শান্তনু কর, জলপাইগুড়ি: কেরিয়ারের মধ্যগগনে রাজনীতির ময়দানে নেমে পড়েছেন। বৃহস্পতিবার জলপাইগুড়িতে নিজের পাড়ায় আর পাঁচজন সাধারণ ভোটারের মতোই লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিলেন অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। ঘরের মেয়েকে কাছে পেয়ে বুথের বাইরে তাঁর সঙ্গে সেলফি তোলার জন্য রীতিমতো হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। হাসিমুখে সকলের আবদার মেটান অভিনেত্রী।
[ আরও পড়ুন: সাম্প্রদায়িক উসকানি ছড়াচ্ছেন বাবুল, কমিশনে অভিযোগ ছাত্র সংগঠনের]
জলপাইগুড়ির পাণ্ডাপাড়ার মেয়ে মিমি। স্কুলের পাঠ শেষ করে উচ্চশিক্ষার জন্য কলকাতায় চলে যান তিনি। পড়াশোনা করতে করতেই সুযোগ আসে অভিনয়ের। আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। এখন বাংলা সিনেমার অন্যতম জনপ্রিয় নায়িকা মিমি চক্রবর্তী। কাজের সুবাদে পাকাপাকিভাবে কলকাতায় থাকেন। অভিনয় নিয়ে এতটাই ব্যস্ত থাকতে হয় যে, জলপাইগুড়িতে আসার আর সময় পান না মিমি। ভোট দেওয়ারও সুযোগ হয় না। তবে এবারের লোকসভা ভোট মিমির কাছে একেবারেই অন্যরকম। কারণ তিনি নিজেই কলকাতার যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী।
শিলিগুড়িতে মামাতো বোনের বিয়ের অনুষ্ঠানে বেশ কয়েক বছর পর ফের জলপাগুড়িতে এসেছেন মিমি চক্রবর্তী। গত সোমবারই শহরে পৌঁছন তিনি। ঘটনাচক্রে তখন জলপাইগুড়িতে লোকসভা নির্বাচনের খুব বেশি দেরি ছিল না। তাই ভোট দেওয়ার সুযোগ যেমন হাতছাড়া করতে চাননি, তেমনি আবার জলপাইগুড়িতে দলের প্রার্থীর সমর্থনে প্রচারও করেছেন যাদবপুর কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী মিমি চক্রবর্তী। বৃহস্পতিবার দুপুরে বাড়ি থেকে পায়ে হেঁটেই ভোট দিতে পাড়ার বুথে পৌঁছে যান তিনি। জলপাইগুড়ির পাণ্ডাপাড়া বেসিক ট্রেনিং স্কুলের সামনে তখন ভোটারদের লম্বা লাইন। সেই লাইনে দাঁড়িয়ে পড়েন মিমিও। ভোট দিয়ে বেরিয়ে আঙুলে কালি দেখিয়ে ক্যামেরার সামনে হাসিমুখে পোজ দেন, সেলফি তোলেন স্থানীয় বাসিন্দা ও শিশুদের সঙ্গেও।
দেখুন ভিডিও:
সর্বশেষ খবর
-
পুরুলিয়ায় এবার ফিল্ম সিটি! পর্যটনের বিকাশে ‘রোডম্যাপ’ নিয়ে শুভেন্দুর দ্বারে জ্যোতির্ময়
-
সুমিত রায়ের অ্যাকাউন্টে ১৫ কোটি! অভিষেকের আপ্তসহায়ককে নিয়ে আদালতে বিস্ফোরক দাবি রাজ্যের
-
‘ভাগোড়া বলবেন না’, ফের কেন্দ্রকে ‘বুড়ো আঙুল’ দেখিয়ে মালিয়ার দাবি, ‘বকেয়ার দ্বিগুণ শোধ করেছি’
-
‘কাজ করতে পারছিলাম না’, ইংরেজবাজারের পুরপ্রধান পদে ইস্তফা দিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরীর
-
হরমুজে ইরানের জালে আমেরিকার অত্যাধুনিক সাবমেরিন! ‘মুখ বাঁচাতে’ কী বলছে ওয়াশিংটন?