Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
China Humanoid Robots

নাচ-খেলার মঞ্চ থেকে রণাঙ্গনে! এবার ‘যন্ত্রমানব’দের যুদ্ধে নামাবে চিন

গত মাসে চিনে ‘ওয়ার্ল্ড হিউম্যানয়েড রোবট গেমস’ নামে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে মঞ্চ মাতিয়েছে মানুষের মতো দেখতে রোবট, যা ‘হিউম্যানয়েড রোবট’ নামেও পরিচিত। কোনও কোনও ‘যন্ত্রমানব’ বক্সিং করেছে, কেউ নেচেছে আবার কেউ কিংবদন্তি উসাইন বোল্টের চেয়েও দ্রুত গতিতে দৌড়েছে। ‘হিউম্যানয়েড রোবট’-এর এহেন কেরামতিতে উচ্ছ্বসিত হয়ে পড়েন দর্শকরাও।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬, ১৭:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬, ১৭:৫৬

options
link
নাচ-খেলার মঞ্চ থেকে রণাঙ্গনে! এবার ‘যন্ত্রমানব’দের যুদ্ধে নামাবে চিন zoom
যুদ্ধের ময়দানে এবার নামবে ‘রোবট’ যোদ্ধা। ছবি: রয়টার্স।
Advertisement

যতদিন যাচ্ছে, যুদ্ধের পরিভাষা ততই বদলে যাচ্ছে। যুদ্ধের ময়দানে এবার ‘রোবট’ বা ‘যন্ত্রমানব’দের নামানোর পরিকল্পনা শুরু করে দিয়েছে চিন (Chaina)। এতদিন পর্যন্ত যারা নাচ কিংবা খেলার মঞ্চ কাঁপাত, তারাই এখন শত্রুর চোখে চোখ রেখে লড়াই করবে।

গত মাসে চিনে ‘ওয়ার্ল্ড হিউম্যানয়েড রোবট গেমস’ নামে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে মঞ্চ মাতিয়েছে মানুষের মতো দেখতে রোবট, যা ‘হিউম্যানয়েড রোবট’ নামেও পরিচিত। কোনও কোনও ‘যন্ত্রমানব’ বক্সিং করেছে, কেউ নেচেছে আবার কেউ কিংবদন্তি উসাইন বোল্টের চেয়েও দ্রুত গতিতে দৌড়েছে। ‘হিউম্যানয়েড রোবট’-এর এহেন কেরামতিতে উচ্ছ্বসিত হয়ে পড়েন দর্শকরাও। অনুষ্ঠানের একাধিক ছবি এবং ভিডিও সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এর কয়েকদিন পরই তৎপর হয় চিনের পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ)। পিএলএ-র নিজস্ব সংবাদপত্রে গবেষকদের বিশেষ বার্তা দেওয়া হয়। এই অত্যাধুনিক প্রযুক্তিকে দ্রুত সামরিক প্রশিক্ষণের জন্য প্রস্তুত করার আহ্বান জানায় লাল ফৌজ। তাদের লক্ষ্য ‘রোবট’কে মানুষের থেকেও শক্তিশালী ‘যোদ্ধা’ তৈরি করা। 

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

আসলে চিনের প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে বেশ কিছু বছর ধরেই ‘যন্ত্রমানব’-এর গুরুত্ব বাড়ছে। যুদ্ধে ‘রোবট’দের নামানোর পরিকল্পনা করছে বেজিং। প্রতিরক্ষা বা অস্ত্র নির্মাণকারী সংস্থাগুলি ইতিমধ্যেই তা নিয়ে জোরদার গবেষণা শুরু করে দিয়েছে। যুদ্ধের ময়দানে রক্তমাংসের জওয়ানদের সঙ্গে কীভাবে পাল্লা দিয়ে লড়াই করে শত্রুর ঘুম ওড়াতে পারে, তা নিয়েও চলছে গবেষণা। গত একবছর ধরে চিনের সেই উদ্যোগে গতি এসেছে। একটি রিপোর্ট অনুযায়ী,  ২০২৫ সালে বিশ্বে যত হিউম্যানয়েড রোবট সরবরাহ করা হয়েছে, তার প্রায় ৯৫ শতাংশই নির্মাণ করেছে চিনা সংস্থাগুলি। ফলে ‘রোবট’ শিল্পে বিশেষ দক্ষতা অর্জন করেছে ‘ড্রাগন’। এর ফলে বিশেষ সুবিধা হয়েছে চিনের সেনাবাহিনীরও।

যুদ্ধের ময়দানে কীভাবে কাজ করবে ‘রোবট’গুলি? সূত্রের খবর, শত্রুর ডেরায় গিয়ে বিভিন্ন খুঁটিনাঁটি তথ্য সংগ্রহ, অনুসন্ধান, সামরিক সরঞ্জাম, খাদ্য বহনের কাজে ‘রোবট’কে ব্যবহারের কথা ভাবা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, মানুষের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ অভিযানগুলিতে কীভাবে রোবটকে পাঠানো যায়, তা নিয়েও চিন্তা ভাবনা চলছে। মনে করা হচ্ছে, এধরনের কাজে সবচেয়ে উপযোগী হয়ে উঠতে পারে  ‘হিউম্যানয়েড রোবট’। কারণ, মানুষের মতোই তাদের দুই হাত-দুই পা রয়েছে। চিনা গবেষকদের অনুমান, আগামী ৫ থেকে ১০ বছরের মধ্যেই এই ধরনের প্রযুক্তি বাস্তবে প্রয়োগের পর্যায়ে পৌঁছে যেতে পারে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.