BREAKING NEWS

৪ আশ্বিন  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

পাকিস্তানে চলন্ত বাস থামিয়ে বন্দুকবাজের হামলা, নিহত ১৪ যাত্রী

Published by: Sayani Sen |    Posted: April 18, 2019 4:10 pm|    Updated: April 18, 2019 4:10 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চলন্ত বাস থামিয়ে বন্দুকবাজে হামলা৷ এই হামলায় মৃত্যু হয়েছে অন্তত ১৪ জনের৷ পাকিস্তানের বালোচিস্তানের এই ঘটনায় রীতিমতো শিউড়ে উঠেছেন সকলেই৷ চোখের সামনে একে একে ১৪ জনকে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়তে দেখে আঁতকে উঠেছেন সহযাত্রীরা৷

[ আরও পড়ুন: ধোঁয়াশা জিইয়ে রেখে মাসুদকে নিয়ে শীঘ্রই জট খোলার আশ্বাস চিনের]

বৃহস্পতিবার সকালে পাকিস্তানের বালোচিস্তান প্রদেশে বাসগুলি করাচি-গদর হাইওয়ে দিয়ে যাচ্ছিল৷ মাকরান কোস্টাল হাইওয়ে দিয়ে যাওয়ার সময় পাঁচটি যাত্রীবাহী বাসের পথ আটকায় অত্যন্ত ২৪ জন৷ তাদের হাতে ছিল অস্ত্রশস্ত্র৷ বাসে উঠে তারা কয়েকজনকে চিহ্নিত করে৷ তারপর ওই ব্যক্তিদের বাস থেকে নামিয়ে সোজাসুজি গুলি ছোঁড়ে৷ একে একে লুটিয়ে পড়েন ১৪ জন বাসযাত্রী৷ তবে দু’জন কোনওরকমে সেখান থেকে পালিয়ে প্রাণে বাঁচেন৷ প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হামলাকারীরা প্রত্যেকেই  প্যারামিলিটারি ফ্রন্টিয়ার কোরের পোশাক পরেছিল৷ মাথাতেও টুপি ছিল প্রত্যেকের৷ তারাই আচমকা গুলি চালাতে শুরু করে৷ চোখের সামনে রক্তের বন্যা দেখে হকচকিয়ে যান সহযাত্রীরা৷ আতঙ্কিত হয়ে সংজ্ঞাও হারান অনেকেই৷ সহযাত্রীদের মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না কেউই৷ গোলাগুলি চলার পরই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বিশাল পুলিশবাহিনী৷ গুলিবিদ্ধদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়৷ তবে ততক্ষণে মারা গিয়েছেন সকলেই৷ মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন নিহতদের সহযাত্রীরা৷ চিকিৎসা চলছে তাঁদেরও৷ হামলাকারীদের পরিচয় এখনও জানা যায়নি৷ কেউই এখনও হামলার দায় স্বীকার করেনি৷ হামলার ঘটনায় গভীরভাবে শোকপ্রকাশ করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান৷ 

[ আরও পড়ুন: নোতর দাম পুনর্নির্মাণে অর্থ সংগ্রহ ফরাসি প্রেসিডেন্টের, এগিয়ে এলেন শিল্পপতিরা]

সপ্তাহখানেক আগে পাকিস্তানের কোয়েট্টার ফল বাজারে বোমা বিস্ফোরণ হয়৷ তাতেও প্রাণ হারান অন্তত ২০ জন৷ পাকিস্তানে এই হামলার ঘটনা মনে করে দিয়েছে ২০১২-র ৯ অক্টোবরের ঘটনা৷ ওইদিন স্কুলের বাসে একজন বন্দুকধারী মালালা ইউসুফজাইকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়৷ তিনটি গুলি লাগে তাঁর শরীরে৷ অত্যন্ত আশঙ্কাজনক অবস্থায় বেশ কয়েকদিন হাসপাতালে ভরতি ছিলেন তিনি৷ অবস্থার উন্নতি হলে বিদেশে নিয়ে গিয়েও চিকিৎসা হয় মালালার৷ নোবেল শান্তি পুরস্কারও দেওয়া হয় তাঁকে৷

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement