Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১১ আগস্ট ২০২৬
করোনা

মিলছে না PPE, সুরক্ষার দাবিতে নগ্ন হয়ে প্রতিবাদ জার্মান চিকিৎসকদের

বিভিন্ন হাসপাতালে বৃদ্ধি পেয়েছে জীবাণুনাশক, মাস্ক ইত্যাদি চুরির ঘটনা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৯, ২০২০, ০৯:৪৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৯, ২০২০, ০৯:৪৪

options
link
মিলছে না PPE, সুরক্ষার দাবিতে নগ্ন হয়ে প্রতিবাদ জার্মান চিকিৎসকদের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা মোকাবিলায় খোদ যুদ্ধক্ষেত্রে দাঁড়িয়ে লড়াই করছেন তাঁরা। অথচ, রক্ষাকবচ হিসাবে পিপিই এবং মাস্ক পাচ্ছেন না। এই অভিযোগে অভিনব প্রতিবাদে শামিল হল জার্মানির চিকিৎসকদের একটি গোষ্ঠী। প্রতিবাদকারীদের বক্তব্য অনুযায়ী, জানুয়ারি মাসের শেষ, অর্থাৎ জার্মানিতে করোনা ভাইরাসের প্রকোপ পড়ার সময় থেকেই তাঁরা ক্রমাগত পিপিই বা পার্সোনাল প্রোটেকটিভ ইকুইপমেন্টের জন্য আবেদন করে যাচ্ছিলেন, কিন্তু তাতে কোনও ফল হয়নি।

[আরও পড়ুন: করোনা মোকাবিলায় ব্যর্থ! WHO প্রধানের পদত্যাগ দাবি ১০ লক্ষ মানুষের]

‘ব্ল্যাঙ্কে বেডেনকেন’ বা ‘নগ্ন উদ্বেগ’ নামের এই গোষ্ঠীটি দাবি করেছে নগ্নতাকে তাঁরা প্রতীকী অর্থে ব্যবহার করেছেন তাঁদের নিরাপত্তাহীনতা পরিস্ফুট করার জন্য। প্রত্যেক চিকিৎসক তাঁদের কর্মক্ষেত্রেই নগ্ন হয়ে ছবি তুলেছেন এবং সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সেই ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। ফরাসি চিকিৎসক অ্যালান কলম্বি সম্প্রতি পিপিই অকুলান হওয়ার প্রতিবাদে নগ্ন হয়ে প্রতিবাদ জানান, এবং নিজেদের ‘ক্যানন ফোডার’ অর্থাৎ বলির পাঁঠা বলে অভিহিত করেন। ‘ব্ল্যাঙ্কে বেডেনকেন’ গোষ্ঠীর প্রতিবাদ কর্মসূচি অ্যালান কম্বলির প্রতিবাদের ধরন দ্বারাই উদ্বুদ্ধ বলে জানা গিয়েছে।

Advertisement

একজন প্রতিবাদকারী চিকিৎসক ইয়ানা হাউসম্যান ‘দ্য গার্ডিয়ান’-কে জানিয়েছেন, তাঁরা রোগীদের প্রতি তাঁদের কর্তব্য থেকে বিচ্যুত হতে চান না। কিন্তু তাঁরা সুরক্ষিত না হয়ে সেই কর্তব্য পালন করতে পারবেন না। জার্মানির মাস্ক এবং পিপিই উৎপাদনকারী সংস্থাগুলি তাদের উৎপাদনপদ্ধতি উন্নত করলেও বিপুল চাহিদা অনুযায়ী জোগান দিতে তারা ব্যর্থ। বহু স্বাস্থ্যকেন্দ্রেরই দাবি, তারা চাহিদা অনুসারে ফিল্টার মাস্ক, অ্যাপ্রন, গ্লাভস ইত্যাদি পাচ্ছেন না। তাছাড়া বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে জীবাণুনাশক, মাস্ক ইত্যাদি চুরি যাওয়ার ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। জার্মান প্রশাসনের দাবি, এর নেপথ্যে কোনও অপরাধীদের গোষ্ঠী সক্রিয়। হাসপাতালগুলিতে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে।

[আরও পড়ুন: করোনায় বিধ্বস্ত অর্থনীতি, ১৫ বিলিয়ন ডলারের প্যাকেজ ঘোষণা BRICS-এর]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.