৪ শ্রাবণ  ১৪২৬  শনিবার ২০ জুলাই ২০১৯ 

Menu Logo বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মনে আছে সিরীয় শিশু আয়লান কুর্দিকে? লালা জামা। নীল প্যান্ট। পায়ে জুতো। উবু হয়ে সমুদ্রের সৈকতে পড়ে রয়েছে ফুলের মতো এক শিশুর মৃতদেহ। ২০১৫ সালের ২ সেপ্টেম্বর। সেই শিশুর স্মৃতি আজও টাটকা রয়েছে মানুষের মনে। ঠিক সেরকমই মর্মান্তিক এক মৃত্যুর ছবি ফের সামনে এল। এক বাবা ও তাঁর শিশুকন্যার মৃত্যুর ছবি আলোড়ন ফেলেছে গোটা নেটদুনিয়ায়। উদ্বাস্তু সমস্যা কীভাবে নিরীহ মানুষের প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে আয়লান কুর্দির পর তা আরও একবার প্রমাণ করল এই ছবি।

[আরও পড়ুন: নিজামের সম্পত্তি কার? চরমে ভারত-পাকিস্তান দ্বন্দ্ব ]

মেক্সিকো এবং আমেরিকার সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় রিও গ্র্যান্ড অতিপরিচিত এক এলাকা। সেখানেই ঘটেছে বাবা ও মেয়ের এই মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা। মেক্সিকোর এক সংবাদপত্রে প্রকাশিত রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে, মৃত ব্যক্তির নাম অস্কার অ্যালবার্তো মার্টিনেজ। সঙ্গে রয়েছে তাঁর মেয়ে ভ্যালেরিয়া। অ্যালবার্তো এল সালভাদরের বাসিন্দা। সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত ছবিতে দেখা যাচ্ছে, নদীর জলে উপুড় হয়ে পড়ে রয়েছে অ্যালবার্তোর দেহ। তাঁর কালো রংয়ের টি-শার্টের ভিতরে মাথা ঢুকিয়ে উপুড় হয়ে পড়ে রয়েছে মেয়ে ভ্যালেরিয়া। ভ্যালেরিয়ার একটি হাত তখনও বাবার গলা জড়িয়ে রয়েছে। মৃতদেহ দুটি খুঁজে পাওয়ার পর মেক্সিকোর একটি সংবাদপত্রের প্রথম পাতাতে ছাপা হয় ওই ছবি। প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই শিহরণ জাগানো ওই মর্মান্তিক ছবি ভাইরাল হতে আর বেশি সময় নেয়নি।

[আরও পড়ুন:হ্যারি-মেগানের কটেজ মেরামতিতে বিপুল ব্যয়, রোষের মুখে রাজদম্পতি]

সূত্রের খবর, এপ্রিলের ৪ তারিখ এল সালভাদরের বাড়ি থেকে পরিবার নিয়ে বেরিয়েছিলেন অ্যালবার্তো। এরপর বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন আশ্রয় শিবিরে কাটাচ্ছিলেন তাঁরা। পরে অ্যালবার্তোর পরিবার মার্কিন প্রশাসনের কাছে আশ্রয় চেয়েছিল। কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন সেই আরজি খারিজ করে দেওয়ায় চূড়ান্ত হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছিল অ্যালবার্তোর পরিবার। আমেরিকায় আশ্রয় না পাওয়ায় রবিবার মেয়ে ভ্যালেরিয়াকে নিয়ে নদী পার করে মেক্সিকোতে ফিরে আসেন অ্যালবার্তো। মেয়েকে নদীর পাড়ে বসিয়ে রেখে ফের স্ত্রীকে আনতে জলে নামেন তিনি। কিন্তু ছোট্ট ভ্যালেরিয়া বাবাকে ছাড়তে চায়নি। তাই বাবার সঙ্গে সেও নদীতে ঝাঁপ দেয়। মেয়েকে ধরে ফেললেও প্রবল স্রোতের টানে দু’জনই ভেসে যায় নদীতে। জলে ডুবে মৃত্যু হয় বাবা ও মেয়ের। অন্যদিকে, নদীর ওপারে তখনও স্বামীর অপেক্ষায় চাতক পাখির মতো তাকিয়ে বসে রয়েছেন অ্যালবার্তোর স্ত্রী।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং