ক্রমশ জটিল হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি। ইরানে টানা ৭ ঘণ্টা বোমাবর্ষণ করল আমেরিকা। এমনটাই জানিয়েছে মার্কিন সেনার সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। মূলত ইরানের সামরিক ঘাঁটিগুলি লক্ষ্য করেই এই অভিযান বলে দাবি করেছে তারা। এই হামলার পরই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেহরানকে নতুন করে হুমকি দিয়েছেন। বলেন, “চুক্তি না মানলে এবার ওদের বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং সেতুগুলিতে হামলা চালানো হবে।”
সেন্টকম জানিয়েছে, মঙ্গলবার রাত থেকে ইরানে নতুন করে সামরিক অভিযান শুরু করে আমেরিকা। টানা ৭ ঘণ্টা চলে এই অভিযান। ‘তৈল ধমনী’ হরমুজ প্রণালীর আশপাশে থাকা ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ভাণ্ডারগুলি ধ্বংস করা হয়। গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় ইরানি নৌসেনার প্রচুর অস্ত্রশস্ত্র এবং উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে। আমেরিকার এই ভয়ংকর অভিযানের পরই মুখ খোলেন ট্রাম্প। হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “তেহরান যদি কোনও চুক্তিতে সম্মত না হয়, তবে আগামী সপ্তাহে ওদের বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং সেতুগুলিতে হামলা চালানো হবে।” তবে তেহরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তারা আমেরিকার চাপের কাছে নতি স্বীকার করবে না এবং হরমুজ প্রণালীতে তাদের কৌশল ও নিয়ন্ত্রণ অব্যাহত রাখবে। উল্লেখ্য, ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছে, মার্কিন হামলায় আহত হয়েছেন ২৬০ জনেরও বেশি। তবে কতজন নিহত হয়েছেন, তা উল্লেখ করেনি।
আরও পড়ুন:
অন্যদিকে, মার্কিন হামলার জবাব দিয়েছে ইরানও। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড দাবি করেছে, তারা পালটা বাহরিন, কুয়েত, কাতার এবং জর্ডনে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলিতে হামলা চালিয়েছে। তাদের আরও দাবি, ইরানের সামরিক অভিযানে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বাহরিনের মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের ঘাঁটি এবং জর্ডনের আজরাক বিমানঘাঁটি। তবে ইরানের সামরিক অভিযান নিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া দেয়নি ওয়াশিংটন।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
মুক্তবাণিজ্যে দখিন হাওয়া, ঐতিহাসিক চুক্তিতে দেশের শিল্পক্ষেত্রে আসবে নবজোয়ার
-
‘আমিই সোনমের অনশন ভাঙাবো’, কী কী খাওয়াবেন রাখি সাওয়ান্ত?
-
আটকে থাকা ৮২ হাজার কোটির উন্নয়ন প্রকল্পে আসছে গতি, ১২৫ দিনের কাজে মজুরি বৃদ্ধি
-
জলপথে জেহাদি অনুপ্রবেশের আশঙ্কা? কড়া নজরদারি সুন্দরবনে, সীমান্তে বিএসএফের ডিজি
-
কলকাতায় ৮৪টি ছোট-বড় রথ, আইনশৃঙ্খলায় নামছে ২ হাজার পুলিশ