সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মানবিকতার কারণে গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি প্রয়োজন। এই দাবিতে প্রস্তাব পাশ হয়েছে রাষ্ট্রসংঘে। কিন্তু আন্তর্জাতিক মহলের ক্রমাগত চাপ সত্ত্বেও লড়াই থামাতে নারাজ ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। তাঁর সাফ কথা, যাই হয়ে যাক না কেন হামাসের শেষ না দেখে থামবে না ইজরায়েল।
৭ অক্টোবরের হামলার বদলা নিতে হামাসকে চিরতরে মুছে ফেলার পণ নিয়েছে ইজরায়েল (Isarel)। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে গাজায় তীব্র আক্রমণ শানাচ্ছে ইজরায়েলি ফৌজ। ইতিমধ্যেই মৃতের সংখ্যা ১৮ হাজার পেরিয়ে গিয়েছে। যে কারণে গাজায় যুদ্ধবিরতি চাইছে বিভিন্ন দেশ। কিন্তু কোনও পক্ষের কথাতেই কর্ণপাত করতে নারাজ নেতানিয়াহু। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, “ইজরায়েলি সেনা এই যুদ্ধ জারি রাখবে। এর শেষ না দেখে আমরা থামব না। ফলে লড়াই থামানোর কোনও প্রশ্নই ওঠে না। আন্তর্জাতিক চাপ সত্ত্বেও দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি, যতদিন না আমরা জয়লাভ করছি এই যুদ্ধ চলবে।” মঙ্গলবার রাষ্ট্রসংঘে যুদ্ধ বিরতির প্রস্তাব পাশ হওয়ার পরেরদিনই এই মন্তব্য করেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী।
[আরও পড়ুন: এবার বাইডেনের বিরুদ্ধে শুরু ইমপিচমেন্ট প্রক্রিয়া, চাপ তৈরির কৌশল ট্রাম্পের দলের?]
এর মধ্যেই ইজরায়েলের তরফে জানানো হয়েছে, গাজায় রক্তক্ষয়ী সংঘাত চালাচ্ছে ইজরায়েলি সেনা। হামাসের হামলায় ফের প্রাণ হারিয়েছেন ৯জন সৈনিক। বলে রাখা ভালো, কয়েকদিন আগেই নেতানিয়াহুর সরকার জানিয়েছিল এখনও পর্যন্ত গাজা ভূখণ্ডে হামাসের সঙ্গে যুদ্ধে মৃত্যু হয়েছে ৯১ জন ইজরায়েলি জওয়ানের। এবার এই সংখ্যা ১০০ পেরল।
উল্লেখ্য, একদিকে লড়াই করে যাচ্ছে হামাস (Hamas)। অন্যদিকে, লেবাননের হেজবোল্লাও আক্রমণাত্মক। হুঙ্কার দিচ্ছে ইরানও। এর মাঝেই ইজরায়েলি ভূখণ্ডকে নিশানা করে মিসাইল ছুঁড়ছে ইয়েমেনের সশস্ত্র হাউথি গোষ্ঠী। অর্থাৎ গাজার পাশাপাশি একাধিক ফ্রন্টে লড়াই করতে হচ্ছে ইজরায়েলকে । কিন্তু শত্রুদের মুছে ফেলতে পিছপা হচ্ছে না ইজরায়েলের সেনা। আক্রমণ যেদিক থেকেই আসুক না কেন কড়া জবাব দিচ্ছে তারা।
[আরও পড়ুন: কাশ্মীর নিয়ে আলোচনা দরকার, ৩৭০ ধারা বিলোপে খোঁচা চিনের]
সর্বশেষ খবর
-
তাইল্যান্ড-কলকাতা মাদক চালান! পর্যটক সেজে মারাত্মক ‘মলি’ পাচারে এসে গ্রেপ্তার দুই বিদেশিনী
-
দিনেদুপুরে যুবককে গাড়িতে তুলে চম্পট! সল্টলেকে ‘ফিল্মি কায়দা’য় অপহরণের কিনারা পুলিশের
-
‘ছাত্রক্ষোভ রাজনৈতিক ফায়দা তোলার হাতিয়ার’, রাহুল গান্ধীকে তোপ কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর
-
স্বাস্থ্য ভবনে পদোন্নতির ঝড়, মুখ্যমন্ত্রীর জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের বড় প্রমোশন
-
দায়িত্ব নিয়েছিলেন ১৮ দিন আগে, কামারহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা লকেটের দাদার