সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চাপের মুখে পড়ে জম্মু-কাশ্মীরে চাকরির সংরক্ষণ নীতিতে বদল আনল কেন্দ্র। তুমুল বিতর্কের পর তারা পিছু হঠল নিজেদের সিদ্ধান্ত থেকে। বিরোধী নেতা-সহ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের বিজেপি নেতাদেরও সমালোচনার মুখে পড়ে কেন্দ্রীয় সরকার।
জম্মু ও কাশ্মীরে চাকরির সংরক্ষণ নিয়ে বিতর্ক দেখা গেলে সেই আইনকে সংশোধন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মাত্র তিনদিন আগে ১ এপ্রিল ঘোষণা করা হয়, জম্মু ও কাশ্মীরের বাসিন্দাদের জন্যে চাকরি ক্ষেত্রে সংরক্ষিত থাকবে কেবল মাত্র জুনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট ও পিওনের মতো পদ। বাকি সমস্ত পদের জন্য আলাদা করে কোনও সংরক্ষণ নেই। দেশের যে কোনও নাগরিকই সেই সমস্ত পদের জন্য আবেদন করতে পারবেন। কেন্দ্রের এই ঘোষণার পরেই তুমুল বিতর্ক তৈরি হয়। কারণ, এতদিন সমস্ত চাকরি স্থানীয়দের জন্য সংরক্ষিত ছিল। তবে কেন্দ্রীয় সরকার ঘরেও বাইরে সাঁড়াশি চাপের মুখে পড়ে নীতিতে বদল আনতে বাধ্য হয়।
মাত্র দুদিনের ঘোষিত নিয়ম বদলে নিয়ম করা হয়, এখন থেকে সমস্ত চাকরিই শুধুমাত্র এখানকার স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের অন্তত ১৫ বছর এই অঞ্চলে বসবাস করতে হবে। চাকরি সংরক্ষণের নীতি দেখে বিভ্রান্তিও ছড়ায় সকলের মনে। প্রশ্ন ওঠে, চাকরি পেতে গেলে কত বছর এই কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বাস করতে হবে? এছাড়া সংরক্ষিত আইনের নীতির মাধ্যমে কেন্দ্রীয় সরকার কীভাবে অপমান করছে এই অঞ্চলের স্থানীয় বাসিন্দাদের?
[আরও পড়ুন: হোম কোয়ারেন্টাইনের নোটিস লাগাতে বাধা! বিতর্কের মুখে মন্ত্রী দেবশ্রী চৌধুরি]
এই নীতির সমালোচনা করেন ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতা ওমর আবদুল্লাও। তিনি টুইট করেন, “যখন আমাদের সবার মনোযোগ রয়েছে করোনা সংক্রমণের মোকাবিলার দিকে, তখনই সরকার একটি নতুন অধিবাসী আইন নিয়ে এল জম্মু ও কাশ্মীরের জন্যে। কেন্দ্রীয় সরকার এমন আইন তৈরি করছেন যা সকালে প্রকাশ পাওয়ার পরই বিকেলে পরিবর্তন করতে হচ্ছে।”
[আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর কথায় আলো নেভালে হতে পারে বিপর্যয়! আশঙ্কায় পাওয়ার গ্রিড কর্তারা]
সর্বশেষ খবর
-
ইরানের সঙ্গে সংঘাতের মাঝেই আমিরশাহী সফরে নেতানিয়াহু, প্রেসিডেন্টের সঙ্গে গোপন বৈঠক
-
রোগী নিয়ে হাসাপাতালে ঢুকলেই দিতে হবে টাকা! রাজি না হওয়ায় বেধড়ক ‘মার’ অ্যাম্বুল্যান্স চালককে
-
সব্যসাচীর গল্পে প্রসেনজিৎ-ঋত্বিক-ইশা, রহস্য থ্রিলার ‘জাদুকর সত্যচরণ’-এ আর কোন চমক?
-
‘ভারতের হয়ে হয়তো খেলতামই না’, ১৫ হাজার রান পেরিয়েও ‘নির্বিকার’ কোহলি
-
‘বাল্যবিবাহ মুক্ত গ্রাম’ গড়তে বঙ্গে বিশেষ গ্রামসভা, লক্ষ্য পঞ্চায়েত স্তরে উন্নয়ন