৭ শ্রাবণ  ১৪২৬  মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০১৯ 

Menu Logo বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সুর নরম করলেও শোধরায়নি পাকিস্তান। মুখে ভারতের সঙ্গে ‘শান্তি ফেরাতে’ আলোচনার কথা বললিও ক্রমাগত সূচ ফুটিয়ে যাচ্ছে পড়শি দেশটি। এবার করাচিতে বেশ কয়েক বছর আগে বন্ধ হয়ে যাওয়া ভারতীয় দূতাবাস ভবনটি দখলের চেষ্টা চলছে। এই বিষয়ে ইসলামাবাদের কাছে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে নয়াদিল্লি। ভারত সরকারের এই সম্পত্তি অবিলম্বে খালি করে দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। 

[আরও পড়ুন: সময়ের ফারাকেও বদলাল না দৃশ্য, একদা বাবা স্টিভের পোষ্য কুমির এখন ছেলের বশে]

জানা গিয়েছে, ১৯৯৪ সালে করাচিতে ভারতীয় দূতাবাসটি বন্ধ হয়ে যায়। ১৯৯৩ সালে মুম্বইয়ে ধারাবাহিক বিস্ফোরণের ছক কষা হয়েছিল করাচিতে। এবং সেই সময় ওই শহরে দাউদ ইব্রাহিম নিজেও উপস্থিত ছিল। ফলে সেই শহরে ভারতীয় কূটনীতিকদের উপস্থিতি পছন্দ করছিল না পাকিস্তান। সেই কারণেই পাক সেনার চাপে করাচিতে ভারতীয় কনস্যুলেটটি বন্ধ করে দিতে হয়। করাচির অভিজাত এলাকায় ছয়তলা ভবনটি সেই থেকে খালি পড়ে আছে। এর আগে জানালা-দরজার পাল্লা, ইলেকট্রিক ফিটিংস খুলে নিয়ে গিয়েছে দুষ্কৃতীরা। সন্ধের পর এখানে বসে মাদকাসক্তদের আসনে। প্রশাসনের নাকের ডগাতেই সেখানে চলে জুয়ার আসরও। এবার গোটা ভবনটিই দখল করে ফেলার চেষ্টা শুরু হয়েছে। এই বিষয়ে পাকিস্তানের ডেপুটি হাই কমিশনার হায়দার শাহের কাছে অভিযোগ করেছে দিল্লি। পাক প্রশাসনের মদত না থাকলে এভাবে দূতাবাস ভবন দখল করা যায় কিনা, সেই প্রশ্নও তুলেছে ভারত।  

করাচিতে নিযুক্ত ভারতের শেষ কনসাল জেনারেল রাজীব ডোগরা জানিয়েছেন, দূতাবাস ভবন-সহ ওই শহরের পাঁচ জায়গায় ভারতের সম্পত্তি রয়েছে। পাক প্রশাসনের মদত ছাড়া ওই ভবনটি দখল করার চেষ্টা সম্ভব নয়। ১৯৯০ সালেও ভবনটি দখল নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে সেবারে ভারতীয় কুটনীতিকদের চেষ্টায় সেই সমস্যার সমাধান হয়। ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে পুলওয়ামা হামলার পর উত্তেজনা তুঙ্গে। এহেন ঘটনায় পরিস্থিতি ফের জটিল হয়ে উঠেছে। 

[আরও পড়ুন: দাউদ পাকিস্তানেই, এবার ইসলামাবাদের মুখোশ খুলে দিল আমেরিকা]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং