Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
নার্সিংহোমে বেনিয়ম

শিশু চুরিতে কাঠগড়ায় নার্সিংহোম, তদন্তে গিয়ে হাতেনাতে অনিয়ম ধরলেন স্বাস্থ্য আধিকারিক

নার্সিংহোমের এক টেকনিশিয়ানের মাধ্যমে শিশু চুরি হত, তদন্তে মিলেছে তথ্য।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৭, ২০১৯, ১১:০২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৭, ২০১৯, ১১:০২

options
link
শিশু চুরিতে কাঠগড়ায় নার্সিংহোম, তদন্তে গিয়ে হাতেনাতে অনিয়ম ধরলেন স্বাস্থ্য আধিকারিক zoom

সৌরভ মাজি, বর্ধমান: কোনও আইনের তোয়াক্কা না করেই চলছিল বর্ধমানের ভাঙাকুঠি এলাকার নার্সিংহোমে। নিয়ম ভেঙে বেড বাড়ানো হয়েছে। অথচ নেই পর্যাপ্ত চিকিৎসক। কাজ চলছে স্রেফ একজনের ভরসাতেই। নেই প্রশিক্ষিত একজন নার্সও। আইসিইউ থাকলেও চিকিৎসক নেই। পরিকাঠামোর কোনও ঠিক নেই। এই ‘নেই’-এর তালিকা দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর।

শিশু-চুরি কাণ্ডে বর্ধমানের ভাঙাকুঠি এলাকার এই নার্সিংহোমের নাম জড়িয়েছে। কাটোয়ার এক নিঃসন্তান দম্পতিকে শিশু বিক্রি করা হয়েছিল মোটা টাকায়। ঘটনায় ওই দম্পতিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাশাপাশি কাটোয়া থানার পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছে এই নার্সিংহোমের এক টেকনিশিয়ান। চতুর্থ শ্রেণি পাস সেই কর্মীর মাধ্যমেই শিশু বিক্রি করা হয়েছিল বলে পুলিশি তদন্তে উঠে এসেছে। স্বাস্থ্য দপ্তরও এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: CAA বিক্ষোভ অব্যাহত রাজ্যে, দক্ষিণবঙ্গ-উত্তরবঙ্গ রেল যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন]

সোমবার বর্ধমান সদরের সহকারী মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক আত্রেয়ী চক্রবর্তী ওই নার্সিংহোমে তদন্তে যান। আর সেই তদন্তেই উঠে এসেছে ভুরি ভুরি বেনিয়ম। তা স্বীকারও করেছে ওই স্বাস্থ্য আধিকারিক। ঘটনার বিষয়ে তিনি বিস্তারিত রিপোর্ট স্বাস্থ্য দপ্তরে জমা দেবেন। 

BDN-nursing-home-investigation
তদন্তকারী আধিকারিক আত্রেয়ী চক্রবর্তী

আত্রেয়ীদেবী জানান, এই নার্সিংহোমে ৫০টি বেডের অনুমতি থাকলেও বেড রাখা হয়েছে ৫৯টি। আইসিইউ-এর পরিকাঠামো ঠিক নেই। চিকিৎসক মাত্র একজন। এটা চলতে পারে না। কোনও প্রশিক্ষিত নার্সিং স্টাফও নেই বলে এদিন জানতে পেরেছেন স্বাস্থ্য আধিকারিক। এমনকী কোনও প্রশিক্ষিত টেকনিশিয়ানও নেই। নার্সিংহোমের রেজিস্ট্রার ঠিকমত রাখা হয় না বলে তদন্তে ধরা পড়েছে। হিসেব সংক্রান্ত তথ্যেও গরমিল খুঁজে পেয়েছেন তদন্তকারী স্বাস্থ্য আধিকারিক। এমনকী অগ্নিনির্বাপণের যে সব ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, তাও মেয়াদ উত্তীর্ণ বলে জানা গিয়েছে। সমস্তটা খতিয়ে দেখে আত্রেয়ীদেবী বলেন, “আমি দপ্তরে রিপোর্ট জমা দেব। তারপর তারা যা ব্যবস্থা নেওয়ার নেবে।” স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে খবর, রিপোর্টের ভিত্তিতে ওই নার্সিংহোমের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থাই নেওয়া হবে।

ছবি: মুকুলেসুর রহমান।

[আরও পড়ুন: এগিয়ে আসছে বিধানসভা নির্বাচন? অনুব্রতর মন্তব্যে উসকে উঠল জল্পনা]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.