সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাষ্ট্রসংঘের নিষেধাজ্ঞা অগ্রাহ্য করে উত্তর কোরিয়াকে অর্থনৈতিক সাহায্য দিয়েছে বেশ কয়েকটি রুশ ও চিনা বাণিজ্যিক সংস্থা৷ সেই অপরাধে সংস্থাগুলির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করল আমেরিকা৷ বুধবার এই সংক্রান্ত একটি তালিকা প্রকাশ করল মার্কিন ট্রেজারি দপ্তর৷ নিষেধাজ্ঞা খাঁড়া নেমে এসেছে আমেরিকায় ব্যবসা চালান একাধিক বৃহৎ রুশ ও চিনা ব্যবসায়িক সংস্থার উপরে৷ নিরস্ত্রীকরণ ইস্যুতে পিয়ংইয়ং-এর উপরে চাপ সৃষ্টি করার জন্যই এই পন্থা নিয়েছে ওয়াশিংটন৷ মনে করছে আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক মহল৷
[‘বিশ্বনেতা’র প্রয়াণে শোকস্তব্ধ রাশিয়া-আমেরিকা]
জানা গিয়েছে, প্রকাশিত তালিকায় নাম রয়েছে, চিনা সংস্থা দালিয়ান সান মুন স্টার ইন্টারন্যাশনাল লজিস্টিক ট্রেডিং কোম্পানি, লিয়াঙ্গ ইয়ে ও এসআইএনএসএমএস-এর৷ যারা উত্তর কোরিয়াতে সিগারেট ও অ্যালকোহল রপ্তানি করেছে এবং ব্যবসা করেছে জ্বালানি তেলের৷ যার ফলে গত বছরে পিয়ংইয়ং-এর আয় হয়েছে প্রায় এক বিলিয়ন মার্কিন ডলার৷ একই ভাবে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে রুশ সংস্থা প্রফিনেটকে৷ অভিযোগ, রাষ্ট্রসংঘের নিষেধাজ্ঞাকে পাত্তা না দিয়ে উত্তর কোরিয়ার বেশকিছু জাহাজে মালপত্র খালাসে সাহায্য করেছে সংস্থাটি৷ জাহাজগুলিতে ভরে দিয়েছে জ্বালানি৷ কেবল সংস্থাকে কালো তালিকাভুক্ত করেই থেমে থাকেনি মার্কিন ট্রেজারি দপ্তর৷ ষড়যন্ত করার ঘোরতর অভিযোগ এনেছে সংস্থার ডিজি আলেকজান্দ্রোভিচ কোলছানোবের বিরুদ্ধে৷
নিষেধাজ্ঞা উড়িয়ে রমরমিয়ে পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা, বেআইনি অস্ত্র ব্যবসা ও অন্যান্য ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে উত্তর কোরিয়া৷ সম্প্রতি এই সংক্রান্ত রিপোর্ট জমা পড়ে রাষ্ট্রসংঘ৷ ১৪৯ পাতার রিপোর্টে বলা হয়, জাহাজে করে, সমুদ্র পথে বিভিন্ন দেশে পেট্রোলিয়াম পণ্য ও কয়লা সরবরাহ করছে পিয়ংইয়ং৷ সকলের অলক্ষ্যে চালাচ্ছে ব্যালিস্টিক মিসাইলের চোরা চালান৷ এমনকি, সিঙ্গাপুরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ইতিবাচক বৈঠকের পরেও গোপনে পারমাণবিক অস্ত্র ও মিসাইল প্রযুক্তির উন্নতি ঘটিয়ে চলেছেন উত্তর কোরিয়ার সর্বাধিনায়ক কিম জং উন৷
[চাপানউতোর মিটিয়ে করমর্দন করবেন পুতিন-কিম, কবে জানেন?]
সূত্রের খবর, ২০১৮-র প্রথম পাঁচ মাসে ৫ লাখ ব্যারেলেরও বেশি পেট্রোলিয়াম কিনেছে কিমের দেশ৷ ৪০টি জাহাজে করে ১২০টি আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকে এই তেল এসেছে উত্তর কোরিয়ায়৷ কেবল আমদানিই নয়, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বেআইনি রপ্তানিও চালাচ্ছেন উত্তর কোরিয়ায় সর্বাধিনায়ক৷ রাষ্ট্রসংঘের রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়, ২০১৭-র অক্টোবর থেকে ২০১৮-র মার্চ পর্যন্ত চিন, ভারত এবং অন্যান্য দেশে লোহা ও ইস্পাত সরবরাহ করেছে পিয়ংইয়ং৷ আয় করে ১৪ মিলিয়ন ডলার৷ ঘানা, মেক্সিকো, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, তুরস্ক ও উরুগুয়েতে করে বস্ত্র রপ্তানি৷ সেখান থেকে আয় হয় ১০০ মিলিয়ন ডলার৷ এমনকি, লিবিয়া, ইয়েমেন ও সুদানে অস্ত্র ও অন্যান্য সামরিক সরঞ্জামও চোরাপথে চালান করে কিমের দেশ৷
সর্বশেষ খবর
-
উচ্ছিষ্ট ফুল থেকেই তৈরি হবে ধূপবাতি! রাজ্যের উদ্যোগে আশার আলো তারাপীঠ-সহ বীরভূমের বিভিন্ন মন্দিরে
-
কৃষ্ণনগরে হস্টেলের শৌচালয়ে খুদে ছাত্রীর দেহ! খুনের অভিযোগ পরিবারের
-
হতশ্রী ফুটবল! এবার তাজিকিস্তানের কাছেও হার খালিদ জামিলের ভারতের
-
‘যা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণাতেই…’, স্বরূপের গ্রেপ্তারির পর স্বস্তিতে ঋত্বিক!
-
সবচেয়ে দীর্ঘ মেয়াদের প্রধানমন্ত্রী! ১০ জুন নেহরুর রেকর্ড ভেঙে নতুন নজির গড়বেন মোদি