US Naval Blockade

ধ্বংসই লক্ষ্য! ইরানকে ‘শিক্ষা দিতে’ মধ্যপ্রাচ্যে ২০ মার্কিন ‘জলদানব’, পালটা জবাব তেহরানের

মঙ্গলবার রাতে টানা সাত ঘণ্টা ইরানে ভয়ংকর বোমাবর্ষণ করে আমেরিকা। ওয়াশিংটনের দাবি, হরমুজের আশপাশে থাকা ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ভাণ্ডারগুলি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। গুঁড়িয়ে গিয়েছে ইরানি নৌসেনার প্রচুর অস্ত্রশস্ত্র এবং উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৫, ২০২৬, ১৮:৩৯

options
link
ধ্বংসই লক্ষ্য! ইরানকে ‘শিক্ষা দিতে’ মধ্যপ্রাচ্যে ২০ মার্কিন ‘জলদানব’, পালটা জবাব তেহরানের
মধ্যপ্রাচ্যে ২০টি যুদ্ধজাহাজ পাঠাল আমেরিকা। ছবি: এক্স।

এ যেন ধ্বংসই লক্ষ্য! ইরানকে ‘শিক্ষা দিতে’ এবার মধ্যপ্রাচ্যে ২০টি যুদ্ধজাহাজ পাঠাল আমেরিকা। শুধু তাই নয়, মোতায়েন করা হয়েছে কয়েকশো যুদ্ধবিমানও। অপরদিকে, মার্কিন ‘রক্তচক্ষু’ পরোয়া না করে তেহরান জানিয়ে দিয়েছে, আমেরিকার শয়তানি যতক্ষণ না বন্ধ হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত হরমুজ প্রণালী বন্ধই থাকবে।

Advertisement

মঙ্গলবার মার্কিন সেনার সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) ঘোষণা করেছে, হরমুজে আমেরিকার অবরোধ ইতিমধ্যে কার্যকর হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ২০টিরও বেশি যুদ্ধজাহাজ এবং শত শত সামরিক বিমান মোতায়েন করা হয়েছে। মার্কিন বাহিনী সর্বদা সতর্ক এবং প্রস্তুত। তবে আমেরিকার কাছে মাথানত করতে নারাজ তেহরান। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড জানিয়ে দিয়েছে, ওয়াশিংটনের সঙ্গে তারা আর আলোচনায় বসবে না। একইসঙ্গে হরমুজ নিয়েও তারা অনড়। তেহরানের বক্তব্য, আমেরিকার শয়তানি বন্ধ না হলে প্রণালী অবরুদ্ধই থাকবে। মঙ্গলবার ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সে দেশের উপ-বিদেশমন্ত্রী কাজেম ঘারিবাবাদি বলেন, “আমেরিকা সামরিক অভিযান চালিয়ে নিজেরাই চুক্তি ভঙ্গ করেছে। তাই আমরা আর আলোচনার টেবিলে ফিরব না। ইরান কূটনীতির পথ পরিত্যাগ করেনি; বরং ওয়াশিংটনই আলোচনার প্রক্রিয়াটি ব্যাহত করেছে।” তিনি স্পষ্ট করেছেন, ইরানের বন্দরগুলির উপর আমেরিকা পুনরায় অবরোধ আরোপ করলেও তেহরান ছাড়ার পাত্র নয়। প্রণালীতে ইরানের নিয়ন্ত্রণই বজায় থাকবে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার রাতে টানা সাত ঘণ্টা ইরানে ভয়ংকর বোমাবর্ষণ করে আমেরিকা। ওয়াশিংটনের দাবি, হরমুজের আশপাশে থাকা ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ভাণ্ডারগুলি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। গুঁড়িয়ে গিয়েছে ইরানি নৌসেনার প্রচুর অস্ত্রশস্ত্র এবং উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও। আমেরিকার এই ভয়ংকর অভিযানের পরই মুখ খোলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “তেহরান যদি কোনও চুক্তিতে সম্মত না হয়, তবে আগামী সপ্তাহে ওদের বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং সেতুগুলিতে হামলা চালানো হবে।” 

Advertisement
দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.