BREAKING NEWS

২৮ আশ্বিন  ১৪২৭  বুধবার ২১ অক্টোবর ২০২০ 

Advertisement

জার্মানির পর আমেরিকা, চিনের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের

Published by: Monishankar Choudhury |    Posted: April 28, 2020 10:36 am|    Updated: April 28, 2020 10:36 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা আবহে আমেরিকা ও চিনের মধ্যে সংঘাত তুঙ্গে। এবার কোভিড-১৯ ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে চিনের কাছে বড়সড় অঙ্কের ক্ষতিপূরণ দাবি করার কথা জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

[আরও পড়ুন: করোনা সংক্রমণের নিরিখে চিনকে টপকে গেল রাশিয়া, উদ্বিগ্ন পুতিন প্রশাসন

সোমবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ট্রাম্প  বলেন, “করোনা ভাইরাসের জন্য চিনকে মাশুল গুণতে হবে৷ আর চিনকে উচিত শিক্ষা দিতে একেবারে তৈরি মার্কিন প্রাশসন৷ তাদের বড় অঙ্কের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। আমরা জার্মানির থেকেও অনেক সহজ পথে সেই ব্যবস্থা করব। গোড়াতেই করোনা সংক্রমণ আটকাতে পারত বেজিং। তবে তারা সেটা করেনি। চিনের গাফিলতির জন্যই গোটা বিশ্বে এই জীবাণু ছড়িয়ে পড়েছে। জার্মানি যে পরিমাণ ক্ষতিপূরণ চেয়েছে, তার থেকেও অনেক বেশি ক্ষতিপূরণ চাওয়ার কথা ভাবছে মার্কিন প্রশাসন৷ তবে এখনও তেমন কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি৷”

গত বছর থেকেই চিন ও আমেরিকার মধ্যে বাণিজ্য যুদ্ধ চলছে। একে অপরের পণ্যে শুল্ক চাপিয়েছে দুই দেশই। তবে চলতি বছরের জানুয়ারিতে খানিকটা সমঝোতার পথে এগিয়েছিল ওয়াশিংটন ও বেজিং। কিন্তু করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ায় ফের সংঘাত শুরু হয়েছে দু’দেশের মধ্যে। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে,  চিনের তাবেদারি করার অভিযোগে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে দেওয়া সাহায্য বন্ধ করে দিয়েছে আমেরিকা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অভিযোগ WHO করোনা সম্পর্কে আমেরিকাকে ভুল পরামর্শ দিয়েছিল। চিন যেভাবে মৃত ও আক্রান্তের সংখ্যা আড়াল করেছে, তাতেও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হাত আছে বলে মত আমেরিকার। যদিও এসব বিবাদ ভুলে আমেরিকাকে নিজেদের সাহায্য বন্ধের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করতে অনুরোধ করেছে WHO। কিন্তু তাতেও কর্ণপাত করছেন না প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগেই চিনের কাছে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে জার্মানির একটি সংবাদমাধ্যম। পর্যটন, উৎপাদন শিল্প-সহ বিভিন্ন খাতে করোনার জেরে হওয়া লোকসানের খতিয়ান তুলে ধরে চিনের বিরুদ্ধে ১৩০ বিলিয়ন পাউন্ডের ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়েছে সেখানে। কড়া ভাষায় বেজিংয়ের সমালোচনা করে ওই প্রবন্ধে বলা হয়েছে, গোটা বিশ্বের কাছে ইচ্ছাকৃতভাবে করোনা সংক্রান্ত তথ্য গোপন করেছে শি জিনপিং প্রশাসন। সঠিক সময়ে বেজিং সমস্ত তথ্য প্রকাশ করলে এই মহামারিকে ঠেকানো যেত।      

[আরও পড়ুন: ‘বিপদ কাটতে অনেক দেরি’, করোনা নিয়ে নতুন আশঙ্কার কথা শোনাল WHO]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement