রাজ্যে ফের মাথাচাড়া দিচ্ছে ‘লাল’ সন্ত্রাস, জঙ্গলমহলে গ্রেপ্তার ৪ মাওবাদী

রাজ্যে নকশালদের শক্তিবৃদ্ধির হুঁশিয়ারি দিয়েছে গোয়েন্দা দপ্তর। 

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৪, ২০১৮, ১১:৪১

options
link
রাজ্যে ফের মাথাচাড়া দিচ্ছে ‘লাল’ সন্ত্রাস, জঙ্গলমহলে গ্রেপ্তার ৪ মাওবাদী

সম্যক খান, মেদিনীপুর: রাজ্যে ফের মাথাচাড়া দিচ্ছে মাও দানব, একাধিকবার এমন সতর্কবার্তা দিয়েছেন গোয়েন্দারা। এবার সেই আশঙ্কা সত্যি করে পশ্চিম মেদিনীপুর থেকে গ্রেপ্তার চার সন্দেহভাজন মাওবাদী। ধৃতদের জেরা করছে পুলিশ। 

Advertisement

[মুখ্যমন্ত্রীর হাত ধরে বারুইপুরে ঠিকানা বদলাচ্ছে আলিপুর সেন্ট্রাল জেল]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার গ্রেপ্তার করা হয়েছে সব্যসাচী গোস্বামী (৫০), সঞ্জীব মজুমদার, অর্কদ্বীপ গোস্বামী (২৩) ও টিপু সুলতান (২৩) নামের চার মাওবাদীকে। গোপন সূত্রে কাঞ্জিমাকলি ফুটবল গ্রাউন্ডের পাশের জঙ্গলে মাওবাদীদের লুকিয়ে থাকার খবর পায় পুলিশ। তারপর দ্রুত অভিযানের নকশা ছকে ফেলে গোয়ালতোড় থানার পুলিশ। জঙ্গল ঘিরে ফেলে তল্লাশি চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয় চার সন্দেহভাজন মাওবাদীকে। ধৃতদের কাছ থেকে নকশাল পন্থার বেশ কিছু বই ও নথি উদ্ধার করা হয়েছে। এই অভিযানকে বড়সড় সাফল্য বলেই মনে করছে প্রশাসন। উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগেই রাজ্যে নকশালদের শক্তিবৃদ্ধির হুঁশিয়ারি দিয়েছিল গোয়েন্দা দপ্তর। উল্লেখ্য, গত আগস্ট মাসে আসানসোল থেকে সিআইডি-র জালে ধরা পড়ে বিহার পুলিশের ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ মাওবাদী টাইগার। ভাঙড়ে পাওয়ার গ্রিড আন্দোলনের নেপথ্যেও মাওবাদীদের হাত রয়েছে বলে অভিযোগ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মাওনেতা কিষেনজির মৃত্যুর পর জঙ্গলমহলে জমি হারায় মাওবাদীরা। এবার হারানো জমি উদ্ধার করতে চেষ্টা চালাচ্ছে দলটি বলেই মনে করা হচ্ছে।  

Advertisement

আইএস, তালিবান ও আল-সাবাবের মতো জঙ্গি সংগঠনের পর বিশ্বের চতুর্থ সবচেয়ে ভয়ঙ্কর উগ্রবাদী সংগঠন মাওবাদী৷ ভারতে প্রায় ৫৩ শতাংশ নাশকতার ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ যোগ রয়েছে এই সংগঠনের৷ কয়েকদিন আগে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসে মার্কিন স্টেট রিপোর্টে৷ রিপোর্টে বলা হয়েছে যে, ভারতে ৫৩ শতাংশ নাশকতার সঙ্গে মাওবাদীদের যোগ থাকলেও, ২০১৬-র তুলনায় ২০১৭-তে নাশকতার সংখ্যা কমেছে৷ ২০১৬-তে মাও অধ্যুষিত অঞ্চলগুলিতে হামলা হয় ৩৩৮টি এবং ২০১৭-তে সেই সংখ্যা কমে হয় ২৯৫টি৷ হামলার সংখ্যা কমলেও হতাহতের পরিমাণ বেড়েছে৷ মৃতের সংখ্যা বে়ড়েছে ১৬ শতাংশ ও জখমের সংখ্যা বেড়েছে ৫০ শতাংশ৷ মাওবাদীদের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে চারটি আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন৷ সবচেয়ে বেশি জঙ্গি হামলা চালিয়েছে আইএস, ৮৫৭টি৷ তারপর রয়েছে যথাক্রমে তালিবান ও আল-সাবাব৷ এই দুই সংগঠনের হামলার সংখ্যা যথাক্রমে ৭০৩ ও ৩৫৩টি৷

[হাতে চ্যানেল করতে গিয়ে বিপত্তি! প্রতিবাদ করায় বৃদ্ধের সঙ্গে দুর্ব্যবহার নার্সের]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.