্টি অফিসে। যেখানে হাতেগোনা কয়েকটি ক্যাম্পে বিজেপির সাকুল্যে দুই থেকে তিনজনকে দেখা গিয়েছে। সেখানে সিপিএম কর্মীদের দেখা যাচ্ছিল ভোটারদের বুথ অবধি পৌঁছে দিতে। মাটি কামড়ে বুথ আগলে পড়ে থেকেছেন দমদম উত্তরের প্রার্থী দীপ্সিতা ধর থেকে শুরু করে উত্তরপাড়ায় মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়রা। সিপিএম যে শূন্যের গেরো কাটানোর লড়াই করছে, ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া সেটাই যেন টের পাওয়া গেল দ্বিতীয় পর্বের ভোটের দিন।
চব্বিশের লোকসভা ভোটে সিপিএমের ভোট কমে ৬ শতাংশ ছিল। এবার তা বৃদ্ধির লক্ষ্যেই বামপন্থী মনোভাবাপন্নদের এবং ‘কমিটেড’ ভোটারদের ভোট পাওয়া। আর সেই লক্ষ্যেই বুধবার ভোটের দিন সকাল থেকে নিজেদের ভোটারদের বুথমুখী করানোর কৌশল নিয়েছিল সিপিএম। উত্তরপাড়ায় মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় ও উত্তর দমদমে দীপ্সিতা ধররা ভোটের দিন বুথে বুথে ঘুরে বেড়িয়েছেন। যাদবপুরেও সক্রিয় ছিল সিপিএম। কমিটেড ভোটারদের বুথে নিয়ে যেতে লোক ছিল সিপিএমের। বরানগর, পানিহাটিতেও সিপিএমের ভাল প্রভাব এদিন চোখে পড়েছে। বছাই করা বিধানসভা কেন্দ্রে এদিন মাঠেময়দানে নেমেছিল সিপিএমের ক্যাডাররা। যেখানে বিজেপি শক্তিশালী সেখানে অবশ্য সেভাবে সিপিএম সেভাবে ঝাঁপায়নি।
তবে মনে করা হচ্ছে, এবার অনেক আসনেই সিপিএম ফ্যাক্টর হয়ে উঠতে পারে। এদিন আলিমুদ্দিন স্ট্রিটের পাশে ফজলুল হক গার্লস হাই স্কুলে ভোট দিয়েছেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু। সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমও সস্ত্রীক ভোট দিয়েছেন খিদিরপুরে সেন্ট থমাস স্কুল ফর গার্লসে। সিপিএম রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম বলেন, “আমাদের কর্মীরা বুথ আগলে রেখেছেন। তাঁরা গণনা কেন্দ্রও আগলে রাখবেন।” এক প্রশ্নের উত্তরে সেলিম বলেন, “জনতা দায়িত্ব দিলে আমরা দায়িত্ব পালন করব। জনতার আকাঙ্ক্ষাকে প্রতিফলিত করব। আমরা ঘোড়া কেনাবেচার মধ্যে নেই।”
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
বিশ্বকাপে ম্যাচ হারতেই হরমনদের উপর চড়াও পাক ক্রিকেটাররা? ভাইরাল ভিডিও ঘিরে জোর চর্চা
-
নতুন অধ্যায়ের শুভ সূচনা, স্ত্রীকে আগলে আবেগঘন পোস্টে কী লিখলেন ঊর্মিলার প্রাক্তন স্বামী?
-
বৃষ্টিসুখ শুধু উত্তরবঙ্গেই! দক্ষিণে অঝোরধারা কবে, কী জানাল হাওয়া অফিস?
-
পুরনো মামলার ফাইল খুলতেই আরও কোণঠাসা জাহাঙ্গির! নাড্ডার কনভয় হামলায় শুরু নয়া তদন্ত
-
ইডির তলবে সাড়া, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিজিওতে হাজিরা অভিষেকের
নিবেদিত






