Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
চিন

‘ভারত-চিন সীমান্ত বিবাদ নিয়ন্ত্রণে’, দাবি চিনা বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্রের

উভয় রাষ্ট্রনায়কই আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান সূত্র খুঁজে বের করবে: লিজিয়ান

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১, ২০২০, ১৭:৪০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১, ২০২০, ১৭:৪০

options
link
‘ভারত-চিন সীমান্ত বিবাদ নিয়ন্ত্রণে’, দাবি চিনা বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্রের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ইন্দো-চিন সীমান্তে যুদ্ধের আবহ চললেও স্বস্তির বার্তা দিলেন চিনের বিদেশ মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ান (Zhao Lijian)। সীমান্তে ‘পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রিত’ বলেই জানান তিনি। আলোচনার মাধ্যমেই উভয় দেশ এই সমস্যার সমাধান সূত্র খুঁজে বের করবে বলেও আশা তাঁর।

টানা ২৬ দিন ধরে যুদ্ধ যুদ্ধ পরিস্থিতি চলছে ইন্দো-চিন সীমান্তে। মাঝে মধ্যেই শোনা যায় দুই দেশের সেনাদের আস্ফালনের খবর। সোমবার সকালেও খবর মেলে লাদাখের কাছে অত্যাধুনিক অস্ত্র মজুত করছে ড্রাগনের দেশ। সীমান্তের কাছে কী কী অস্ত্র সম্ভার মজুত করেছে সেই ইঙ্গিতও মিলেছে। সেই তালে তাল মিলিয়ে পিছিয়ে থাকেনি ভারতীয় সেনাও। তাঁরাও সীমান্তে শক্তি বৃদ্ধি করেছে। তবে বেলা বাড়তেই সমস্ত জল্পনায় জল ঢেলে স্বস্তির বার্তা দিলেন চিনের বিদেশ মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ান। এদিন তিনি বলেন, “সীমান্তের পরিস্থিতি স্থিতিশীল ও নিয়ন্ত্রণযোগ্য। দুই দেশ নিজেদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে নির্বিঘ্নে সমস্যার সমাধান সূত্র খুঁজে বের করবে।”

Advertisement

[আরও পড়ুন:ট্রাম্পের নিশানায় ‘ড্রাগন’, জি-৭ গোষ্ঠীতে ভারতকে পাশে চাইছে আমেরিকা]

ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং জানিয়েছিলেন যে, সীমান্তে দেশের মর্যাদা ক্ষুন্ন হতে দেবেন না। সেই প্রসঙ্গেই এদিন চিনের বিদেশ মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ানের পালটা জবাব, “চিনের জাতীয় সার্বভৌমত্ব, সুরক্ষা ও সীমান্তে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে আমরাও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তাই আমাদের বিশ্বাস আলোচনার মাধ্যমেই দুই রাষ্ট্রনায়ক মীমাংসার পথ বাতলে নেবে।”

[আরও পড়ুন:বন্দিদশা থেকে মুক্তি, আনন্দে ঘোড়ায় চড়ে বেড়ালেন ব্রিটিশ রানি এলিজাবেথ]

বুধবারই দুই দেশের সীমান্ত বিবাদ নিয়ে তৃতীয় পক্ষ হিসেবে ‘বন্ধু’ ট্রাম্প মধ্যস্থতা করতে চান। কিন্তু নয়া দিল্লি তাঁকে সাফ মানা করে দেয়। পড়শি দেশের সঙ্গে সীমান্তের বিবাদ মেটাতে ভারত একাই সক্ষম, এই বার্তা পাঠানো হয় হোয়াইট হাউসে। এখন দেখার কবে আবার ইন্দো-চিন ভাই ভাই হয়ে ওঠে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.