Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১ অক্টোবর ২০২৬
America

সম্পর্কে কাঁটা তাইওয়ান, বাইডেনকে হুঁশিয়ারি জিনপিংয়ের

দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক শোধরাতে বৈঠকে বসেছিলেন জো বাইডেন ও শি জিনপিং।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৭, ২০২১, ০৮:৫২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৭, ২০২১, ০৮:৫২

options
link
সম্পর্কে কাঁটা তাইওয়ান, বাইডেনকে হুঁশিয়ারি জিনপিংয়ের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক শোধরাতে বৈঠকে বসেছিলেন জো বাইডেন ও শি জিনপিং। মার্কিন প্রসিডেন্টকে ‘পুরনো বন্ধু’ বলেও সম্বোধন করেন চিনা রাষ্ট্রনায়ক। কিন্তু আলোচনায় কাঁটা হয়ে রইল তাইওয়ান (Taiwan) ইস্যু। চিনা সরকারি সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, তাইওয়ান প্রসঙ্গে আমেরিকাকে হস্তক্ষেপ না করার কড়া বার্তা দিয়েছেন শি।

[আরও পড়ুন: জেহাদি বনাম জেহাদি, তালিবানকে দুর্বল করতে নয়া ষড়যন্ত্র আইএসআইয়ের]

দক্ষিণ চিন সাগর থেকে শুরু করে তাইওয়ান ও তালিবান-সহ একাধিক বিষয়ে ক্রমে সংঘাতের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে আমেরিকা (America) ও চিন। এহেন পরিস্থিতিতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক কিছুটা স্বাভাবিক করার উদ্দেশ্যে সোমবার চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে ভারচুয়াল বৈঠকে বসেন মার্কিন বাইডেন। ওই বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে সংঘাত থামাতে নীতিগত সীমারেখা তৈরির প্রস্তাব দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। চিন এবং আমেরিকাকে পারস্পরিক সংযোগ ও সহযোগিতা আরও বাড়িয়ে তুলতে হবে বলে মন্তব্য করেন জিনপিং। কিন্তু প্রায় চার ঘণ্টার আলোচনায় কাঁটা হয়ে রইল তাইওয়ান ইস্যু।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ভারচুয়াল বৈঠকে দু’পক্ষই সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বলে হোয়াইট হাউস সূত্রে খবর। তবে বাইডেন তাইওয়ান ও উইঘুরদের মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রসঙ্গ তোলায় আবহাওয়া কিছুটা গরম হয়ে ওঠে। হোয়াইট হাউস বৈঠক শেষে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তাইওয়ানে চিনা আগ্রাসন নীতির তীব্র বিরোধিতা করেছেন আমেরিকান প্রেসিডেন্ট। সেই সঙ্গে উত্তর-পশ্চিম চিনের শিনজিয়াং প্রদেশে উইঘুর মুসলিমদের উপরে হওয়া মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়টি নিয়েও সরব হয়েছে আমেরিকা।

পালটা, চিনা সরকারি সংবাদ সংস্থা জিনহুয়া জানিয়েছে, তাইওয়ান নিয়ে আমেরিকাকে হস্তক্ষেপ না করার কথা বাইডেনকে মনে করিয়ে দিয়েছেন শি। চিনা প্রেসিডেন্ট বলেছেন, “আমেরিকার কেউ কেউ তাইওয়ানকে ব্যবহার করে চিনকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে চায়। কিন্তু এটা খুবই ভয়ঙ্কর, কারণ আগুন নিয়ে খেলতে গেলে অনেক সময় পুড়ে যেতে হয়।”

উল্লেখ্য, বিগত কয়েক বছর ধরেই দক্ষিণ চিন সাগরে সামরিক পরিকাঠামো গড়ে তুলছে বেজিং। প্রায় গোটা জলরাশিটাই নিজেদের বলে দাবি করে কমিউনিস্ট দেশটি। তাইওনে দখল করার হুমকিও দিয়েছেন জিনপিং। পালটা, সেখানে আণবিক শক্তি চালিত যুদ্ধবিমানবাহী রণতরী পাঠিয়ে শক্তিপ্রদর্শন করছে আমেরিকা। বিশ্লেষকদের মতে, ‘ড্রাগন’কে রুখতে বদ্ধপরিকর আমেরিকা। কিন্তু তারমাঝেও আলোচনা হয়েছে দুই রাষ্ট্রপ্রধানের। গত সেপ্টেম্বর মাসেও জিনপিংয়ের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন বাইডেনের। দুই দেশের মধ্যে চলা প্রতিযোগিতা যেন সংঘাতের রূপ না নেয়, সেই বিষয়ে চিনা রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে আলোচনা করেন তিনি।

[আরও পড়ুন: মার্কিন হাতিয়ার নিয়ে কুচকাওয়াজ, কাবুলে শক্তিপ্রদর্শন তালিবানের]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.