Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Iran

এবার চিনের সঙ্গে মিসাইল চুক্তি করছে ইরান! যুদ্ধ আবহে দুই শক্তিধরকে কাছে টানতে মরিয়া খামেনেই

বিগত কয়েকমাস ধরেই আমেরিকার সঙ্গে ইরানের মধ্যে সংঘাত চলছে। সাম্প্রতিক অতীতে ইরানের কাছে সমুদ্রে রণতরী, যুদ্ধবিমান এবং সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েন করেছে আমেরিকা। মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আমেরিকার সেনা হোয়াইট হাউসকে ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে যে তারা ইরানে হামলা চালানোর জন্য প্রস্তুত।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬, ২০:৫৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬, ২০:৫৩

options
link
এবার চিনের সঙ্গে মিসাইল চুক্তি করছে ইরান! যুদ্ধ আবহে দুই শক্তিধরকে কাছে টানতে মরিয়া খামেনেই zoom

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের মেঘ। পরিস্থিতি যে দিকে এগোচ্ছে তাতে আশঙ্কা করা হচ্ছে শীঘ্রই ইরানে হামলা চালাতে পারে আমেরিকা। তাই আগেভাগেই শক্তি বাড়াচ্ছে তেহরান। রাশিয়ার সঙ্গে গোপন মিসাইল চুক্তির পর চিনের সঙ্গেও সমঝোতা করছে ইরান।

সংবাদসংস্থা রয়টার্সের একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, মিসাইল চুক্তি নিয়ে বেজিং এর সঙ্গে আলোচনা একবারে শেষ পর্যায়ে রয়েছে। শীঘ্রই দুই দেশ সমঝোতায় রাজি হতে পারে। সূত্রের খবর, চিনের থেকে সিএম-৩০২ ‘অ্যান্টি শিপ মিসাইল’ কিনতে মরিয়া তেহরান। বেজিং-এর দাবি, সিএম-৩০২ বিশ্বের সেরা ‘অ্যান্টি-শিপ মিসাইল’। এই ক্ষেপণাস্ত্রটি অনেকটা নিচ থেকে উড়তে সক্ষম। শুধু তা-ই নয়, ২৯০ কিলোমিটার পাল্লার এই ক্ষেপণাস্ত্রটি শব্দের চেয়েও দ্রুত গতিতে লক্ষ্যবস্তুকে আঘাত হানে। বিশেষ এই ক্ষেপণাস্ত্রটি বহুমুখী ব্যবহারের  জন্য উপযোগী। এটি যুদ্ধজাহাজ, যুদ্ধবিমান অথবা মোবাইল গ্রাউন্ড লঞ্চার – সব ক্ষেত্র থেকেই উৎক্ষেপণ করা যায়। শুধু সমুদ্রের জাহাজ নয়, প্রয়োজনে স্থলভাগের লক্ষ্যবস্তুতেও আঘাত হানতে সক্ষম এই ক্ষেপণাস্ত্র। বিশেষজ্ঞদের মতে, উচ্চগতি এবং অনেকটা নিচ দিয়ে উড়ে যাওয়ার কারণে এই ক্ষেপণাস্ত্রটিকে ধ্বংস করা কঠিন হয়ে যায়।

Advertisement

উল্লেখ্য, আমেরিকাকে জবাব দিতে ইতিমধ্যেই গোপনে রাশিয়ার সঙ্গে মিসাইল চুক্তি সেরে ফেলেছে ইরান। সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর, ৫০০ মিলিয়ন ইউরোর এই চুক্তিতে রাশিয়ার থেকে বিপুল সংখ্যায় অত্যাধুনিক ‘শোল্ডার ফারার্ড মিসাইল’ কিনতে চলেছে তারা। চুক্তির ভিত্তিতে, আগামী ৩ বছরের মধ্যে ইরানকে ৫০০টি ‘ম্যান পোর্টেবল ভার্বা লঞ্চ ইউনিট’ ও ২৫০০ টি ‘৯এম৩৩৬’ ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করবে রাশিয়া।  জানা যাচ্ছে, ২০২৫ সালের জুলাই মাসে এইসব অস্ত্র কেনার জন্য রাশিয়ার কাছে আবেদন জানিয়েছিল ইরান। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, ওই সময়েই ইরানের পরমাণুঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছিল আমেরিকা। এর ঠিক পরই নিজেদের শক্তি বাড়াতে রাশিয়ার দ্বারস্থ হয় তেহরান। গোপনে মস্কোতে গিয়ে চুক্তি সই করে আসেন ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রকের আধিকারিকরা।

প্রসঙ্গত, বিগত কয়েকমাস ধরেই আমেরিকার সঙ্গে ইরানের মধ্যে সংঘাত চলছে। সাম্প্রতিক অতীতে ইরানের কাছে সমুদ্রে রণতরী, যুদ্ধবিমান এবং সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েন করেছে আমেরিকা। মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আমেরিকার সেনা হোয়াইট হাউসকে ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে যে তারা ইরানে হামলা চালানোর জন্য প্রস্তুত। আপাতত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সবুজ সংকেতের অপেক্ষাতেই রয়েছে তারা। মার্কিন সরকারের উচ্চপদস্থ এক আধিকারিকের কথায়, “চলতি সপ্তাহেই ট্রাম্প কোনও সিদ্ধান্ত নেবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তিনি গোটা পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যালোচনা করছেন।” বর্তমানে পরমাণু চুক্তি নিয়েও ইরান এবং আমেরিকার মধ্যে আলোচনা চলছে। ট্রাম্প কার্যত হুঁশিয়ারি দিয়ে আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন, যদি ইরান চুক্তিতে সম্মত না হয়, তাহলে যুদ্ধ ছাড়া আর কোনও পথ খোলা থাকবে না।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.