সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনার জেরে বহু মৃত্যু দেখেছে ইটালি (Italy)। ইউরোপের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন এই দেশেই। করোনার করাল গ্রাসে একসময় মৃত্যুপুরিতে পরিণত হয়েছিল দেশটি। প্রতিবেশী ফ্রান্সেও ছবিটা অনেকটা একইরকম ছিল। এবার ধীরে ধীরে পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করেছে। করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে জমি ফিরে পাচ্ছে ইউরোপের দুই দেশ। গত ২৪ ঘণ্টায় ইটালি এবং ফ্রান্সে (France) আগের তুলনায় অনেকটাই কমেছে মৃতের সংখ্যা।
সপ্তাহ দুয়েক আগেই ইটালির প্রায় প্রতিটা শহর করোনার মৃত্যু মিছিল সামলাতে ব্যস্ত ছিল। একপ্রকার ভেঙে পড়েছিল স্বাস্থ্য ব্যবস্থা। তারপর ধীরে ধীরে দেশব্যাপী জারি হওয়া লকডাউনের জেরে সাফল্য আসতে থাকে। পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ইটালিতে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৪৩১ জনের। যা কিনা গত ৩ সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন। গত বেশ কয়েকদিন ধরেই এই মৃতের সংখ্যাটা নিম্নমুখী। একই ছবি ফ্রান্সে। গত ২৪ ঘণ্টায় ফ্রান্সে করোনাইয় মৃত্যু হয়েছে ৩১৫ জনের। এই দেশটিতেও মৃতের সংখ্যা নিম্নমুখী। আগের দিন অর্থাৎ শনিবারে ফ্রান্সে মৃত্যু হয়েছিন ৩৪৫ জনের। সার্বিকভাবে ইটালি এবং ফ্রান্সের পাশাপাশি গোটা ইউরোপের ছবিই আশাপ্রদ। স্পেনেও আগের তুলনায় কমেছে মৃত্যুর সংখ্যা। COVID-19 সংক্রমণের সংখ্যাটাও সার্বিকভাবেই কম।
[আরও পড়ুন: করোনা যুদ্ধে জয়ী বরিস জনসন, হাসপাতাল থেকে ছুটি পেলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী]
ইউরোপ থেকে আশার খবর শোনা গেলেও আমেরিকার ছবিটা কিন্তু এখনও ভয়াবহ। মার্কিন মুলুকে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ৫১৪ জনের। এই নিয়ে আমেরিকায় মৃতের সংখ্যা ২২ হাজার ছাড়িয়ে গেল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে (USA) এখনও পর্যন্ত প্রায় ৫ লক্ষ ৫৫ হাজার মানুষের শরীরে করোনা সংক্রমণের প্রমাণ মিলেছে। সংখ্যাটা সবচেয়ে বেশি নিউ ইয়র্কে।আমেরিকার পাশাপাশি সিরিয়া, ইরান, ব্যাংককেও বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। নতুন করে সংক্রমণের খবর মিলেছে কোরিয়ায়। সব মিলিয়ে ইউরোপের ছবি আশাপ্রদ হলেও চিন্তা থাকছে বাকি বিশ্ব নিয়ে।
সর্বশেষ খবর
-
৫ ঘণ্টা মুখের উপর আস্ত মৌচাক! বিশ্বরেকর্ড ভারতীয় যুবকের, দেখুন ভয়ংকর ভিডিও
-
প্রাণহানির পর টনক নড়ল! কৌশিকী অমাবস্যার আগেই তারাপীঠের হোটেলগুলির ‘স্বাস্থ্যে’ নজর প্রশাসনের
-
বিশালের চওড়া হাতে টাইব্রেকারে জয়ী মোহনবাগান, ডুরান্ড ফাইনালে ফের ডার্বি
-
যন্তরে মন্তরে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগে অভিযুক্ত পুলিশ, খতিয়ে দেখতে কমিটি গড়ল সুপ্রিম কোর্ট
-
‘দিল্লিতে জেএনইউ, বাংলায় জেইউ’, যাদবপুরকে ‘শহুরে নকশালদের আঁতুরঘর’ বললেন অর্জুন সিং