BREAKING NEWS

৭ আষাঢ়  ১৪২৮  মঙ্গলবার ২২ জুন ২০২১ 

READ IN APP

Advertisement

মেলেনি সুফল! কোভিড চিকিৎসায় রেমডেসিভির প্রয়োগের বিপক্ষে WHO

Published by: Monishankar Choudhury |    Posted: May 20, 2021 6:41 pm|    Updated: May 20, 2021 6:45 pm

WHO not on favour op Remdesivir drug on corona patients | Sangbad Pratidin

সংবাদ প্রতিদিণ্ ডিজিটাল ডেস্ক: কোভিড চিকিৎসায়  রেমডেসিভির প্রয়োগের বিপক্ষে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)। এমনটাই খবর আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে।

[আরও পড়ুন: শাপমুক্তি আসন্ন! ছ’মাস পর অস্ট্রিয়া ও ফ্রান্সে শিথিল লকডাউন]

করোনা রোগীদের চিকিৎসার জন্য ভারত-সহ একাধিক দেহে অ্যান্টি-ভাইরাল ড্রাগ রেমডেসিভির ব্যবহার করা হচ্ছে। দেশে পর্যাপ্ত জোগান না থাকায় বিদেশে ওষুধটি রপ্তানি করায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে নয়াদিল্লি। সরকারি হাসপাতালে থাকলে রোগীদের রেমডেসিভির ইঞ্জেকশন দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু সমস্যা হল বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি রোগীদের রেমডেসিভির প্রয়োজন হলে তা বাইরে থেকে কিনে আনতে হচ্ছে। আর রোগীর বাড়ির লোকরা হন্যে হয়ে ছুটে বেড়িয়েও অনেক ক্ষেত্রেই তা পাচ্ছেন না। অথবা পড়ছেন প্রতারণা বা দালাল চক্রের খপ্পরে।তবে করোনার বিরুদ্ধে এর কার্যকারিতা কতটা তা নিয়ে বরাবরই মতবিরোধ ছিল চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের মধ্যে। তা কী এই ‘রেমডেসিভির’? রেমডেসিভিরই প্রথম ওষুধ, যা ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের ক্ষেত্রে করোনা আক্রান্ত রোগীরা উপকৃত হয়েছেন বলে দাবি। প্রসঙ্গত, ভারতের আগে কোভিড চিকিত্‍সায় রেমডিসিভির প্রয়োগে সবুজ সংকেত দিয়েছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এই ওষুধ রোগীর শরীরে ইনজেকশনের মাধ্যমে প্রয়োগ করা হয়। এই বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ সংস্থা জানিয়েছে, করোনা আক্রান্তদের শরীরে রেমডেসিভির প্রয়োগ করে তেমন সুফল মেলেনি। ফলে তারা ড্রাগটি ব্যবহারের বিপক্ষে।

নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অব মেডিসিনের সাম্প্রতিক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত এবং যাঁদের মধ্যে উপসর্গ রয়েছে, তেমন ৫৩ জন রোগীর ক্ষেত্রে রেমডেসিভির শতকরা ৭০ ভাগ কার্যকর। কিন্তু এক-চতুর্থাংশের ক্ষেত্রে কিডনি ও লিভারের জটিলতা-সহ নানা ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে। মার্কিন কোম্পানির ওষুধ রেমডেসিভির মূলত সংক্রামক রোগ প্রতিরোধী। এটি ইবোলা ভাইরাসের চিকিৎসার জন্য তৈরি করা হয়েছিল। রেমডেসিভির একটি অ্যান্টি ভাইরাল ড্রাগ। ভাইরাসের বংশবৃদ্ধি (Replication) কমায় এই ওষুধ। রেমডেসিভিরের প্রধান কাজ হল, মানব কোষে ঢোকার পর ভাইরাস যে বংশবৃদ্ধি করে, তা বন্ধ করে দেওয়া।

[আরও পড়ুন: প্রস্তাব নাপসন্দ, ইজরায়েল-প্যালেস্তাইন সংঘাত নিয়ে রাষ্ট্রসংঘের সঙ্গে মতবিরোধ আমেরিকার]

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement