২ কার্তিক  ১৪২৬  রবিবার ২০ অক্টোবর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মে মাসের প্রথম সপ্তাহেই ব্রিটেনের রাজপরিবারে আগমন ঘটেছিল নতুন সদস্যের। ‘ডাচেস অফ সাসেক্স’ মেগান মর্কেল মা হয়েছিলেন। ‘বেবি সাসেক্স’-এর আগমনে যারপরনাই এখনও আনন্দের রেশ কাটেনি। রাজসিংহাসনের অষ্টমতম দাবীদার। তাই তার কদরও নেহাত কম নয়। ‘বেবি সাসেক্স’ আর্চির জন্য মা-বাবা মেগান ও হ্যারি রীতিমতো এক বিলাসবহুল কটেজ সাজিয়েছেন। আর সেই কটেজের ঢালাও ব্যায় নিয়েই মাথাব্যথা শুরু হয়েছে। অযথা অপচয়ের আখ্যা দিয়ে হ্যারি-মেগানের বিরুদ্ধে উঠেছে চূড়ান্ত সমালোচনার ঝড়ও।

[আরও পড়ুন: লাইভ শোয়ে পাক সাংবাদিককে চড় শাসকদলের নেতার, ভাইরাল ভিডিও]

বাড়ি বদলেছেন তাও দু’মাস হবে। সেই বাড়িতে রাজ পরিবারের সবচেয়ে ছোট্ট রাজপুত্র আর্চি থাকছেন গত দেড়মাস ধরে। ডিউক আর ডাচেস অফ সাসেক্স হ্যারি এবং মেগান মাঝে মধ্যেই তাঁকে নিয়ে বেড়াতে বের হন বাড়ির সামনের ভেলভেট-সম সবুজ মাঠে। ওই সবুজে ছুটে বেড়ানোর বয়স অবশ্য আর্চির এখনও হয়নি। তবু ভবিষ্যতের কথা ভেবে তার জন্য সব ব্যবস্থাই করা রয়েছে সেখানে। খেলার মাঠ, ছোটখাট পারিবারিক চড়ুইভাতি, টলটলে কাচের মতো জলের হ্রদে বোটিং.. উফফ!! শুধু ইচ্ছেটুকু হলেই হল। রাজপুত্তুরকে দেখতে আসা অতিথিদের রাজকীয় আপ্যায়নের সমস্ত ব্যবস্থাই প্রস্তুত। এহেন রাজকীয় ব্যবস্থা সম্পন্ন বিলাসবহুল বাসভবনটি কোথায়, ভাবছেন তো?

[আরও পড়ুন: লাইভ শোয়ে পাক সাংবাদিককে চড় শাসকদলের নেতার, ভাইরাল ভিডিও]

এটি ফ্রগমোর কটেজ। সেই কবে ব্যক্তিগত ‘খিদমতদার’ আবদুল করিমের উপর খুশি হয়ে তাঁকে এই বিশাল বাড়ি, ফ্রগমোর কটেজ, আর তার সংলগ্ন ৩৫ একর জমি উপহার দিয়েছিলেন মহারানি ভিক্টোরিয়া। বহু বছর বিনা ব্যবহারে পড়ে থাকা সেই বাড়িটিই এখন সারিয়ে নিয়ে রাজ পরিবারের বাসের উপযুক্ত করে তুলেছেন হ্যারি-মেগান। আর এই কটেজ ঢেলে সাজাতে কত খরচ হয়েছে জানেন? ২৪ লক্ষ ব্রিটিশ পাউন্ড। ভারতীয় অঙ্কে যা ২১ কোটি ১৩ লক্ষ ২১ হাজার ২০০ টাকা। মঙ্গলবার ফ্রগমোর কটেজের মেরামতি বাবদ এই খরচের খতিয়ান সামনে এনেছেন বাকিংহাম প্যালেসের ‘খাজাঞ্চি বাহাদুর’ মাইকেল স্টিভেন্স। রাজ পরিবারের অর্থনীতির ভারপ্রাপ্ত এই স্টিভেন্সের পদের আবার একখানি গালভরা নামও আছে। ‘কিপার অফ প্রিভি পার্স’। সেই কিপার অর্থাৎ রক্ষক জানিয়েছেন, রাজ পরিবারের পার্স বা ট্যাকশাল থেকে গত অর্থবর্ষে মোট খরচ হয়েছে ৬ কোটি ৭০ লক্ষ পাউন্ড। আর এই অর্থের পুরোটাই জোটানো হয়েছে ব্রিটিশ করদাতাদের পকেট থেকে। তা সামনে আসতেই চোখ কপালে উঠেছে রাজ পরিবারের সমালোচকদের। করদাতাদের পকেট থেকে নেওয়া অর্থ কীভাবে এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন ভাবে খরচ করতে পারে রাজ পরিবার? প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা। ওই বিপুল অঙ্কের একটি বড় অংশ, প্রায় ২৪ লক্ষ পাউন্ড খরচ হয়েছে হ্যারি-মেগানের বাড়ির মেরামতিতে। যা কি না রাজ পরিবার রীতিমতো ফেলে ছড়িয়ে খরচ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং