BREAKING NEWS

১৮ অগ্রহায়ণ  ১৪২৯  সোমবার ৫ ডিসেম্বর ২০২২ 

READ IN APP

Advertisement

Advertisement

ভেস্তে গেল শান্তির চেষ্টা, আজারবাইজান-আর্মেনিয়ার মধ্যে ফের শুরু রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ

Published by: Monishankar Choudhury |    Posted: October 20, 2020 2:32 pm|    Updated: October 20, 2020 2:32 pm

Nagorno-Karabakh fighting continues as second truce fails | Sangbad Pratidin

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: টিকল না দ্বিতীয় দফার সংঘর্ষবিরতি চুক্তি। একে অপরের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ এনে ফের রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ে জড়াল আর্মেনিয়া (Armenia) ও আজারবাইজান (Azerbaijan)। সোমবার বিতর্কিত নাগর্নো-কারাবাখ অঞ্চলের দখল নিয়ে জোর লড়াই শুরু করেছে দুই দেশ।

[আরও পড়ুন: প্যারিসের শিক্ষককে চিনতে স্কুলে এসেছিল হত্যাকারী, চিনিয়ে দিয়েছিল পড়ুয়ারাই]

বিদ্রোহী আর্মেনীয়দের দখলে থাকা নাগর্নো-কারাবাখের প্রশাসন অর্থাৎ আর্মেনীয় বিদ্রোহীদের স্বঘোষিত ‘রাষ্ট্র’ ‘রিপাবলিক অফ আর্টসাক’-এর মুখপাত্র জানিয়েছেন, লড়াইয়ের ফ্রন্টে উত্তর ও দক্ষিণ দু’দিকেই তুমুল হামলা শুরু করেছে আজারবাইজানের গোলন্দাজ বাহিনী। ওই অঞ্চলে অধিবাসী আর্মেনীয় বাসিন্দাদের ২৫ হাজার সদস্যের মিলিশিয়া বাহিনী ‘আর্টসাক ডিফেন্স আর্মি’ জানিয়েছে, সোমবারের লড়াইয়ে তাদের ১৯ জন সৈনিকের মৃত্যু হয়েছে। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত ৭২৯ জন আর্টসাক সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। আজারবাইজানের সেনার হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন ৩৬ জন নিরীহ নাগরিক। পালটা অজারবাইজানের দাবি, আর্মেনীয় বাহিনীর হামলায় তাদের ৬০ জন নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন যদিও হতাহত হওয়া সেনার সংখ্যা এখনও খোলসা করেনি বাকু। সবমিলিয়ে এপর্যন্ত যুদ্ধে মৃত্যু হয়েছের হাজারেরও বেশি মানুষের। আর্মেনিয়ার বিরুদ্ধে সংঘর্ষবিরতি চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ এনে আজারবাইজানের প্রধানমন্ত্রী ইলহাম আলিয়েভ বলেন, “আর্মেনীয় বাহীনরী হামলায় অনেকেই হতাহত হয়েছেন। তারা সংঘর্ষবিরতি মানছে না।”

উল্লেখ্য, নাগর্নো-কারাবাখ সংলগ্ন আর্মেনিয়া নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলের দখল নিতে অভিযান চালায় আজারবাইজান সেনা। তাদের প্রতিরোধ করে ওই অঞ্চলের সংখ্যাগরিষ্ঠ আর্মেনীয় বাসিন্দাদের ২৫ হাজার সদস্যের মিলিশিয়া বাহিনী ‘আর্টসাক ডিফেন্স আর্মি’। এরপর সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে আর্মেনিয়ার ফৌজও। গত কয়েকদিনের লড়াইয়ে দু’পক্ষের বেশ কিছু ট্যাঙ্ক, হেলিকপ্টার ও ড্রোন ধ্বংস হয়েছে। দু’পক্ষের কয়েকশো সেনার পাশাপাশি বহু অসামরিক নাগরিক হতাহত হয়েছেন। আর্মেনিয়া হুমকি দিয়েছে, প্রয়োজনে পরমাণু অস্ত্রবাহী দূরপাল্লার রুশ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হবে। অধুনা বিলুপ্ত সোভিয়েত ইউনিয়নের দুই সদস্য দেশের লড়াইয়ে ইতিমধ্যেই জড়িয়ে পড়েছে বিশ্বের বেশ কিছু দেশ। মুসলিম রাষ্ট্র আজারবাইজানকে প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়েছে তুরস্ক ও পাকিস্তান। অন্যদিকে, খ্রিস্টান সংখ্যাগরিষ্ঠ আর্মেনিয়ার প্রতি ঝুঁকে রয়েছে আমেরিকা, ফ্রান্স-সহ পশ্চিমী দুনিয়া এবং রাশিয়া। তবে মস্কোর রোষ এড়াতে এই লড়াইয়ে হস্তক্ষেপ না করার বার্তা দিয়েছে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়েপ এরদোগান, ন্যাটো জোটকে একই ভাবে আশ্বস্ত করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট।

[আরও পড়ুন: ‘বিডেন জিতলে হয়তো আমি দেশ ছাড়ব,’ নির্বাচনের আগেই হার মানলেন ট্রাম্প!]

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে