২৮ ভাদ্র  ১৪২৬  রবিবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এবছরের লোকসভা নির্বাচন সব দলের ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ভোটের আগে যেভাবে বুদ্ধিজীবীমহল বিজেপির বিরুদ্ধে সরব হয়েছিল, তাতে সিঁদুরে মেঘ দেখছে গেরুয়া শিবির। হতে পারে যাঁরা বিজেপির বিরুদ্ধে ভোটদানের কথা বলেছিলেন, তাঁদের মধ্যে শাহরুখ-সলমনের মতো হিরো ছিলেন না। কিন্তু যাঁরা ছিলেন, শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষের কাছে তাঁরা যথেষ্ট গ্রহণযোগ্য। তালিকায় নাম ছিল নাসিরুদ্দিন শাহেরও। কিন্তু তিনি যে বামেদের হয়ে রাজনীতির ময়দানে নেমে পড়বেন, তা বোধহয় ভাবেনি কেউ। কিন্তু ষষ্ঠ দফা নির্বাচনের আগে সেটাই করলেন অভিনেতা। সিপিএম প্রার্থী ফুয়াদ হালিমের হয়ে ভোটপ্রচারে নেমে পড়লেন তিনি।

তৃণমূল-বিজেপির জমানায় এরাজ্যে প্রায় কোণঠাসা বাম শিবির। তবু সূচাগ্র মেদিনী ছাড়তে নারাজ তারা। ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াইয়ে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন বুদ্ধিজীবীরা। এরাজ্যে সব্যসাচী চক্রবর্তী, স্বপ্নময় চক্রবর্তী, পবিত্র সরকার, উর্মিমালা বসু, কৌশিক সেন, অনীক দত্ত, রজতাভ দত্ত, দেবজ্যোতি মিশ্র, শ্রীলেখা মিত্র, মন্দাক্রান্তা সেনের মতো ৯০ জন বিজেপি ও তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়ার জন্য আবেদন জানিয়েছিলেন। তবে তার আগে রত্না পাঠক, অমল পালেকর, অনুরাগ কাশ্যপ, কঙ্কনা সেনশর্মা, লিলেট দুবে ও মানব কউলের মতো ব্যক্তিত্বরা বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট দেওয়ার আবেদন করেছিলেন। তাদের বক্তব্য ছিল, বিজেপি হিন্দুত্বে কোনও লাগাম রাখেনি। রাজনীতিতে সুবিধা পাওয়ার জন্যই এই কৌশল ব্যবহার করেছে গেরুয়া শিবির।

[ আরও পড়ুন: প্রেমিকের অ্যাকাউন্টে ৪৬ লক্ষ টাকা ট্রান্সফার করে বেপাত্তা ব্যাংকের অস্থায়ী কর্মী! ]

কিন্তু সর্বভারতীয় স্তরে বিজেপির মতো মাটি শক্ত নয় তৃণমূলের। ফলে সেখানে প্রাধান্য পায়নি ঘাসফুল। কঙ্কনা-নাসিররাও এই দলটিকে নিয়ে কিছু বলেননি। কিন্তু যখনই পশ্চিমবঙ্গের কথা ওঠে, তখন খুব স্বাভাবিকভাবেই তৃণমূল কংগ্রেস প্রধান হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু এক্ষেত্রে তৃণমূল-বিজেপি দ্বন্দ্বে জড়াননি অভিনেতা। বিজেপি-তৃণমূলকে কার্যত সরিয়ে রেখে বামেদের হয়ে প্রচার করেন তিনি। কিন্তু সরাসরি কোনও প্রার্থীকে ভোট দিতে বলেননি নাসির সাহেব। ডায়মন্ড হারবারের বামপ্রার্থী ফুয়াদ হালিমের হয়ে প্রচার করতে গিয়ে তিনি বলেছেন, ভোট এমন একজনকে দিতে হবে যিনি শুধু প্রতিশ্রুতি দেন না, প্রতিশ্রুতি পূরণের চেষ্টা করেন। ফুয়াদ হালিম সমাজের জন্য অনেক কাজ করেছেন। শিক্ষা, চিকিৎসার জন্য অনেক কিছু করেছেন তিনি। দুর্নীতিগ্রস্তদের কখনওই ভোট দেওয়া উচিত নয় বলে জানান নাসিরউদ্দিন শাহ।

[ আরও পড়ুন: ‘দিদি, জনগণ আপনাকে লাথি মারতে তৈরি’, জনসভায় কুরুচিকর আক্রমণ সায়ন্তনের ]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং