Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১১ আগস্ট ২০২৬
শূন্যে আরবের প্রথম মহাকাশচারী

শূন্যে ভেসে ৮ দিন, মাটিতে পা দিয়ে রাজকীয় অভ্যর্থনায় আরবের মহাকাশচারী

এই প্রথম আরব আমিরশাহি মহাকাশে গবেষণায় নিজেদের নাম লেখাল।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৩, ২০১৯, ২১:০২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৩, ২০১৯, ২১:০২

options
link
শূন্যে ভেসে ৮ দিন, মাটিতে পা দিয়ে রাজকীয় অভ্যর্থনায় আরবের মহাকাশচারী zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এতদিন বিপুল ধনসম্পদ বৃদ্ধি, বাণিজ্য বৃদ্ধি-সহ অনেক কাজেই অনেকের চেয়ে এগিয়ে ছিল সংযুক্ত আরব আমিরশাহি। অধরা ছিল কিছু কিছু। এবার তারই একটি পূরণ হয়ে গেল। বিশ্বের মহাকাশ বিজ্ঞানের তালিকায় নাম লেখালেন আরবের মহাকাশচারী হাজা-আল-মনসুরি। ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশনে ৮ দিনের সফর শেষে পৃথিবীর মাটিতে পা রেখে রীতিমতো রাজকীয় অভ্যর্থনা পেলেন তিনি।

[আরও পড়ুন: জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে প্রতিবাদে শামিল, গ্রেপ্তার বিখ্যাত হলিউড অভিনেত্রী]

হাজা-আল-মনসুরি। বছর পঁয়ত্রিশের এই যুবক মহাকাশচারী হওয়ার জন্য আলাদা করে প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন। চলতি মাসের ৩ তারিখ আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের উদ্দেশে পাড়ি দেন। মিশন বেশ চ্যালেঞ্জের ছিল তাঁর কাছে। কিন্তু ৮ দিন শূন্যে ভেসে থেকে তিনি যখন মাটিতে নেমে এলেন, তখন নিজেই আপ্লুত। টুইট করে মনসুরি জানাচ্ছেন, ‘এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক স্তরে আমাদের যোগাযোগ স্থাপন হল এবং আমি গর্বিত এর একটা অংশ হতে পেরে।’

Advertisement

dubai-ISS1
রুশ সংস্থা রসকসমসের সঙ্গে সম্প্রতি একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে আরব আমিরশাহি। যেখানে উল্লেখ আছে, আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে রসকসমসের প্রকল্পে আরবের যে কোনও একজন অংশ নিতে পারবেন। এরপরই মনসুরিকে বেছে নেওয়া হয় আরব প্রশাসনের তরফে। তাঁকেই প্রশিক্ষণ দিয়ে মহাকাশচারী হওয়ার জন্য প্রস্তুত করা হয়। শূন্যে ভেসে থাকার বৈজ্ঞানিক কৌশল শিখে নেওয়া পাশাপাশি মনসুরি মহাকাশে সময় নির্ণয় করাও শেখেন। আর সেসবে ভর করেই তিনি ৮ দিনের ছোট সফর করে এলেন মহাশূন্যে। আর ফিরে আসার পর তাঁকে অভ্যর্থনা জানাতে বিমানবন্দরে ছুটে গেলেন স্বয়ং রাজা মহম্মদ বিন সলমন। বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে আসার পর সে আরেকপ্রস্ত হইহুল্লোড়। স্ত্রী, সন্তান তো বটেই, চেনাজানা সব মানুষই সেখানে উপস্থিত এবং একটি ছোটখাটো সংবর্ধনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। ফুল, মালা, দিয়ে তাঁকে বরণ করে বন্ধুরা কাঁধে তুলে নেন।

[আরও পড়ুন: ভাঁড়ে মা ভবানী, রাষ্ট্রসংঘে বন্ধ করা হল এসকেলেটর-কুলার]

আসলে একাধিক দিক থেকে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি উন্নত দেশগুলির ঈর্ষার কারণ হলেও, বিজ্ঞান গবেষণায় বিশ্বে তেমন জায়গা করে নিতে পারেনি। যেখানে মহাকাশ গবেষণায় আমেরিকা, রাশিয়া বেসরকারিভাবেই কাজ করছে, সেখানে অর্থবল থাকতেও পিছিয়ে আরব। তাই রাশিয়ার হাত ধরে চুক্তি স্বাক্ষরের মধ্যে দিয়ে সে পথে এগোতে চান মহম্মদ বিন সলমনরা। তার প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে মনসুরিকে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে পাঠানোর তোড়জোড়। সেই মিশন সফল হওয়ায়, এবার ধীরে ধীরে মহাকাশ গবেষণায় আরব দুনিয়াকে পথ দেখাবে আরব আমিরশাহি। সেইসঙ্গে বিশ্বের দরবারেও নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে এগোবে দেশটি।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.