মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মমতা তৃণমূল ও বিজেপির সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল মুকুন্দপুর (Mukundapur) এলাকা। কালীঘাটপন্থীদের অভিযোগ, যাদবপুর এলাকায় তাদের বেশ কয়েকটি কার্যালয় দখল করেছে বিজেপি। সেই অভিযোগ তুলে গতকাল রাতে মুকুন্দপুরে তারা মিছিল করতে গেলে বিজেপি কর্মীরা চড়াও হন বলে অভিযোগ। ওই ঘটনায় দুই মমতাপন্থী তৃণমূল কর্মীকে গ্রেপ্তার করল পুর্ব যাদবপুর থানার পুলিশ। ধৃতদের নাম শ্রীদিব দাস ও বিক্রম পাণ্ডে। হামলা চালানোর ঘটনায় বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা ছিলেন বলে তৃণমূলের তরফে অভিযোগ ছিল। যারা আক্রান্ত হল, কেন তাঁদের গ্রেপ্তার? সেই প্রশ্ন ইতিমধ্যেই কালীঘাটের তরফে তোলা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
দক্ষিণ কলকাতার মুকুন্দপুরে পার্টি অফিস দখল ঘিরে ওই বিবাদের সূত্রপাত। ওই কার্যালয়ের সামনে মিছিল করে গতকাল জড়ো হয়েছিলেন মমতাপন্থী তৃণমূল কর্মীরা। এলাকায় বিজেপি কর্মী-সমর্থকরাও ছিলেন। ওই মিছিলে হামলার অভিযোগ ওঠে বিজেপির বিরুদ্ধে। পালটা হামলার অভিযোগও তোলে বিজেপি। কথা কাটাকাটির মধ্যেই শুরু হয়ে যায় হাতাহাতি। ডিম ছোড়াও হয় বলে অভিযোগ। ঘটনার গুরুতর জখম হন প্রাক্তন আইপিএস তথা তৃণমূলের নেতা হুমায়ুন কবীর। কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের আইটি সেলের নেত্রী উপাসনা চৌধুরী-সহ বেশ কয়েকজন জখম হন।
পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বিজেপির তরফে অভিযোগ করা হয়, বিনা প্ররোচনায় দলের কর্মীদের উপর হামলা চালিয়েছে তৃণমূল। তৃণমূলের কর্মসূচির ভিডিওগ্রাফি করছিলেন বিজেপির এক কর্মী। তা দেখেই চটে যান তৃণমূলকর্মীরা। সেই কর্মীর উপর চড়াও হন। এরপরই পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়। বিজেপির তরফে থানায় অভিযোগ জানানো হয়েছিল হামলার ঘটনায়। তদন্তে নেমে রাতেই শ্রীদিব দাস ও বিক্রম পাণ্ডে নামে ওই দুই তৃণমূল কর্মীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মুকুন্দপুরের ঘটনা নিয়ে মন্তব্য করেছেন রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তাঁর বক্তব্য, “হুমায়ুন কবীরকে মারবে কেন? উনি তো তৃণমূলও নয়, বিজেপিও নয়। নিজেরা অফিস ভাঙছে, ড্রামা করে খালি প্রচারে আসার চেষ্টা করছে। এইসব ঘটনা নিয়ে আমাদের কোনও মাথাব্যথা নেই। ওরা নিজেরা অস্তিত্ব সঙ্কটে ভুগছে। নাটক করে বেশি কিছু হবে না।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
নেই স্মার্টফোন, তবু প্রতি মাসে বইতে হচ্ছে ইন্টারনেটের খরচ! এয়ারটেল-ভিকে কড়া নির্দেশ কেন্দ্রের
-
ঝাড়গ্রামে হরিণের রহস্যমৃত্যু! চোরাশিকারিদের থাবা? তদন্তে বনদপ্তর
-
পুজোর আগে ঘন মজবুত চুল চান? প্রসাধনী নয়, স্রেফ জমিয়ে খান এই বিশেষ লাড্ডু
-
দু’মাস বেতনহীন কলকাতা পুরসভা! টাকা পাচ্ছেন না ১০০ দিনের কাজের ১৫ হাজার পুরকর্মী
-
আপাতত ক্যামাক স্ট্রিটের কার্যালয় থাকছে অভিষেকেরই! নিম্ন আদালতের নির্দেশে হস্তক্ষেপ করল না হাই কোর্ট