মধ্যরাতে জোহানেসবার্গে রক্তের বন্যা। বন্দুকবাজদের হানায় ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত অন্তত ৯। এখনও ধরা পড়েনি অভিযুক্তরা। তাদের সন্ধানে চলছে তল্লাশি।
ঠিক কী হয়েছিল? জানা যাচ্ছে, গাউটিং প্রদেশের এক বসতি এলাকায় আচমকাই হামলা চালায় বন্দুকবাজরা। একটি টয়েটো গাড়িতে তারা এসেছিল। তারপর লাগাতার গুলিবৃষ্টি করতে শুরু করে। ঘটনাস্থলেই এগারো জনের মৃত্যু হয়। একজনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়। আহত হয়েছেন ৯ জন। জানা যাচ্ছে, অভিযুক্তরা দু’টি আলাদা আলাদা স্থান দিয়ে ওই এলাকায় প্রবেশ করে। এরপর শুরু হয় গুলিবৃষ্টি। এমন এক ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
আরও পড়ুন:
বন্দুকবাজের হামলার ঘটনা দক্ষিণ আফ্রিকায় নতুন নয়। গত বছরের শেষে জোহানেসবার্গের একটি বারের বাইরে অজ্ঞাতপরিচয় বন্দুকবাজের গুলিতে নয়জন নিহত হন। শহর থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে সোনার খনি এলাকা বেকারসডালের একটি বারে প্রায় এক ডজন লোক হামলা চালালে আরও দশজন আহত হন। রাত ১টা নাগাদ এই ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে পুলিশ জানায়, এই ঘটনায় ১০ জনের মৃত্যু হয়। পরে মৃতের সংখ্যা কমিয়ে ৯ করা হয়।
দক্ষিণ আফ্রিকার বহু বাসিন্দা ব্যক্তিগত সুরক্ষার জন্য লাইসেন্স নিয়ে আগ্নেয়াস্ত্র রাখেন। কিন্তু আগ্নেয়াস্ত্রই আইন কঠোর হলেও এখানে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের সংখ্যাও নেহাত কম নয়। আর সেই কারণেই বারবার এই ধরনের হামলার ঘটনা ঘটে বলে জানা গিয়েছে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
কড়ি ফেললেই আফগান হচ্ছে ভারতীয়! বার্থ সার্টিফিকেট তৈরির অভিযোগে গ্রেপ্তার মালবাজারে পুরকর্মী
-
লাইন এড়িয়ে আউটডোরের টিকিট কাটার টোপ! এসএসকেএমে জালচক্রের রমরমা, গ্রেপ্তার ৩
-
রক্তপাতহীন বই-হত্যা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ধ্বংসযজ্ঞ!
-
প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতিতে ভরসা বাড়ছে, এইমসের আদলে বঙ্গে এবার আয়ুর্বেদ হাসপাতাল!
-
‘এমন সিদ্ধান্ত কেন নেন যাতে বিতর্ক হয়’, খাম প্রতীক জটিলতায় কমিশনকে প্রশ্ন হাই কোর্টের