ছাব্বিশের ভোটযুদ্ধের মাঝে বাঙালি আবেগে শান দিতে মাছ-ভাত নিয়ে তুঙ্গে চর্চা। বিজেপি প্রার্থীদের মাছ হাতে নিয়ে প্রচারে বেরতেও দেখা গিয়েছে। আবার শাসক শিবির তৃণমূল পালটা বিজেপিকে তোপ দাগে। তারই মাঝে ভোটপ্রচারের একেবারে শেষলগ্ন থেকে শোনা যাচ্ছে ‘মাছ চোর, মাছ চোর, শওকত তো মাছ চোর’ গান। যা এখন সোশাল মিডিয়ায় ব্যাপক ভাইরাল। এই গানের কলি সকলের মুখে মুখে ফিরছে। এবার এই গান নিয়ে মুখ খুললেন ভাঙড়ের তৃণমূল প্রার্থী শওকত মোল্লা।
এই বিষয়ে আরও খবর
শওকত মোল্লা (Saokat Molla)বলেন, “নোংরামোর একটা সীমা থাকা উচিত। যারা এসব করেছে, সেটা তাদের নিচু মানসিকতার পরিচয়।” কে বা কারা এই গান বাঁধল, তা নিয়ে অবশ্য ধোঁয়াশা রয়েছে। যদিও শাসক শিবিরের দাবি, এই গানটি তৈরির নেপথ্যে রয়েছে আইএসএফ। আর সে কারণেই শওকত নাম না করে নওশাদ সিদ্দিকিকে তোপ দাগেন। ভাঙড়ের আইএসএফ প্রার্থীকে ‘ধর্ষণকারী, খুনি, সমাজবিরোধী এবং জঙ্গি’ বলে উল্লেখ করেন ভাঙড়ের তৃণমূল প্রার্থী। তাঁর হুঙ্কার, “হতাশা থেকে আইএসএফ এমন বিশ্রী গান বেঁধেছে। এই গানের যোগ্য জবাব দেওয়া হবে আগামী ৪ মে ভোটের ফলাফল প্রকাশের পর।”
ভোটপ্রচারের একেবারে শেষলগ্ন থেকে ‘মাছ চোর, মাছ চোর, শওকত তো মাছ চোর’ গানটি ভাইরাল হয়। যদিও আইএসএফ প্রার্থী নওশাদ সিদ্দিকিকে জনসভার মঞ্চ থেকে কর্মীদের এই গান না বাজানোর অনুরোধ করতে শোনা গিয়েছে। তা সত্ত্বেও নওশাদের কথা শোনেননি কেউ। বরং ওই গানটির জনপ্রিয়তার গ্রাফ ক্রমশ আকাশচুম্বী। আর তা যে শওকত মোল্লার অস্বস্তি বাড়িয়েছে, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। ভোটের সময় নির্দিষ্ট একটি প্রার্থীকে নিয়ে আদৌ এমন গান কি বাঁধা যায়, তা নিয়েও ইতিমধ্যে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে আপাতত এই গান যে ভোটের মতো গুরুগম্ভীর বিষয়ে অন্য মাত্রা যোগ করেছে সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
বাংলায় বিনিয়োগে আগ্রহী আম্বানি, আসতে পারে প্রতিনিধি দল, বড় ঘোষণা শুভেন্দুর
-
সিএপিএফ মোতায়েন নিয়ে প্রশ্ন ডেরেকের, আলোচনা হবে সংসদীয় কমিটির বৈঠকে
-
উত্তরপ্রদেশের ধাঁচে বাংলাতেও হোক প্রতিরক্ষা শিল্প করিডর, আর্জি শমীকের
-
সংঘের সঙ্গে সমন্বয় বৈঠক রাজ্য বিজেপির, লক্ষ্মীবারে দিল্লিতে এক টেবিলে শমীক-শুভেন্দু
-
একবারেই কর্মীদের ৭ বছরের বকেয়া ডিএ মেটাবে সরকার, বড় সিদ্ধান্ত রাজ্যের
নিবেদিত






