সুকুমার সরকার, ঢাকা: বাংলাদেশে মাদক-বিরোধী অভিযানের সময় খতম হল তিন ইয়াবা কারবারি। রবিবার ভোরে কক্সবাজারের টেকনাফে র্যাবের সঙ্গে গুলিযুদ্ধে নিকেশ হয়েছে তারা। মৃতরা হল কক্সবাজারের ঝিলংজার লেদা এলাকার দিল মহম্মদ (৪২), চৌধুরি পাড়ার রাশেদুল ইসলাম (২২) ও চট্টগ্রামের আমিরাবাদের শহিদুল ইসলাম (৪২)। উভয়পক্ষের গুলির লড়াইয়ে জাহাঙ্গির এবং সোহেল নামে র্যাবের দুই সদস্যও আহত হন।
[আরও পড়ুন- রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ, মাদক পাচার রোধে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বিজিবি-বিএসএফ]
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার ভোরে টেকনাফ উপজেলার হোয়াইকং ইউনিয়নের ঢালা এলাকায় তল্লাশি চালাচ্ছিল ব়্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (ব়্যাব)। সেসময় তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালায় মাদক কারবারীরা। পালটা জবাব দেন ব়্যাবের সদস্যরাও। এর জেরে খতম হয় তিন মাদক কারবারী। জখম হন ব়্যাব-এর দুই সদস্য। ঘটনাস্থল থেকে এক লাখ ৪০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, চারটি আগ্নেয়াস্ত্র এবং ২১টি গুলি উদ্ধার হয়েছে।
[আরও পড়ুন- প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে ট্রেনের ছাদেই যাতায়াত বাংলাদেশে]
রবিবার এই ঘটনার কথা জানান র্যাব-১৫ টেকনাফ ক্যাম্পের ইনচার্জ লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মির্জা শাহেদ মাহতাব। তিনি বলেন, “খবর পেয়ে ঢালা এলাকায় ইয়াবা উদ্ধার করতে গিয়েছিলেন র্যাব-এর সদস্যরা। সেসময় তাঁদের লক্ষ্য করে মাদক কারবারীরা গুলি চালায়। আত্মরক্ষার জন্য পালটা জবাব দেন নিরাপত্তারক্ষীরাও। পরে ঘটনাস্থল থেকে তিনজন মাদক কারবারির মৃতদেহ উদ্ধার হয়। বন্দুকযুদ্ধে নিহতরা তালিকাভুক্ত ইয়াবা কারবারি। ময়নাতদন্তের জন্য তাদের মৃতদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। গত কয়েকমাস ধরেই বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়াগায় মাদক বিরোধী অভিযান চলছে। এর জেরে এখনও পর্যন্ত ২৫০ জনেরও বেশি মাদক কারবারি খতম হয়েছে।”
সর্বশেষ খবর
-
ব্লাড ব্যাঙ্ক থেকে রক্ত বিক্রি! এক সপ্তাহে তদন্ত শেষের নির্দেশ হাই কোর্টের
-
শোভনের হাতে পায়েস মুখ, সোহিনীর সাধভক্ষণে কী ছিল মেনুতে?
-
অন্নপূর্ণার আবেদন ‘আন্ডার প্রসেস’, বাতিল হবে না তো? জেনে নিন এই সময়ে কী করণীয়
-
যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যই মূল, ঢেলে সাজানো হচ্ছে শিয়ালদহ-বহরমপুর ডিভিশন
-
সোশাল মিডিয়ার ‘পরীক্ষা’য় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের রিপোর্ট কার্ড, ‘ফ্রেন্ডস’ ভিডিও ডিলিটেও ফার্স্ট বয় মোদি!