Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৮ আগস্ট ২০২৬
Bangladesh

বাংলাদেশে জুলাই গণঅভ্যুত্থান জাদুঘর থেকে সরল মোদিবিরোধী আন্দোলনের ছবি!

তারেক সরকারকে কটাক্ষ করে বিরোধী দলের অভিযোগ, ভারতকে ভয় পাচ্ছে শাসক।

সুকুমার সরকার
সুকুমার সরকার

শেষ আপডেট: আগস্ট ৮, ২০২৬, ১৯:৪৪

link
সুকুমার সরকার
সুকুমার সরকার

শেষ আপডেট: আগস্ট ৮, ২০২৬, ১৯:৪৪

options
link
বাংলাদেশে জুলাই গণঅভ্যুত্থান জাদুঘর থেকে সরল মোদিবিরোধী আন্দোলনের ছবি! zoom
জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে স্মৃতি মিউজিয়াম থেকে সরে গেল মোদিবিরোধী ছবি!
Advertisement

বাংলাদেশে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতিতে তৈরি জাদুঘর থেকে মোদিবিরোধী আন্দোলনের ছবি সরানো হয়েছে! এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন সংসদের বিরোধী দলের চিফ হুইপ ও এনসিপি-র আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবীর রিজভির অভিযোগ, এধরনের অপপ্রচার মাধ্যমে অনেকেই সরকারের কাজে বাধা দিচ্ছে। শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটে ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ৫ মাসের উন্নয়ন যাত্রা’ নামক গ্রন্থের মোড়ক উন্মচন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। রিজভির কথায়, ‘‘সরকারের যে কোনও গাফিলতি হলে শক্ত হাতে তার ব্যবস্থা নিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। আর জনগণের কাছে সরকার তার নিজের প্রতিশ্রুতি রক্ষার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। এসব ষড়যন্ত্র বন্ধ হয়ে যাবে যখন তারেক রহমানের কাজের অংশগুলো দলিল হিসেবে জনগণের হাতে পৌঁছে যাবে।”

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘‘গত ১৬ বছরে বাংলাদেশে যে ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, তার সঙ্গে ভারত প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে বিভিন্নভাবে সম্পর্কিত ছিল। ভারতীয় আগ্রাসন এ দেশে ছিল, মোদি বিরোধী আন্দোলন – এই বিষয়গুলোকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। হয়ত সরিয়ে দিয়ে মনে করা হচ্ছে, এই সরকার ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো রাখতে পারবে। কিন্তু ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক ভালো বা মন্দের বিষয় নয়। সম্পর্কটা হওয়া উচিত মর্যাদাপূর্ণ।

এনসিপি প্রতিষ্ঠাতা, বাংলাদেশের বিরোধী দলের চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম

 ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বিকেল অবধি যে ভবনটি ছিল তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন অর্থাৎ গণভবন, পরে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে সেই ভবনই এখন জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণাগার গড়ে তোলা হয়েছে।শনিবার ঢাকার শের-ই-বাংলা নগরে স্মৃতি জাদুঘর ঘুরে দেখেন এনসিপি নেতারা। নাহিদ ইসলামের সঙ্গে ছিলেন এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন, মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, এনসিপির নারী সংসদ সদস্য নুসরাত তাবাসসুম।

Advertisement
বাংলাদেশে জুলাই স্মৃতি মিউজিয়াম

সেখানেই বর্তমান সরকার ভারতকে ভয় পাচ্ছে বলে মন্তব্য করে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘‘গত ১৬ বছরে বাংলাদেশে যে ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, তার সঙ্গে ভারত প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে বিভিন্নভাবে সম্পর্কিত ছিল। ভারতীয় আগ্রাসন এ দেশে ছিল, মোদি বিরোধী আন্দোলন – এই বিষয়গুলোকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। হয়ত সরিয়ে দিয়ে মনে করা হচ্ছে, এই সরকার ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো রাখতে পারবে। কিন্তু ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক ভালো বা মন্দের বিষয় নয়। সম্পর্কটা হওয়া উচিত মর্যাদাপূর্ণ।” নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, ‘‘এই সরকারের আপসকামী মনোভাবের কারণে আমরা দেখলাম, দিল্লিতে কনফারেন্স করে এখন অতীত স্বৈরাচারী শক্তি হুঙ্কার দিচ্ছে। আর সরকার শুধু একটি প্রেস রিলিজ দিয়ে তার দায়িত্ব শেষ করছে। ফলে এখানে আপসের কোনও সুযোগ নেই। আপস করে আমরা বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষা করতে পারব না।”

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময়ে ছাত্র আবু সাইদ পুলিশের বুলেটের সামনে বুক পেতে দিয়েছিলেন, ফাইল ছবি

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রধান চরিত্র শহিদ আবু সাইদ-সহ অন্য শহিদদের স্মৃতিচিহ্ন আরও বিস্তৃতভাবে প্রদর্শনেরও দাবি জানান নাহিদ ইসলাম। তাঁর বক্তব্য, শহিদদের পরিবারের পক্ষ থেকে জাদুঘরে প্রদর্শিত স্মৃতিচিহ্নের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি স্মৃতিচিহ্ন দেওয়া হয়েছে। সেগুলো কীভাবে আরও শৈল্পিকভাবে প্রদর্শন করা যায়, সে বিষয়ে
উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.