সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনার জেরে ভয়াবহ পরিস্থিতি পাকিস্তানের বিভিন্ন এলাকায়। কিন্তু মিলছে না সরকারি সাহায্য। না আছে ওষুধ, না চিকিৎসা সামগ্রী। হাতেগোনা মান্ধাতা আমলের দুটো ভেন্টিলেটর পড়ে রয়েছে। ফলে চরম দুর্ভোগের মুখে পড়েছেন পাকিস্তানের গিলগিট ও বালটিস্তানের মানুষেরা। চিকিৎসার জন্য সেখানে হাহাকার শুরু হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় সাহায্য চেয়ে বিশ্বের নেতাদের দ্বারস্থ হয়েছেন তাঁরা।
লাফিয়ে বাড়ছে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা। সংক্রমিতের সংখ্যা পাকিস্তান ইতিমধ্যে চিনকে টেক্কা দিয়েছে। সরকারি হিসেব বলছে, আক্রান্তের সংখ্যা ৮৫ হাজার ছাড়িয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ইমরান খানের দেশে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৪২০০ জন। একই সময়ে মৃত্যু হয়েছে আরও ৮২ জনের। পরিস্থিতি ক্রমশ কঠিন হচ্ছে। তারপরেও দেশের মানুষ সরকারি সামাজিক দূরত্বের নিয়মবিধি মানছেন না। ফলে সংক্রমণ আরও বাড়ছে। সামাল দিতে নাজেহাল ইমরান খান সরকার।
[আরও পড়ুন : ফ্লয়েড হত্যাকাণ্ডে প্রতিবাদের মাঝেই ফের নির্যাতন আমেরিকায়, পুলিশের মারে রক্তাক্ত বৃদ্ধ]
গিলগিট ও বালটিস্তান এলাকায় ইতিমধ্যে ৮০০ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। কিন্তু ওই এলাকায় চিকিৎসার কোনও ব্যবস্থাই নেই। সংবাদ সংস্থা ANI সূত্রে খবর, ওই এলাকার হাসপাতালগুলিতে মাত্র দুটি অনেক পুরনো ভেন্টিলেশন মেশিন আছে। পাকিস্তান সরকারের তরফে এখনও কোনও সাহায্যই এসে পৌঁছয়নি বলে খবর। এ প্রসঙ্গে ওই এলাকার মানবাধিকার কর্মী ড. আমজাদ আয়ুব মির্জা জানান, এ তথ্য সত্যি গিলগিট ও বালটিস্তানে মাত্র দুটি ভেন্টিলেটর আছে। আরেক মানবাধিকার কর্মী তথা আইনজীবী মহম্মদ বকর মেহেদি সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, “কেন্দ্র সরকার বিভিন্ন তহবিল থেকে সাহায্য পাচ্ছে। কিন্তু সেই টাকা নিজেদের প্রয়োজনে ব্যবহার করছে মাত্র। আমি আবেদন করব, যাঁদের ভোটে জিতে ক্ষমতায় এসেছেন তাঁদের দিকে দেখুন। তাঁদের রক্ষা করা আপনাদের কাজ।” কিন্তু এই আবেদন আদৌও কি ইমরান খানের সরকারের কানে গিয়ে পৌঁছবে, তা সময়ই বলবে।