Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৪ আগস্ট ২০২৬

কিমকে জবাব, খর্বকায় এবং মোটা বলে তাচ্ছিল্য ট্রাম্পের

দক্ষিণ চিন সাগর নিয়ে মধ্যস্থতা করতে চান মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৪, ২০১৯, ১৭:৫০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৪, ২০১৯, ১৭:৫০

options
link
কিমকে জবাব, খর্বকায় এবং মোটা বলে তাচ্ছিল্য ট্রাম্পের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের একবার সম্মুখসমরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রপ্রধান কিম জং উন। এশিয়া সফরের শুরুতেই ট্রাম্পকে কটাক্ষ করে কিম বলেছিলেন, পরমাণু যুদ্ধের জন্য ব্যাকুল মার্কিন প্রেসিডেন্ট। পাশাপাশি ট্রাম্পকে ‘পাগল বৃদ্ধ’ বলেও অভিহিত করেন। রবিবার ভিয়েতনামে এরই পালটা দিলেন ট্রাম্প। কিমকে বেঁটে এবং মোটা বলে বিদ্রুপ করলেন তিনি। পাশাপাশি রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক আরও ভাল করার ইঙ্গিতও দিয়ে রাখলেন। এখানেই শেষ নয়, বিতর্কিত দক্ষিণ চিন সাগর নিয়েও মুখ খোলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

[সন্তানকে স্তন্যপান করানোর সময়েই জোর করে গাড়ি তুলে নিয়ে গেল পুলিশ]

রবিবার ভিয়েতনামের রাজধানী হ্যানয়ে সেখানকার শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের আগেই টুইট করে কিমকে পালটা কটাক্ষ করেন ট্রাম্প। লেখেন, ‘আমাকে বুড়ো বলে কিম কেন অপমান করবে? আমি কি ওকে খর্বকায় আর মোটা বলেছি? আমি ওর বন্ধু হওয়ার অনেক চেষ্টা করেছি। আশা করি ভবিষ্যতে আমরা বন্ধু হতে পারব।’ এরপরই রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক নিয়েও মুখ খোলেন। তিনি জানান, রাশিয়ার সঙ্গে মধুর সম্পর্ক স্থাপন করাই তাঁর অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। এর পাশাপাশি জানালেন, গত বছর মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন সুষ্ঠুভাবেই সম্পন্ন হয়েছে। ট্রাম্পকে জেতানোর পিছনে রাশিয়ান হ্যাকারদের হাত থাকার যে কথা বিরোধীরা ছড়াচ্ছে, তা পুরোপুরি মিথ্যা। ট্রাম্পের সংযোজন, ‘রাশিয়ার সঙ্গে খারাপ নয়, ভাল সম্পর্ক রাখাটাই জরুরি। নির্বোধ কিংবা বোকারা কবে এটা বুঝবে? রাজনীতি দেশের জন্য খুবই খারাপ। আমাকে উত্তর কোরিয়া, সিরিয়া, ইউক্রেন এবং সন্ত্রাসবাদ ইস্যুগুলি সামলাতে হবে এবং এজন্য সবসময় পাশে রাশিয়াকে প্রয়োজন।’ এই ইস্যুতে প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এবং প্রাক্তন বিদেশসচিব হিলারি ক্লিন্টনকেও একহাত নেন তিনি।

Advertisement

এদিকে, এশিয়া সফরে এসে চিনের দিকেও বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার ইঙ্গিত দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। বিতর্কিত দক্ষিণ চিন সাগর নিয়ে উপযাচক হয়ে মধ্যস্থতা করার কথাও বললেন। ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্ট ত্রান দাই কোয়াং-এর সঙ্গে বৈঠকের আগে এই প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমি খুব ভাল মধ্যস্থতাকারী। দক্ষিণ চিন সাগরকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কের সমাধানে যদি আমার প্রয়োজন হয় তাহলে অবশ্যই জানাবেন।’ এর পাশাপাশি আশা প্রকাশ করেন, উত্তর কোরিয়াকে যুদ্ধ থেকে বিরত রাখতে রাশিয়ার পাশাপাশি চিনও সাহায্য করবে।

[১১ ঘণ্টা ক্লাস, একগাদা হোমওয়ার্কের প্রতিবাদে ধরনায় পড়ুয়ারা]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.