BREAKING NEWS

১ আশ্বিন  ১৪২৭  শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

নাৎসি জার্মানির গোপন তথ্য ফাঁস, ভারতীয় বংশোদ্ভূত চর নুরকে সম্মান জানাল লন্ডন

Published by: Monishankar Choudhury |    Posted: August 29, 2020 1:42 pm|    Updated: August 29, 2020 1:42 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ব্রিটেনের চর, ভারতীয় বংশোদ্ভূত নুর ইনায়েত খানের সম্মানে স্মারক ফলক বসল সেন্ট্রাল লন্ডনে তাঁরই পরিবারের পুরনো বাড়ির পাশে। নুরই প্রথম ভারতীয় বংশোদ্ভূত মহিলা, যাঁর স্মৃতিতে সম্মান জানানোর জন্য ‘ব্লু প্লাক’ বসানো হল।

[আরও পড়ুন: সাম্প্রদায়িক অশান্তির জেরে উত্তপ্ত সুইডেন, পুলিশের গাড়িতে আগুন বিক্ষুব্ধ জনতার]

শুক্রবার ব্লুমসবেরির ৪, ট্যাভিটন স্ট্রিটে ফলকটি বসানো হয়েছে। ইংলিশ হেরিটেজ চ্যারিটি পরিচালিত ‘দ্য ব্লু প্লাক স্কিম’-এর আওতায় সেই সব ভবনে স্মারক ফলক বসানো হয় যেগুলির সঙ্গে ইতিহাসের বিশিষ্ট মানুষজনের ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে। ৪, ট্যাভিটন স্ট্রিটের এই বাড়িতে নুর থাকতেন ১৯৪৩ সালের আগে পর্যন্ত। তারপর ১৯৪৪ সালে তিনি নাৎসিদের দখলে থাকা ফ্রান্সে যান ব্রিটেনের চর হিসাবে। ব্রিটেনের স্পেশ্যাল অপারেশনস এক্সিকিউটিভ-এর (এসওই) হয়ে ‘আন্ডারকভার রেডিও অপারেটর’ হিসাবে ম্যাডালিন নাম নিয়ে অধিকৃত ফ্রান্সে গিয়েছিলেন নুর। ফ্রান্সে যাওয়ার পর সেখানকার দাচাও কনসেনট্রেশন ক্যাম্পে নুরকে হত্যা করা হয়েছিল। যে লক্ষ্য নিয়ে নুর সেখানে গিয়েছিলেন, তা পূরণ করতে পারেননি তিনি। নিজের আসল নামটুকুও জানাতে পারেননি। তার আগেই খুন করা হয়েছিল ভারতীয় বংশোদ্ভূত সুফি সন্ত, হজরত ইনায়ত খানের এই কন্যাকে। নুর মাইসোরের শাসক টিপু সুলতানের বংশের উত্তরাধিকারীও ছিলেন। তাঁর জীবনকাহিনি নিয়ে বই লিখেছেন শ্রাবণী বসু, যার নাম ‘স্পাই প্রিন্সেস : দ্য লাইফ অফ নুর ইনায়েত খান’। শ্রাবণীর দাবি, “নুর যখন ট্যাভিটান স্ট্রিটের বাড়ি ছেড়ে তাঁর ‘স্পাই’ মিশনে রওনা দিয়েছিলেন, তখনও তিনি ভাবেননি যে একদিন তাঁকে ব্রিটেন মনে রাখবে নির্ভীকতার প্রতীক হিসাবে।”

প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ব্রিটেনের হয়ে জার্মান জোটের সঙ্গে লড়াই করেন বহু ভারতীয় সৈনিক। ইটালি থেকে মিশর পর্যন্ত ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের হয়ে প্রাণ দিয়েছেন ‘ব্রিটিশ ইন্ডিয়ান আর্মি’র কয়েক লক্ষ ভারতীয় সৈনিক। তবে আজও যোগ্য সম্মান পাননি অনেকেই। সেদিক থেকে দেখতে গেলে নুর ইনয়াত খানের জন্য ব্লু প্লাক স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে ইতিহাসের পাতায় হরিয়ে যাওয়া ওই যোদ্ধাদের অবদান আজও সগর্বে মনে রেখেছে লন্ডনের একাংশ মানুষ।

[আরও পড়ুন:খুনসুটির মাঝেই আচমকা প্রবল আক্রোশ, আশ্রয়দাতারই টুঁটি টিপে মারল দুই সিংহ!]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement