Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
মোদি-হাসিনা

মোদিকে অভিনন্দন বার্তা হাসিনার, অমীমাংসিত বিষয়ে সুরাহার আশা

নরেন্দ্র মোদির আমলে ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতি হয়৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৩, ২০১৯, ১৯:৩৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৩, ২০১৯, ১৯:৩৯

options
link
মোদিকে অভিনন্দন বার্তা হাসিনার, অমীমাংসিত বিষয়ে সুরাহার আশা zoom
ফাইল চিত্র

সুকুমার সরকার, ঢাকা: বিপুল সমর্থনে ফের সরকার গঠন করতে চলেছেন নরেন্দ্র মোদি৷ প্রতিবেশী রাষ্ট্রের প্রধানদের কাছ থেকে পেয়েছেন অজস্র শুভেচ্ছা বার্তা৷ ঢাকা থেকে দ্বিতীয়বার সরকার গঠনের জন্য মোদিকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা৷ মোদির নেতৃত্বে ফের সরকার গঠনের জন্য অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন৷ নতুন সরকার জনগণের সুখ-সমৃদ্ধিতে আরও বেশি কাজ করবে বলে আশা করেছেন হাসিনা৷

[আরও পড়ুন: আইএস যোদ্ধাদের দেশে প্রবেশ রুখতে ট্রাভেল পারমিট নিয়ে কড়া বাংলাদেশ]

লোকসভা নির্বাচনের এই ফলাফলের পর নতুন সরকারের সঙ্গে বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন সরকার আওয়ামি লিগের কিছু অমীমাংসিত বিষয়ের সুরাহা হওয়ার আশায় রয়েছে হাসিনা প্রশাসন৷ গত ৫ বছরের বিজেপি নেতৃ্ত্বাধীন সরকারের সঙ্গে শেখ হাসিনা  সরকারের সম্পর্কের বেশ উন্নতি হয়েছে৷ উলটোদিকে আবার কংগ্রেসের সঙ্গেও আওয়ামি লিগের সম্পর্ক বেশ ভাল৷ আওয়ামি লিগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ বলেন, আওয়ামি লিগ গণতন্ত্রে বিশ্বাসী, জনগণের ক্ষমতায় বিশ্বাসী ও জনরায়ের প্রতি শ্রদ্ধাশীল৷ লিগের আরেক নেতা বলেন, দল প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কে আগ্রহী৷ গত পাঁচ বছরে বিজেপি ক্ষমতায় থাকার কারণে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কে উন্নতি হয়েছে। এবার তা আরও অগ্রসর হবে বলে আশাবাদী তাঁরা৷ কিছু অমীমাংসিত বিষয়ে সুরাহা হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

Advertisement

তবে ভারতে কংগ্রেসের সঙ্গেও আওয়ামি লিগের সম্পর্কটা ঐতিহাসিক। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সময় থেকে এই সম্পর্ক। বঙ্গবন্ধু পরিবারের সঙ্গেও কংগ্রেসের পারিবারিক সম্পর্ক আছে। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই আওয়ামি লিগের জন্য কংগ্রেসের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখা অনেক সহজ। ২০০১ সালে আওয়ামি লিগের পরাজয়ের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রায়ই ওই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত সরকারকে দায়ী করেন। আর ওই সময় ভারতে বিজেপি ক্ষমতাসীন ছিল। তবে দলের আরেক নেতার কথায়,  ‘বিজেপি এখন রাজনীতির চেয়ে রাজনৈতিক অর্থনীতিকে গুরুত্ব দেয় বেশি। নরেন্দ্র মোদিকেও ব্যবসা-বান্ধব বলেই সবাই জানেন।’ বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেছেন, ভারতের নির্বাচনে যে রাজনৈতিক দলই ক্ষমতায় আসুক না কেন, দেশটির সঙ্গে সহযোগিতার সম্পর্ক অব্যাহত থাকবে। সে দেশের সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গেই হাসিনা সরকারের সুসম্পর্ক রয়েছে।

[আরও পড়ুন: পদ না পেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা ছাত্র লিগের বহিষ্কৃত নেত্রীর]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.