২৬ আষাঢ়  ১৪২৭  শনিবার ১১ জুলাই ২০২০ 

Advertisement

লড়াই ট্রাম্প বনাম বিডেনের, ডেমোক্র্যাট শিবিরে প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী নির্বাচিত জো বিডেন

Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: June 7, 2020 10:50 am|    Updated: June 7, 2020 10:57 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আবারও মার্কিন প্রেসিডেন্টের কুরসিতে বসার জন্য ডোনাল্ড ট্রাম্পের আসল লড়াই কার সঙ্গে? এবার তা একেবারে নিশ্চিত হওয়া গেল। আগামী নভেম্বরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী ডোনাল্ড ট্রাম্প, জো বিডেন। ডেমোক্র্যাট শিবিরের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বিডেন। পিছু হঠেছেন লড়াইয়ে থাকা বার্নি স্যান্ডার্স। ৩,৯৯৯টির মধ্যে ১,৯৯১, অর্থাৎ প্রায় অর্ধেকের বেশি মনোনয়ন পেয়ে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির তরফে নির্বাচিত হয়েছেন এই ৭৭ বছর বয়সি ডেমোক্র্যাট বিডেন।

নভেম্বরেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সাধারণ নির্বাচন। করোনাকাল রাজনীতির ভাগ্যচাকাকে বিভিন্নভাবে উলটে দিতে পারে, এমনই যখন মত বিশেষজ্ঞদের, সেরকম সময়ে বার্নি স্যান্ডার্সের ডেমোক্র্যাটিক প্রার্থী থেকে বেরিয়ে আসা তুমুল ঘোলা করে তুলেছিল এই বিষয়ে যে, তাহলে ট্রাম্পই কি এবারেও? অজেয়? কিন্তু সেই জল্পনা ভেঙে উঠে এলেন প্রাক্তন সহ-প্রেসিডেন্ট জো বিডেন। নভেম্বরের সাধারণ নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে হোয়াইট হাউস দখল করার জন্য প্রস্তুত তিনি, শনিবার এই খবর প্রকাশ করে ডেমোক্র্যাট শিবির।

[আরও পড়ুন: ‘বেশি পরীক্ষা হলে ভারত ও চিনে আরও করোনা রোগীর হদিশ মিলত’, বিস্ফোরক ট্রাম্প]

৩ নভেম্বর আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। ইতিমধ্যেই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজে লেগে পড়েছেন জো বিডেন। মনোনীত এই ডেমোক্র্যাটিক প্রার্থী প্রতিনিধিত্ব জয়ের পর জানান, ”আমেরিকার ইতিহাসে এ একটি কঠিন সময় এবং ট্রাম্পের ক্ষুব্ধ, বিভাজনমূলক রাজনীতির কোনও জায়গা নেই। দেশ এমন এক নেতৃত্বের জন্য চিৎকার করছে, যা আমাদের ঐক্যবদ্ধ করতে পারে।” তিনি বলেন, ”আমাদের এখন এমন এক অর্থনীতি দরকার যা সবার জন্য কাজ করে। এমন চাকরি দরকার যা শুধু অর্থ নয়, মর্যাদাও দেয়। এমন আইনরক্ষা দরকার, যেখানে বর্ণের নিরিখ থাকে না।”

[আরও পড়ুন: শ্লীলতাহানি করেছিলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী, মার্কিন সাংবাদিকের বিস্ফোরক অভিযোগে উত্তাল পাকিস্তান]

বিডেন ভারত-মার্কিন সম্পর্কেও বেশ আশাবাদী এবং সেনেটর হিসাবে ২০০৮ সালে তিনি দু’দেশের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বেসামরিক পারমাণবিক চুক্তি অনুমোদনের পক্ষে ভোট দিয়েছিলেন। ২০১৩ সালে ভারত সফর এসে বিডেন বলেছিলেন, ”আঞ্চলিক ও বিশ্বের ইস্যুতে আমাদের কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও গভীর করতে চাই। আজ ভারত এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরের প্রতি আমাদের ভারসাম্যের এক অপরিহার্য অঙ্গ।” পারবেন কি ইচ্ছে পূরণ করতে? উত্তর পেতে নভেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা করতেই হবে।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement