BREAKING NEWS

৮ অগ্রহায়ণ  ১৪২৭  বুধবার ২৫ নভেম্বর ২০২০ 

Advertisement

আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহারের চুক্তি খারিজ করবেন না, বিডেনকে অনুরোধ তালিবানের

Published by: Soumya Mukherjee |    Posted: November 10, 2020 3:18 pm|    Updated: November 10, 2020 3:18 pm

An Images

ফাইল ফটো

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সদ্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন জো বিডেন। এখনও সারা বিশ্বের রাষ্ট্রপ্রধানরা তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়েও উঠতে পারেননি। এর মাঝেই আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে গত ফেব্রুয়ারি মাসে আমেরিকা যে চুক্তি করেছিল, তা খারিজ না করতে আবেদন জানাল তালিবান জঙ্গিরা। মঙ্গলবার এই বিষয়ে একটি লিখিত বিবৃতি প্রকাশ করে তারা বিডেনকে অনুরোধ করছে।

ওই বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ইসলামিক সাম্রাজ্যের তরফ থেকে সদ্য নির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বিডেন (Joe Biden) -কে অভিনন্দন জানানো হচ্ছে। তিনি ও তাঁর নেতৃত্বে তৈরি হতে চলা নতুন প্রশাসনকে গত ফেব্রুয়ারিতে হওয়া চুক্তি মেনে চলার আহ্বান জানানো হচ্ছে। কারণ এই চুক্তির সাহায্যেই আমাদের দু’দেশের মধ্যে তৈরি হওয়া সংঘাতের মীমাংসা হয় সম্ভব।

[আরও পড়ুন:‘সবচেয়ে নিরাপদ’ ভ্যাকসিনের কুপ্রভাব! ব্রাজিলে বন্ধ চিনের ‘করোনাভ্যাকে’র ট্রায়াল]

দীর্ঘ প্রায় দুই দশক ধরে চলা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর অবশেষে গত ফেব্রুয়ারিতে শান্তি চুক্তিতে স্বাক্ষর করে আমেরিকা ও তালিবান (Taliban )। গত ২৯ ফেব্রুয়ারি দোহায় সম্পন্ন হয় মার্কিন-তালিবান ঐতিহাসিক শান্তিচুক্তি। এই চুক্তির ফলেই আফগানিস্তানে ১৮ বছর ধরে চলা যুদ্ধের অবসান হতে চলেছে বলেই মনে করেছিলেন বিশেষজ্ঞরা। কাতারের রাজধানী দোহায় ওই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত জালমে খলিলজাদে ও তালিবান ডেপুটি লিডার মোল্লা আবদুল ঘানি বরাদর। উপস্থিত ছিলেন মার্কিন সচিব মাইক পম্পেও এবং ন্যাটো গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলির প্রতিনিধিরা। পর্যবেক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাকিস্তান, তাজিকিস্তান, ইরান, চিনের দূতরা। উপস্থিত ছিলেন কাতারে নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূত পি কুমারন। এই চুক্তি অনুসারে, ২০২১ সালের মে মাসের মধ্যে আমেরিকা ও ন্যাটোর সেনাদের আফগানিস্তান থেকে প্রত্যাহার করে নেবার কথা। গত মাসে কাতারের দোহাতে শান্তি আলোচনাতেও বসেছে আফগানিস্তান সরকারের প্রতিনিধি ও তালিবান নেতৃত্ব।

[আরও পড়ুন: পূর্ব আফ্রিকার মোজাম্বিকে ‘আল্লাহু আকবর’ বলে ৫০ জনের শিরচ্ছেদ করল ISIS জঙ্গিরা]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement