Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১১ আগস্ট ২০২৬
Coronavirus

চিনে দূষণ কমাল করোনা, নাসার ছবিতে মিলল চমকপ্রদ তথ্য  

বিশ্বের প্রায় ৫৬টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে মারণ করোনা ভাইরাস।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২, ২০২০, ১৪:৪৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২, ২০২০, ১৪:৪৯

options
link
চিনে দূষণ কমাল করোনা, নাসার ছবিতে মিলল চমকপ্রদ তথ্য   zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চিনে অনেকটাই কমে গিয়েছে দূষণের মাত্রা। এমনটাই জানিয়েছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। তাদের দাবি, করোনা ভাইরাসের হামলায় শিল্পোৎপাদন কমে যাওয়ায় হ্রাস পেয়েছে নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ। ফলে কিছুটা হলে শুদ্ধ হয়েছে বাতাস। 

[আরও পড়ুন: ‘আমাদের উদ্ধার করুন’, করোনা আক্রান্ত ইরান থেকে আরজি কাশ্মীরি পড়ুয়াদের]

বিশ্বের প্রায় ৫৬টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে মারণ করোনা ভাইরাস। শুধুমাত্র চিনেই এপর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে প্রায় ৩ হাজার মানুষের। করোনায় আক্রান্ত ৮০ হাজার মানুষের মধ্যে। পরিস্থিতি সামাল দিতে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে শি জিনপিং সরকার। রোগের উত্সস্থল হুবেই প্রদেশের রাজধানী ইউহান-সহ বেশ কয়েকটি শহর লকডাউন করে দিয়েছে প্রশাসন। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে স্কুল, কলেজ, অফিস, বাজার ও কারখানা। শিল্পে উত্পাদন কমার  ফলে অনেকাংশেই থমকে গিয়েছে চিনের অর্থনীতি। তবে এর ফলে বাতাসে হানিকারক রসায়নের মাত্রাও কমেছে। ফলে কিছুটা হলে মিলছে শুদ্ধ বাতাস। 

Advertisement

স্যাটেলাইট ছবির মাধ্যমে বর্তমানে চিনের বাতাসের সঙ্গে ২০১৯ সালের প্রথম দু’মাসের তুলনা করেছেন নাসার বিজ্ঞানীরা। । তাঁরা বলছেন, বাতাসে নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড কমার প্রথম ইঙ্গিত পাওয়া যায় ইউহান থেকে। পরে গোটা চিনেই নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ কমতে দেখেছেন বিজ্ঞানীরা। নাসার গোডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টারে বাতাসের মান নিয়ে গবেষণা করেন ফেই লুই। নাসার বিজ্ঞপ্তিতে তিনি লিখেছেন, ‘একটি নির্দিষ্ট ঘটনার জেরে এতটা জায়গা জুড়ে দূষণ কমতে আগে কখনও দেখা যায়নি।’ তিনি নিজেই ২০০৮ সালের মন্দার সময়ের প্রসঙ্গ টেনেছেন। কিন্তু তখনও এত দ্রুত দূষণ সূচকে এই পরিমাণ পরিবর্তন দেখা যায়নি।

এদিকে, এত দুঃসংবাদের মধ্যেও চিন আশাবাদী। ফেব্রুয়ারি মাসে সেদেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা তেমনভাবে বাড়েনি বলে দাবি জিনপিং প্রশাসনের। তবে করোনার জেরে চিনের অর্থনীতির অগ্রগতি একেবারেই থমকে গিয়েছে। বিশ্বজুড়ে যেভাবে ত্রাস ছড়িয়েছে নোভেল করোনা ভাইরাস, তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মার্কিন ধনকুবের বিল গেটস। তাঁর কথায়, শতকের অন্যতম ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি করেছে করোনা ভাইরাস। তা মোকাবিলায় বিভিন্ন দেশের সরকারের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য সংস্থাগুলিকেও।    

[আরও পড়ুন: আফগানিস্তানে শান্তি ফেরা নিয়ে সন্দেহ, মার্কিন সেনা অপসারণে চিন্তিত ভারত]   

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.