Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Ground Zero

অভিশপ্ত ৯/১১, স্মৃতির সরণিতে আজও উজ্জ্বল ‘গ্রাউন্ড জিরো’

কত মানুষের হাহাকার, স্বজন হারানোর কান্না রয়েছে এই সৌধের অন্দরে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১১, ২০২১, ১৩:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১১, ২০২১, ১৩:৫৬

options
link
অভিশপ্ত ৯/১১, স্মৃতির সরণিতে আজও উজ্জ্বল ‘গ্রাউন্ড জিরো’ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শান বাঁধানো জায়গাটা। গত ২০ বছর ধরে তিলে তিলে জমিয়ে রেখেছে স্মৃতি। কত মানুষের হাহাকার, স্বজন হারানোর কান্না, রক্তের দাগ রয়েছে ‘গ্রাউন্ড জিরো’র (Ground Zero) অন্দরে। সেপ্টেম্বর মাসের ৯ তারিখে তা যেন আরও বেশি করে চাগাড় দিয়ে ওঠে। ১৭ বছরের ডোনা সুজি, ৪২ বছরের ডেভিড উইলির মতো আরও ৩ হাজারের মানুষের যন্ত্রণার কাহিনি বলতে চায়।

People pay homage to 9/11 victims at 'Ground Zero' on attack anniversary

Advertisement

এই গ্রাউন্ড জিরোর বুকেই ছিল ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার (World Trade Center)। একদিন তা নিয়ে কত্ত গর্ব ছিল মার্কিনদের। তাঁদের কাছে আছে ১১০ তলার এক বাড়ি। এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিংকে ছাপিয়ে ১৯৭৩ সালে এই বাড়ি তৈরিতে স্বপ্ন সফল হয়েছিল মার্কিন বাস্তুকার ইয়ামাসাকির। পাশাপাশি দাঁড়িয়ে দু’টি বাড়ি। একটির উচ্চতা ১,৩৬৮ ফুট। অন্যটি একটু ছোট। উচ্চতায় ১,৩৬২ ফুট। বেশ চলছিল ২৮ বছর। ব্যবসা-বাণিজ্য বেশ ভালই এগোচ্ছিল এই দুই বাড়িকে কেন্দ্র করে। হঠাৎ এল ৯/১১’র সেই অভিশপ্ত সকাল।

World Trade Centre Attack

[আরও পড়ুন: ‘প্রাণে বাঁচতে ৭২ তলা থেকেও লাফ দিয়েছিল অনেকে’, ৯/১১’র দুঃস্বপ্ন আজও কাটেনি সাক্ষীদের]

উফ! সেই স্মৃতি মনে পড়লে আজও মাঝ রাতে ঘুম ভেঙে যায় আমেরিকাবাসীর। শিরশিরে শিশিরেও ঘাম নেমে আসে কপাল বেয়ে। আর দুঃস্বপ্নের মতো পিছু ধাওয়া করে দু’টি ৭৬৭ বোয়িং বিমান। যার একটা চালক ছিল আল-কায়েদার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা মহম্মদ আটা। ২০ বছর পরও ৯/১১’র সকালে ম্যানহাটনের আকাশে উড়ানের আওয়াজ পেলে বুক কাঁপে। ভাবনায় চলে আসে দু’ঘণ্টার মধ্যে মার্কিন গর্বের দর্পচূর্ণের ছবি।

World Trade Centre Attack

ঘটনার পর ঘুরে দাঁড়িয়েছে আমেরিকা। যাবতীয় স্মৃতির বোঝা সরিয়ে নতুন করে সাজানো হয়েছে গ্রাউন্ড জিরোকে। পরিকল্পনায় আছে তৈরি হবে পাঁচটি স্কাইস্ক্র‌্যাপার। সঙ্গে থাকবে স্মৃতিসৌধ, মিউজিয়াম, পরিবহণ হাব এবং একটি আর্ট গ্যালারি। ১০ বছরের মধ্যে তিনটি বাড়ি তৈরি হয়ে যায়। তৈরি হয় সৌধ। আর ৪০ হাজার ছবি সম্বলিত মিউজিয়াম এখন গ্রাউন্ড জিরোর সঙ্গী। এমনিতে এই মিউজিয়াম খোলা থাকে সকাল দশটা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত। তবে শনিবার খোলা থাকবে সার রাত।

People pay homage to 9/11 victims at 'Ground Zero' on attack anniversary

[আরও পড়ুন: আফগানিস্তানে ফিরেছে তালিবান, ৯/১১ হামলার প্রায় দু’দশক পর আজ কোথায় দাঁড়িয়ে আল কায়দা?]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.