Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২২ জুলাই ২০২৬
North Korea

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের মধ্যেই ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণকারী যন্ত্রের পরীক্ষা উত্তর কোরিয়ার, নিশানায় আমেরিকা!

প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের বরাত দিয়ে সংবাদ সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়া তাদের আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (আইসিবিএম) উৎক্ষেপণের জন্য এই কঠিন-জ্বালানিযুক্ত রকেট ইঞ্জিনগুলো ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে। এই ইঞ্জিনগুলো দ্রুত ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণে সহায়তা করে। উৎক্ষেপণের আগে খুব বেশি প্রস্তুতিরও প্রয়োজন হয় না।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৩০, ২০২৬, ১৬:৪৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৩০, ২০২৬, ১৬:৪৬

options
link
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের মধ্যেই ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণকারী যন্ত্রের পরীক্ষা উত্তর কোরিয়ার, নিশানায় আমেরিকা! zoom
উত্তর কোরিয়ার শাসক কিম জন উন। ছবি: সংগৃহীত।
Advertisement

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই শক্তি বাড়াচ্ছে উত্তর কোরিয়া। রবিবার সলিড-ফুয়েল ইঞ্জিনের পরীক্ষা করে শক্তি প্রদর্শন করলেন সে দেশের শাসক কিম জং উন। রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কেসিএনএ-র দাবি, উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র শক্তি বাড়ানোর পথে বড় পদক্ষেপ। যা অনায়াসে নিশানায় আনতে পারবে আমেরিকার মূল ভূখণ্ডকে। ফলে উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের শক্তিশালী যন্ত্রের পরীক্ষা ঘিরে তাই আন্তর্জাতিক মহলে শোরগোল শুরু হয়েছে। সংবাদ সংস্থার খবর, নতুন এই যন্ত্রটির নিক্ষেপ ক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে। আগে ছিল ১৯৭১ কিলো টন। এখন সেটির ক্ষমতা বাড়িয়ে ২৫০০ কিলো টন করা হয়েছে। আর এই পরীক্ষার ছবি কেসিএনএ প্রকাশিত হয়েছে ২৯ মার্চ। যা নিয়ে চলছে জোর চর্চা। কেসিএনএ সংবাদ সংস্থার মতে, কিম বলেছেন “সর্বশেষ এই ইঞ্জিন পরীক্ষাটি দেশের কৌশলগত সামরিক শক্তিকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।”

প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের বরাত দিয়ে সংবাদ সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়া তাদের আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (আইসিবিএম) উৎক্ষেপণের জন্য এই কঠিন-জ্বালানিযুক্ত রকেট ইঞ্জিনগুলো ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে। এই ইঞ্জিনগুলো দ্রুত ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণে সহায়তা করে। উৎক্ষেপণের আগে খুব বেশি প্রস্তুতিরও প্রয়োজন হয় না। আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা এপি বলছে, এই পরীক্ষাটি সম্ভবত ইঙ্গিত দিচ্ছে কিম জং উন এমন একটি ক্ষেপণাস্ত্রভাণ্ডার গড়ে তুলতে এবং আধুনিকীকরণে বদ্ধপরিকর যা সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডে আঘাত হানতে সক্ষম।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

জানা গিয়েছে, নতুন এই ইঞ্জিনটি কার্বন ফাইবার কম্পোজিট উপাদান দিয়ে তৈরি এবং এর সর্বোচ্চ থ্রাস্ট ২৫০০ কিলো টন। এর আগে গত সেপ্টেম্বরের পরীক্ষায় এই ক্ষমতা ছিল প্রায় ১৯৭১ কিলো টন। ফলে স্বাভাবিকভাবেই এটি নজর কেড়েছে আন্তর্জাতিক মহলের। বিশেষজ্ঞদের মতে, ইঞ্জিনের এই ক্ষমতা বাড়ানোর পিছনে মূল লক্ষ্য একাধিক ওয়ারহেড বহন করতে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করা, যাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করার সম্ভাবনা বাড়ে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.