Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
বিজয় মালিয়া

‘কেউ তো মিথ্যা বলছে?’ টুইটে মোদিকে খোঁচা পলাতক ব্যবসায়ী বিজয় মালিয়ার

প্রধানমন্ত্রীর অস্বস্তি বাড়ালেন পলাতক ব্যবসায়ী৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৮, ২০১৯, ১৭:২১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৮, ২০১৯, ১৭:২১

options
link
‘কেউ তো মিথ্যা বলছে?’ টুইটে মোদিকে খোঁচা পলাতক ব্যবসায়ী বিজয় মালিয়ার zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: টুইটবার্তায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আবারও খোঁচা দিলেন প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকার ঋণখেলাপির মামলায় অভিযুক্ত পলাতক ব্যবসায়ী বিজয় মালিয়া৷ প্রশ্ন তুললেন, তাঁর থেকে ঋণ বাবদ টাকা পাওয়ার বিষয়ে কেউ তো মিথ্যা বলছেন? মিথ্যেটা কে বলছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নাকি ভারতের ব্যাংকগুলি?

[ আরও পড়ুন: পাকিস্তানে চলন্ত বাস থামিয়ে বন্দুকবাজের হামলা, নিহত ১৪ যাত্রী ]

Advertisement

বৃহস্পতিবার নরেন্দ্র মোদির নাম উল্লেখ করে টুইট করেন লিকার ব্যারন৷ প্রধানমন্ত্রীর অস্বস্তি বাড়িয়ে তিনি লেখেন, ‘‘সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দাবি করেছেন, যে পরিমাণ টাকা ঋণ বাবদ ব্যাংকগুলি আমার কাছ থেকে পায়, তাঁর সরকার আমার থেকে এরচেয়ে অনেক বেশি টাকা উদ্ধার করেছেন৷ কিন্তু রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলি ব্রিটেনের আদালতে অন্য কথা বলছে। এবার কাকে বিশ্বাস করব বলুন? কার কথা বিশ্বাসযোগ্য? কেউ তো মিথ্যে কথা বলছে’ই।’’ এখানেই শেষ নয় কিংফিশার এয়ারলাইন্সের মতো বন্ধ হয়ে যাওয়া জেট এয়ারওয়েজের প্রতিষ্ঠাতা নরেশ গয়ালেরও পাশে দাঁড়ান ভারত থেকে পলাতক এই ব্যবসায়ী৷ টুইটে আক্রমণ শানান কেন্দ্রকে৷ অভিযোগ করেন, ‘‘বেসরকারি এবং সরকারি বিমানসংস্থাগুলির মধ্যে ভেদাভেদ সৃষ্টি করছে কেন্দ্রীয় সরকার। কিংফিশার ও জেট এয়ারওয়েজের বন্ধের পিছনে আসলে দায়ী কেন্দ্রীয় সরকার।’’

[ আরও পড়ুন: ধোঁয়াশা জিইয়ে রেখে মাসুদকে নিয়ে শীঘ্রই জট খোলার আশ্বাস চিনের ]

উল্লেখ্য, ন’হাজার কোটি টাকার ঋণখেলাপির মামলায় অভিযুক্ত কিংফিশার এয়ারলাইন্সের মালিকের বিজয় মালিয়া ২০১৬-তে ভারত ছেড়ে পালিয়ে যান মালিয়া। তখন থেকে ব্রিটেনেই রয়েছেন তিনি। মালিয়ার বিরুদ্ধে একাধিক ঋণখেলাপি এবং প্রতারণা মামলা চলছে ভারতের আদালতগুলিতে। ইংল্যান্ডের আদালতেও তাঁর বিরুদ্ধে প্রত্যার্পণ মামলা চলছিল। অবশেষে লিকার ব্যারনকে ভারতের হাতে তুলে দিতে রাজি হয়েছে ব্রিটেন৷ এর আগেও একাধিকবার ভারতের সংবাদমাধ্যম এবং সরকারকে কাঠগড়ায় তুলেছেন বিজয় মালিয়া। একবার তিনি অভিযোগ করেন, অহেতুক তাঁকে ঋণখেলাপি মামলায় কাঠগড়ায় তুলেছে ভারতের সংবাদমাধ্যম এবং রাজনৈতিক দলগুলি। এখানেই শেষ নয়, কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকারকে প্যাঁচে ফেলে লন্ডনে বসে তিনি জানান, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলির সঙ্গে বৈঠক করেই দেশ ছেড়েছেন৷ যার ফলে যথেষ্ট চাপে পড়ে কেন্দ্র৷ এনডিএ সরকারকে আক্রমণ শানায় বিরোধীরা৷

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.