১৩ কার্তিক  ১৪২৭  শুক্রবার ৩০ অক্টোবর ২০২০ 

Advertisement

ইউক্রেনে ভেঙে পড়ল সামরিক বিমান, মৃত কমপক্ষে বায়ুসেনার ২২ জওয়ান

Published by: Monishankar Choudhury |    Posted: September 26, 2020 10:57 am|    Updated: September 26, 2020 10:57 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ইউক্রেনে ভেঙে পড়ল সামরিক বিমান। মোট ২৭ জন যাত্রীর মধ্যে মৃত কমপক্ষে বায়ুসেনার ২২ জওয়ান। এই ঘটনার নেপথ্যে রুশপন্থী বিদ্রোহীদের হাত থাকার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

[আরও পড়ুন: ৭০ বছরে পাকিস্তানের একমাত্র উজ্বল অধ্যায় সন্ত্রাস আর মৌলবাদ! রাষ্ট্রসংঘে বিস্ফোরণ ভারতের]

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, শুক্রবার গভীর রাতে পূর্ব ইউক্রেনের চুহুইভ শহরের কাছে দুর্ঘটনাগ্রস্ত হয় ইউক্রেনীয় বায়ুসেনার একটি An-26 পণ্য পরিবাহী বিমান। ইউক্রেনের জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে সে দেশের এয়ারফোর্স ইউনিভার্সিটির বেশ কয়েকজন ক্যাডেটের। ইউক্রেনীয় বায়ুসেনার খারকভ ইউনিভার্সিটির ওই পড়ুয়ারা একটি প্রশিক্ষণ উড়ান শুরু করেছিলেন। জানা গিয়েছে, চুহুইভ শহরের একটি সামরিক বিমানঘাঁটির মাত্র ২ কিলোমিটার দূরে ভেঙে পড়ে বিমানটি। উল্লেখ্য, বেশ কয়েক বছর ধরে পূর্ব ইউক্রেনে সরকারি বাহিনী ও ‘রাশিয়ার মদতপুষ্ট’ বিদ্রোহীদের মধ্যে লড়াই চলছে। বিদ্রোহীরা ওই অঞ্চলকে ইউক্রেন থেকে পৃথক করে রাশিয়ার অংশ হিসেবে ঘোষণা করতে চায়। তাৎপর্যপূর্ণভাবে লড়াইয়ের ময়দান বা ফ্রন্টলাইন থেকে চুহুইভ শহরের দূরত্ব মাত্র ১০০ কিলোমিটার। ফলে এই বিমান দুর্ঘটনায় বিদ্রোহীদের হাত থাকার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না। ইউক্রেনের ডেপুটি অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী আন্তন গেরাসচেনকো বলেন, “আমরা মর্মাহত। এই মুহূর্তে দুর্ঘটনার সঠিক কারণ কী তা বলা সম্ভব নয়।

উল্লেখ্য, এর আগেও পূর্ব ইউক্রেনে বিদ্রোহীদের হামলার শিকার হয়েছে বিমান। ২০১৪ সালের জুলাই মাসে অ্যামস্টারডাম থেকে কুয়ালালামপুরগামী এমএইচ-১৭ যাত্রীবাহী বিমানটির উপর মিসাইল হামলা হয়। পূর্ব ইউক্রেনে ভেঙে পড়ে বিমানটি। ওই ঘটনায় নিহত হন ২৯৮ জন যাত্রী ও চালকদের সবাই। ওই ঘটনায় তীব্র নিন্দার ঝড় বয়ে যায় বিশ্বজুড়ে। অভিযোগ উঠে রাশিয়ার বিরুদ্ধে। দাবি করা হয়, ইউক্রেনে রুশপন্থী বিদ্রোহীরাই এই কাজ করেছে। তবে ইউক্রেন ও ইউরোপীয় দেশগুলির এই অভিযোগ খারিজ করে দেয় মস্কো। তবে ঘটনাস্থলে তদন্ত চালিয়ে ডাচ বিশেষজ্ঞরাও বলেছিলেন যে তারা ঘটনাস্থলে এমন কিছু টুকরো পেয়েছেন যা সম্ভবত রাশিয়ায় তৈরি ‘বাক’ জাতীয় ভূমি-থেকে-আকাশে হামলায় সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্রের টুকরো।

[আরও পড়ুন: দক্ষিণ কোরিয়ার ধীবর খুনে ক্ষমা চাইলেন একনায়ক কিম, উত্তপ্ত ৩৮ প্যারালেল]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement