BREAKING NEWS

১ মাঘ  ১৪২৭  শুক্রবার ১৫ জানুয়ারি ২০২১ 

READ IN APP

Advertisement

আচমকা জেগে উঠল ঘাতক আগ্নেয়গিরি, নিউজিল্যান্ডে বেড়াতে গিয়ে মৃত্যুর মুখে ২৭

Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: December 9, 2019 3:44 pm|    Updated: December 9, 2019 6:59 pm

An Images

ছবি: প্রতীকী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ঘুরতে গিয়ে বড়সড় বিপদের মুখে নিউজিল্যান্ডের পর্যটকরা। হোয়াইট দ্বীপের আগ্নেয়গিরি থেকে আচমকা অগ্ন্যুৎপাতের জেরে মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়লেন ২৭ জন। নিউজিল্যান্ড প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, ২৩ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। দিনভর উদ্ধারকাজের পরও ২৭জনের প্রাণ বাঁচানো গেল না বলে নিউজিল্যান্ড পুলিশ সূত্রে খবর।

সূত্রের খবর, নিউজিল্যান্ডের হোয়াইট দ্বীপ, স্থানীয় ভাষায় যা হোয়াক্কারি, তা বেশ জনপ্রিয় একটি পর্যটনস্থল। আর এখানেই অবস্থিত দেশের অন্যতম জাগ্রত আগ্নেয়গিরি। একথা জানেন সকলে। তবু সপ্তাহান্তে সেখানে প্রচুর ভিড় হয়। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, হোয়াইট দ্বীপে আগ্নেয়গিরির লাভামুখের চারপাশেই ঘোরাঘুরি করছিলেন পর্যটকরা। কিন্তু আচমকাই আগ্নেয়গিরিটি জেগে ওঠে। শুরু হয় লাভা নিঃসরণ। উদগীরণ দেখে চমকে যান সকলে, ছিটকে যান। ওখানেই আটকে পড়েন তাঁরা। পুলিশ জানিয়েছে, অগ্ন্যুৎপাতের জেরে প্রথমে একজনের মৃত্যু হলেও, পরে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ২৭ জন।

[ আরও পড়ুন: ‘কোনও স্টুপিড কোর্ট স্পর্শ করতে পারবে না, আমি পরম শিব’, ভাইরাল নিত্যানন্দের ভিডিও]

জানা গিয়েছে, নিউজিল্যান্ডের হোয়াইট দ্বীপটি কিছুটা বিচ্ছিন্ন। প্রকৃতিগতভাবেও কিছুটা বন্ধুর। তার উপর অগ্ন্যুৎপাতের ছাই-ধোঁয়ায় ঢেকে গিয়েছে গোটা এলাকা। তাই খুব দ্রুত সেখানে পৌঁছে স্বাভাবিক গতিতে উদ্ধারকাজ সম্ভব নয়। তাই সেই কাজে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে উদ্ধারকারী দলকে। এটাই বেশি চিন্তায় ফেলেছে নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আর্ডের্নকে। তিনি বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছেন, ”বহু পর্যটক ওখানে বেড়াতে গিয়েছিলেন, যাঁদের বেশিরভাগই এদেশেরই বাসিন্দা। বুঝতে পারছি, অনেকেই নিজেদের প্রিয়জনদের জন্য চিন্তায় পড়েছেন। কিন্তু আমি আপনাদের আশ্বস্ত করছি, পুলিশ নিজেদের সেরাটা দিয়ে সবাইকে নিরাপদে উদ্ধার করার চেষ্টা করছে।”

[ আরও পড়ুন: গণতন্ত্রের দাবিতে আন্দোলনের ৬ মাস পূর্তি, হংকং যেন জনসমুদ্র]

কীভাবে আচমকা জেগে উঠল হোয়াইট দ্বীপের আগ্নেয়গিরিটি? মাইকেল শেড নামে এক পর্যটক, যিনি ঘটনাস্থল থেকে নিরাপদ দূরত্বে ছিলেন, তিনি অগ্ন্যুৎপাতের ভিডিও করেছেন। এই অভিজ্ঞতা নিয়ে তাঁর মন্তব্য, ”আমি মাত্র আধঘণ্টা আগেই ওই লাভামুখের পাশ থেকে ঘুরে এসেছি। পরে আমরা লেকে নৌকা নিয়ে ঘুরছিলাম। হঠাৎ নজরে পড়ে, ধোঁয়া। ওদিকে তাকাতেই চমকে উঠি।” ব্রাজিলের এক পর্যটক বলছেন, ”আমি বরাতজোরে বেঁচে গিয়েছি। মাত্র ৫ মিনিট আগেই ওখান থেকে ঘুরে ফিরেছি।” বেড়াতে গিয়ে এমন এক ভয়ংকর অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়ে আতঙ্কিত পর্যটকরা।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement