Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Corona

অবশেষে আশার আলো! ‘করোনা ভ্যাকসিনে’র ট্রায়াল সফল, দাবি রাশিয়ার

এক দল স্বেচ্ছাসেবকের উপরে এই পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করা হয়েছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১২, ২০২০, ২২:৪৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১২, ২০২০, ২২:৪৪

options
link
অবশেষে আশার আলো! ‘করোনা ভ্যাকসিনে’র ট্রায়াল সফল, দাবি রাশিয়ার zoom
ছবি: প্রতীকী
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কবে আসবে করোনার রোখার ভ্যাকসিন? তীর্থের কাকের মতো চেয়ে বসে আছে গোটা বিশ্ব। এদিকে ক্রমশ দাপট বাড়াচ্ছে অদৃশ্য এই শত্রু। এর মাঝেই আশার আলো দেখাল রাশিয়া। মস্কোর এক বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবি, তাঁদের তৈরি ভ্যাকসিনের মানবদেহে সফল প্রয়োগ হয়েছে। স্বভাবতই তাঁদের দাবিতে উচ্ছ্বসিত গোটা বিশ্ব। তবে এর আগেও একাধিক দেশ দাবি করেছে তাঁরা ভ্যাকসিন আবিষ্কার করে ফেলেছেন, কিন্তু কাজের কাজ হয়নি। ফলে এবারও সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে না তো, সেই আশঙ্কায় ভুগছে চিকিৎসক মহল। 

মস্কোর সেচেনভ বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম মানব শরীরে করোনার ভ্যাকসিনের সফল প্রয়োগ করেছে বলে দাবি। ইন্সটিটিউট অফ ট্রান্সন্যাশনাল মেডিসিন অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি-র ডিরেক্টর ভাদিম তারাসোভ জানিয়েছেন, এক দল স্বেচ্ছাসেবকের উপরে এই পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করা হয়েছে। রাশিয়ার সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে অংশগ্রহণকারী স্বেচ্ছাসেবকদের প্রথম দলকে আগামী বুধবার ছেড়ে দেওয়া হতে পারে। আর দ্বিতীয় দলটি আগামী ২০ জুলাই বাড়িতে ফিরতে পারবেন।

Advertisement

[আরও পড়ুন : জুতো থেকেও ছড়াতে পারে করোনা? কী বলছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানুন]

জানা গিয়েছে, রাশিয়ার গামালেই ইন্সটিটিউট অফ এপিডেমোলজি অ্যান্ড মাইক্রোবায়োলজি করোনার এই ভ্যাকসিনটি তৈরি করেছে। গত ১৮ জুন সেচেনভ বিশ্ববিদ্যালয়ে সেটির পরীক্ষামূলক প্রয়োগ শুরু করে। সেচেনভ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ভেক্টর বর্ন ডিজিসেস-এর ডিরেক্টর অ্যালেক্সজান্দ্রা লুকাসেভ জানিয়েছেন, ট্রায়ালের এই পর্যায়ের মূল লক্ষ্য ছিল মানব শরীরে এই ভ্যাকসিন কতটা নিরাপদ তা খতিয়ে দেখা। এই পরীক্ষা সাফল্যের সঙ্গে শেষ হয়েছে। যা বিশ্বে এই প্রথম। সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেছেন, ‘এই ভ্যাকসিন সম্পূর্ণ নিরাপদ। ক্লিনিক্যাল টেস্টেই তা প্রমাণিত হয়েছে।’ আরও ভ্যাকসিন তৈরির ভাবনা তাদের আছে বলে জানিয়েছে ওই রুশ বিশ্ববিদ্যালয়টি। তবে এর আগেও একই আশার আলো দেখিয়েছিল একাধিক দেশ। কিন্তু বাজারে এখও ভ্যাক্সিন অমিল। ফলে এক্ষেত্রেও তীরে আসে তরী ডুববে না তো, আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। 

[আরও পড়ুন : ‘করোনার ভয়াবহতা জেনেও বিশ্বকে সতর্ক করেনি চিন’, বিস্ফোরক হংকংয়ের ভাইরোলজিস্ট]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.