Advertisement
Advertisement
West Bengal Assembly Election

বেশি গন্ডগোল হলে পুনর্নির্বাচন! মোথাবাড়ি কাণ্ডের জেরে মালদহ নিয়ে কড়া সিইও মনোজকুমার

জেলা প্রশাসনিক ভবনে নির্বাচনের কন্ট্রোল রুম পরিদর্শন করেন রাজ্যের সিইও মনোজ আগরওয়াল।

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২১, ২০২৬, ১৫:৩৩

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২১, ২০২৬, ১৫:৩৩

options
link
বেশি গন্ডগোল হলে পুনর্নির্বাচন! মোথাবাড়ি কাণ্ডের জেরে মালদহ নিয়ে কড়া সিইও মনোজকুমার zoom
প্রতিটি দপ্তরকে ব্যয় সংকোচনের নির্দেশ মুখ্যসচিবের দপ্তরের!

বিএলও থেকে শুরু করে কার কী কাজ আছে, নির্বাচন কমিশন কী ধরনের অ্যাকশন করবে তা সমস্ত রাজনৈতিক দলকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। যদি বেশি গন্ডগোল হয়, তাহলে রি-পোলের নির্দেশ দেওয়া হতে পারে। ভোট প্রস্তুতি খতিয়ে দেখে এমনটাই বুঝিয়ে দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। এ দিন মালদহে সর্বদল বৈঠক করেন তিনি। জেলার পুলিশ ও প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সঙ্গে পৃথক বৈঠকও করেন। জেলা প্রশাসনিক ভবনে নির্বাচনের কন্ট্রোল রুম পরিদর্শন করেন রাজ্যের সিইও মনোজ আগরওয়াল।

মোথাবাড়ি কাণ্ডের (Mothabari Case) জেরে মালদহে কড়া নজর নির্বাচন কমিশনের! তার জেরে মালদহের ভোটে এবার বাড়তি নজর দিতে তৎপরতা শুরু করেছে কমিশন। ভোট প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে এসে মালদহে সেটাই বুঝিয়ে দেন মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। এ দিন জেলা প্রশাসনিক ভবনে পৌঁছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ও নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করেন মনোজ। তারপর প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে তিনি কন্ট্রোল রুম খতিয়ে দেখেন। মনোজের সঙ্গে এদিন বৈঠকে ছিলেন রাজ্যের পুলিশ পর্যবেক্ষক হিমাংশুকুমার লাল, মালদহের জেলাশাসক, পুলিশ সুপার-সহ অন্যরা। তিনি জানান, মালদহ জেলাতেও কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে ভোট (West Bengal Assembly Election) পরিস্থিতির উপর নজরদারি চালানো হবে। যাঁরা নজরদারি চালাবেন তাঁদের ১০০ শতাংশ সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক জানান, পোলিং বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। বুথে সিএপিএফের অনুমতি ছাড়া কেউ ঢুকতে পারবে না। ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন, যেখানে গন্ডগোল হবে সেখানে যাবেন। রাজ্য পুলিশ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি দেখবে। 

Advertisement

নির্বাচনের (West Bengal Assembly Election) আগে থানার ওসিদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এই বিষয়ে মনোজ জানান, দুই-এক জন ওসি সাসপেন্ড হয়েছেন। ওসিদের সঙ্গেও বৈঠক করেছে কমিশন। কার বিরুদ্ধে কী অভিযোগ আছে তা খতিয়ে দেখা হবে। তাঁর কথায়, “আইনের উপর কেউ নেই। এবার শান্তিপূর্ণ এবং স্বচ্ছ ভোট হবে, কেউ ভয় করবেন না।” মনোজ আগরওয়াল আরও জানান, পরিযায়ী শ্রমিকরা রাজ্যে ফিরে আসতে না পারলে অন্য কেউ তাঁর ভোট দিতে পারবেন না। ২১ তারিখ পর্যন্ত ট্রাইব্যুনালে যাঁদের নাম নিষ্পত্তি হয়ে ভোটার তালিকায় উঠবে তাঁরা ভোট দিতে পারবেন।

ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে পোস্টাল ব্যালটে ভোটগ্রহণ। প্রত্যেক সরকারি কর্মচারীর ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করবে কমিশন। প্রত্যেক জেলাতেই কন্ট্রোলরুম চালু হয়েছে। সেখান থেকে প্রত্যেক বুথ কভার হবে। প্রত্যেক বিধানসভায় তিনটি করে স্ক্রিন থাকবে। সেখানে সবসময় নজরদারি চলবে। যারা নজরদারি চালাবেন তাঁদের নির্দিষ্ট সময়ে রিপোর্ট দিতে হবে। বুথে সব সময় সিএপিএফ নজরদারি চালাবে। তিনি ফের একবার জানান, সিভিক ভলান্টিয়াররা নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও ডিউটিতে থাকবে না। 

উল্লেখ্য, এসআইআর প্রক্রিয়ায় ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ায় পয়লা এপ্রিল তিন মহিলা বিচারক-সহ সাতজন জুডিশিয়াল অফিসারকে বিডিও অফিসের ভিতরে রাত পর্যন্ত আটকে রেখে বিক্ষোভে দেখানোর ঘটনায় উত্তাল হয়েছিল মালদহের মোথাবাড়ি। মাঝরাতে বিচারকদের গাড়ির সামনে বাঁশ ফেলে তাঁদের লক্ষ্য করে ইট পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনাও ঘটে। ওই ঘটনার তদন্ত করছে জাতীয় তদন্ত সংস্থা এনআইএ। গ্রেপ্তার আপাতত ৫৪ জন। মোথাবাড়ির ওই ঘটনায় প্রশ্নের মুখে পড়েছিল রাজ্যের নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.