BREAKING NEWS

১০ অগ্রহায়ণ  ১৪২৮  শনিবার ২৭ নভেম্বর ২০২১ 

READ IN APP

Advertisement

ইকুয়েডরে ৭ বছরের আশ্রয় হারিয়ে লন্ডন পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ

Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: April 11, 2019 7:43 pm|    Updated: April 11, 2019 10:02 pm

Wikileaks founder Julian Assange has been arrested

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ৭ বছরের রাজনৈতিক আশ্রয় তুলে নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বিপদ৷ ইকুয়েডরের দূতাবাস থেকেই গ্রেপ্তার হলেন উইকিলিক্স কর্তা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ৷ বৃহস্পতিবার সকালে লন্ডন পুলিশের তাঁকে গ্রেপ্তার করল৷ আপাতত সেন্ট্রাল লন্ডন থানায় পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন তিনি৷ দ্রুতই ওয়েস্টমিনস্টার আদালতে অ্যাসাঞ্জকে পেশ করা হবে৷

২০১২ সালে মার্কিন গোয়েন্দা দপ্তরের একাধিক গোপন তথ্য ফাঁস করার জন্য সিআইএ-র রোষে পড়েছিলেন উইকিলিক্স প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ৷ এমনকী নিজের দেশ ব্রিটেনেও নিরাপদ ছিলেন না তিনি৷ তাই দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান৷ বিভিন্ন দেশে রাজনৈতিক আশ্রয়ের জন্য আবেদন করতে থাকেন৷ গোয়েন্দাদের চোখে ধুলো দিয়ে পালিয়ে পালিয়ে বেড়ান বিভিন্ন জায়গায়৷ শেষপর্যন্ত ইকুয়েডরে রাজনৈতিক আশ্রয় পান৷ টানা ৭ বছর ধরে ইকুয়েডরের দূতাবাসেই নিরাপদে ছিলেন অ্যাসাঞ্জ৷ ইতিমধ্যে অবশ্য অনেক কিছু বদলে গিয়েছে৷ তলে তলে অ্যাসাঞ্জকে হাতে পেতে ইকুয়েডর প্রশাসনকে বুঝিয়েছেন মার্কিন গোয়েন্দারা৷ সম্ভবত তারই ফলে অ্যাসাঞ্জের মাথার উপর থেকে ইকুয়েডরের নিরাপদ আশ্রয়ের ছায়া তুলে নেওয়া হয়৷

              [ আরও পড়ুন : জালিয়ানওয়ালাবাগ কাণ্ড ব্রিটেনের ইতিহাসে ‘লজ্জাজনক ক্ষতচিহ্ন’, মানলেন মে ]

বৃহস্পতিবার ইকুয়েডরের দূতাবাসে ঢুকে অ্যাসাঞ্জকে গ্রেপ্তারির পর সেদেশের প্রেসিডেন্ট লেনিন মোরেনো বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছেন, ‘উইকিলিক্স প্রতিষ্ঠাতার ব্যবহার অত্যন্ত রূঢ় এবং অমার্জিত হয়ে উঠছিল৷ অন্য দেশের রাজনৈতিক আশ্রয়ে থাকা কারও থেকে এটা প্রত্যাশিত নয় মোটেও৷ তিনি দূতাবাস কর্মীদের সঙ্গেও উগ্র আচরণ করছিলেন৷ এই কারণে আমরা আশ্রয় তুলে নিয়েছি৷’ অ্যাসাঞ্জকে আশ্রয় দেওয়ার সময় চুক্তি ছিল, তিনি ইকুয়েডরে থাকাকালীন অন্য কোনও দেশের কোনও বিষয়ে মাথা ঘামাবেন না৷ কিন্তু তারপরও সম্প্রতি জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ ভ্যাটিকান সিটির বেশ কয়েকটি গোপন তথ্য ফাঁস করেছেন৷ আর তাতেই ইকুয়েডর প্রশাসন বিরক্ত হয়েছেন৷ গত ৪ এপ্রিলই খবর ছড়িয়ে পড়েছিল, কয়েকঘণ্টার মধ্যেই অ্যাসাঞ্জকে দূতাবাস থেকে বিতাড়িত করা হতে পারে৷

                                        [আরও পড়ুন: এয়ারস্ট্রাইকের দেড় মাস পর বালাকোটে সংবাদমাধ্যমের প্রবেশের অনুমতি পাকিস্তানের]

ব্রিটিশ বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অ্যালান ডানকান ইকুয়েডরকে ধন্যবাদ দিয়ে জানিয়েছেন, ব্রিটেনের আইন মেনেই অ্যাসাঞ্জের বিচার প্রক্রিয়া চলবে৷ অ্যাসাঞ্জের ব্যক্তিগত আইনজীবীমহল ইকুয়েডর এবং লন্ডন পুলিশের ভূমিকায় তীব্র নিন্দা করেছে৷ তবে ব্রিটিশ আইন অনুযায়ী, জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের মতো গুপ্তচরের অভিযোগ প্রমাণিত হলে, কঠিন শাস্তির মুখে পড়তে হবে৷  

 

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে