Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২২ জুলাই ২০২৬

গুহাবাসী হচ্ছে পাকিস্তানের হাজার হাজার মানুষ! ব্যাপারটা কী?

কারণ জানলে অবাক হবেন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১, ২০১৮, ১৭:৪৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১, ২০১৮, ১৭:৪৩

options
link
গুহাবাসী হচ্ছে পাকিস্তানের হাজার হাজার মানুষ! ব্যাপারটা কী? zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সার্বিকভাবে দেশের আর্থিক পরিস্থিতি মোটেই ভাল নয়। দীর্ঘদিন ধরেই সন্ত্রাসবাদী সমস্যা, ধর্মীয় গোঁড়ামি আর পরনির্ভরতা পাক অর্থনীতিকে কার্যত পঙ্গু করে দিয়েছে। পরিস্থিতি এমনই যে সদ্য নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে কার্যত ভিক্ষের ঝুলি নিয়ে মিত্র দেশগুলির দোরে দোরে ঘুরতে হচ্ছে আর্থিক সাহায্যের আশায়। দেশের সার্বিক অর্থনীতির এই এই অবনমনের প্রভাব পড়ছে আম পাকিস্তানবাসীর জীবনেও। দেশের মুদ্রার মূল্য এখন তলানিতে। তাই, নিত্যনৈমিত্তিক জীবন হয়ে উঠছে আরও ব্যয়বহুল। নতুন করে ইট-কাঠ-পাথরের বাড়ি তৈরির পরিকল্পনা এখন মধ্যবিত্ত পাকিস্তানবাসীর জন্য অলীক স্বপ্নের মতো। তাই, কার্যত বাধ্য হয়ে অভিনব বাড়ি তৈরির পরিকল্পনা করছে পাকিস্তানের এক গ্রামের অধিকাংশ বাসিন্দা। দু’একটি পরিবার ছাড়া অধিকাংশ বাসিন্দাই এখন গুহাবাসী।

[পাকিস্তানের মাটিতে খলিস্তানপন্থী নেতার সঙ্গে সিধুর ছবি, তীব্র সমালোচনা বিজেপির]

কথা হচ্ছে উত্তর-পশ্চিম ইসলামাবাদের বুরে গ্রামের। রাজধানী থেকে মাত্র ৬০ কিলোমিটার দূরের এই গ্রামে গেলে এক মুহূর্তে আপনার মনে হতে পারে আপনি প্রস্তর যুগে ফিরে গিয়েছেন। কারণ, গোটা গ্রামের অন্তত হাজার তিনেক মানুষ বাস করেন গুহায়। যদিও, তাদের জীবনযাত্রা আধুনিক। কিন্তু গুহায় বাস করার কারণ কী? স্থানীয়রা বলছেন, বেহাল অর্থনীতির জন্য বিদেশ থেকে নির্মাণ সামগ্রী আমদানি করতে পারছে না পাকিস্তান সরকার। যার ফলে, বাড়ি বানানোর খরচ আকাশছোঁয়া। এই পরিস্থিতিতে হয় মাটির বাড়ি তৈরি করে বাস করতে হবে আর নাহয় আশ্রয় নিতে হবে গাছতলা বা ফুটপাতে। মাটির বাড়ি তৈরি করলে ভূমিকম্প বা বৃষ্টিতে তা ভেঙে গুড়িয়ে যায়। তাই নিখরচায় পাহাড়ি এলাকায় টিলা বা মালভূমির গুহাতেই আশ্রয় নিচ্ছেন বুরেবাসী। তাঁরা বলছেন, পাকিস্তানের আবহাওয়ার সঙ্গেও এই বাড়িগুলি বেশ মানানসই। কারণ, বাইরে যখন প্রচণ্ড শীত তখনও ঘরের ভিতরের উষ্ণতা একই থাকে। আবার প্রচণ্ড ঝড় বৃষ্টি হলেও সমস্যা হয় না গুহাবাসীর।-

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

Pak people living in Cave

[বিয়ে কবে করবে? যুবককে প্রশ্ন করে এ কী হল অন্তঃসত্ত্বার!]

এই গুহাবাড়ি গুলি কিন্তু যথেষ্ট চাকচিক্য করে সাজানো। এর মধ্যে আবার ভাগও রয়েছে কোনওটা বেডরুম তো কোনওটা লিভিং রুম। আধুনিকতার মোড়কে সাজাতে খুব যে বেশি খরচ হয়েছে তাও নয়। একটু রং আর একটু প্রসাধনী দিয়ে সাজিয়ে দিলেই হল। শুধু বুরে নয়, এখন আশেপাশের গ্রামগুলিতেও ক্রমাগত জনপ্রিয়তা পাচ্ছে গুহাবাড়ি। তাছাড়া দেশের যা আর্থিক পরিস্থিতি তাতে এছাড়া আর উপায়ই বা কী?

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.