সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চাঁদের প্রথম পা রেখেছিলেন কে? ছেলে-বুড়ো সকলের একটাই উত্তর, মার্কিন মহাকাশচারী নীল আমস্ট্রং। সেটাই খুব স্বাভাবিক। কারণ স্কুলের পাঠ্যবই, সাধারণজ্ঞানের বই থেকে আমরা তো এটাই জেনেছি, যে ১৯৬৯ সালে ২০ জুলাই নাসার মহাকাশ যান অ্যাপেল ১১-তে চড়ে চাঁদে নামেন তিন মহাকাশচারী নীল আমস্ট্রং, এডুইন অলড্রিন ও মাইকেল কলিন্স। আর চাঁদের বুকে প্রথম পা রেখেছিলেন নীল আমস্ট্রং। কিন্তু, জানেন কি, সোশ্যাল মিডিয়ায় চন্দ্রাভিযান নিয়ে একটি অন্য মতও প্রচার করা হচ্ছে? বলা হচ্ছে, নীল আমস্ট্রং নন, চাঁদে নাকি প্রথম পা রেখেছিলেন এক রুশ মহাকাশচারী! তিনি কসমোনট নামে পরিচিত ছিলেন। এমনকী, এই দাবির সমর্থনে ইউটিউবে একটি ভিডিও পর্যন্ত আপলোড করেছে ইউটিউব চ্যানেল ‘দ্য আননোন’।
[সময়ের ২০ সেকেন্ড আগেই ছাড়ল ট্রেন, ক্ষমা চাইল রেল]
গানে, কবিতায় বারবারই এসেছে চাঁদের অনুষঙ্গ। মুখের সৌন্দর্য্য বোঝাতেও চাঁদেরই উদাহরণ দেওয়া হয়ে থাকে। চাঁদনী রাতে বড়পর্দায় উত্তম-সুচিত্রার রোম্যান্স এক সময়ে বাঙালির হৃদয়ে ঝড় তুলেছিল। কিন্তু, সেসবই তো কল্পনা। বাস্তবে, চাঁদ ঠিক কীরকম? তা নিয়ে কৌতূহলের শেষ নেই। তাই প্রায় পাঁচ দশক আগে জনৈক এক মার্কিন মহাকাশচারীর চাঁদে পা রাখার খবরে শোরগোল পড়েছিল গোটা বিশ্বে। অভিযানের ভিডিও প্রকাশ করে নাসা সগর্বে ঘোষণা করেছিল, মানব সভ্যতার প্রতিনিধি হিসেবে প্রথমবার চাঁদে পা রাখার কৃতিত্ব অর্জন করেছেন মার্কিন মহাকাশচারী নীল আমস্ট্রং। কিন্তু, সত্যি কি তাই? এখন প্রশ্ন উঠছে। সোশ্যাল মিডিয়া ঘোরাফেরা করছে ষড়যন্ত্রের নানা তত্ত্ব। সোশ্যাল মিডিয়ায় অত্যন্ত জনপ্রিয় ‘দ্য আননোন’ নামে ইউটিউব চ্যানেলটি। সম্প্রতি সেই চ্যানেলের তরফে চন্দ্রাভিযান নিয়ে ইউটিউবে নয়া একটি ভিডিও আপলোড করা হয়েছে। চ্যানেলটির দাবি, নীল আর্মস্ট্রং নন, চাঁদে প্রথম পা রেখেছিলেন কসমোনট নামে এক রুশ মহাকাশচারী। কিন্তু, দুর্ভাগ্যবশত তিনি মারা যান। তাই সেই অভিযানের তথ্য গোপন রেখেছিল তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন। শুধু তাই নয়, বলা হচ্ছে, পরবর্তীকালে যখন চাঁদে যান নাসার মহাকাশচারীরা, তখন রুশ অভিযানের যাবতীয় প্রমাণ নষ্ট করে দেন তাঁরা!
[OMG! যৌন হেনস্তার অভিযোগে মার্কিন প্রেসিডেন্টের পদত্যাগ দাবি পেন্টাগনের!]
বস্তুত, সেই ছয়ের দশকেই নাসার সফল চন্দ্রাভিযান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। শোনা গিয়েছিল, চন্দ্রাভিযানের যে ভিডিও প্রকাশ করেছিল মার্কিন মহাকাশ গবেষণাকেন্দ্র, সেটি নাকি ভুয়ো। গোটাটাই শুট করা হয়েছিল আমেরিকার একটি স্টুডিও-তে! তবে একদা আমেরিকার প্রবল প্রতিপক্ষ রাশিয়ার কোনও মহাকাশচারী চাঁদে পা রেখেছিলেন, এমন তত্ত্ব এই প্রথম জানা গেল।
দেখুন ভিডিও:
সর্বশেষ খবর
-
বাথরুমে আয়না বসানোর আগে জানুন বাস্তুর নিয়ম, এড়ান মারাত্মক এই ভুল
-
বিশ্বকাপই দেয় জীবনের পাঠ, রাত জাগার ফাঁকে সন্তানকে কী শেখাতে পারেন অভিভাবকরা?
-
আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে বিশ্বমানের পারফরম্যান্সে মুগ্ধ মোরিনহো, এবার রিয়ালে কেপ ভার্দের তারকা?
-
চক্কর কাটা শুরু, চারঘণ্টা ‘স্যাঁটা-ভাঙা’ জিজ্ঞাসাবাদের পর হুমায়ুনকে ফের ডাকল পুলিশ
-
ভাটপাড়া রয়েছে ভাটপাড়াতেই, মুখ ঢেকে বিজেপি কর্মীকে গুলি তৃণমূল দুষ্কৃতীদের!