Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১১ আগস্ট ২০২৬
হিন্দু শিক্ষক

হজরত মহম্মদকে অপমানের অভিযোগে পাকিস্তানে আক্রান্ত হিন্দু শিক্ষক, ভাঙল তিনটি মন্দির

মৌলবাদীদের দাবি মেনে ওই শিক্ষককে গ্রেপ্তারও করেছে পাকিস্তানের পুলিশ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৯, ১৫:১৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৯, ১৫:১৯

options
link
হজরত মহম্মদকে অপমানের অভিযোগে পাকিস্তানে আক্রান্ত হিন্দু শিক্ষক, ভাঙল তিনটি মন্দির zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ইসলাম ধর্ম ও হজরত মহম্মদকে অপমান করার অভিযোগে বেধড়ক মারধর করা হল এক হিন্দু শিক্ষককে। শুধু তাই নয়, এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে তিনটি হিন্দু মন্দিরও ধ্বংস করেছে কট্টরপন্থী মৌলবাদীরা। ঘটনাটি ঘটেছে পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের ঘোটকি জেলায়। মারধর করার পাশাপাশি আক্রান্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে একটি মামলাও দায়ের করেছে ওই এলাকার এক বাসিন্দা। তার ভিত্তিতে তদন্ত করার পাশাপাশি ওই শিক্ষককে গ্রেপ্তারও করেছে পুলিশ। এদিকে এই ঘটনার পর থেকেই দাঙ্গা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে সেখানে। ফলে আতঙ্কে রয়েছেন ওই এলাকায় বসবাসকারী হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষরা।

[আরও পড়ুন: ইসরোকে সাহায্য করতে উদ্যোগ, ল্যান্ডার বিক্রমের ছবি তুলবে নাসার অরবিটার!]

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার সিন্ধু পাবলিক স্কুলের প্রধান শিক্ষক নোটান মালের বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে একটি এফআইআর দায়ের করা হয়। অভিযোগ জানিয়েছিল ওই স্কুলের এক পড়ুয়ার বাবা আবদুল আজিজ
রাজপুত। তার অভিযোগ ছিল, ইসলাম ধর্মের জনক হজরত মহম্মদের নামে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন ওই শিক্ষক। ইসলাম ধর্ম নিয়েও আপত্তিকর কথা বলেছেন। তাই দ্রুত নোটান মালকে গ্রেপ্তার করতে হবে। পুলিশ বিষয়টি
নিয়ে তদন্ত করার আশ্বাস দিলেও তা মানতে চায়নি অভিযোগকারী। বরং স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষকে দাঙ্গা লাগানোর জন্য প্রভাবিত করে। আর তার উসকানিতেই বেঁধে যায় ঝামেলা। স্কুলে ঢুকে প্রধান শিক্ষককে
বেধড়ক মারধর করার পাশাপাশি ওই এলাকার তিনটি হিন্দু মন্দিরে ভাঙচুর চালায়। এর ফলে প্রবল আতঙ্ক ছড়ায় ওই এলাকার হিন্দু বাসিন্দাদের মধ্যে।

Advertisement

ওই ঘটনার সময় তোলা একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট করেছেন পাকিস্তানের এক নেটিজেন। তাতে দেখা যাচ্ছে, একদল উত্তেজিত মানুষ হাতে লাঠি ও রড নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করছে। তারপর একটি মন্দিরে ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর করছে। বিষয়টিকে বিপজ্জনক উল্লেখ করে স্থানীয় হিন্দুদের রক্ষা করার আবেদন জানিয়েছেন ওই নেটিজেন।

[আরও পড়ুন: মোদিকে বিষধর সাপ উপহারের হুমকি, গ্রেপ্তার জনপ্রিয় পাক অভিনেত্রী]

পরে এপ্রসঙ্গে সিন্ধু পুলিশের এআইজি জামিল আহমেদ বলেন, ‘অভিযুক্ত শিক্ষককে নিরাপদ আশ্রয় দেওয়ার জন্য পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। আশা করছি ভগবানের কৃপায় খুব তাড়াতাড়ি ঘোটকির পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। আমরা ঘটনাটির তদন্ত করে এর জন্য দায়ীকে কড়া শাস্তি দেব।’

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.