Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Durgapur

শ্রমিকরা বঞ্চিত হলে গেট বন্ধ করে বিক্ষোভ, দুর্গাপুরে হুঁশিয়ারি বিজেপি বিধায়কের

শুধু বেতন নয়, শ্রমিকদের গেট পাস, ইএসআই, পিএফ-সহ সমস্ত প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা নিয়মিত দিতে হবে বলে সরব হয়েছেন তিনি।

সনাতন গড়াই
সনাতন গড়াই

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬, ১৯:৪৬

link
সনাতন গড়াই
সনাতন গড়াই

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬, ১৯:৪৬

options
link
শ্রমিকরা বঞ্চিত হলে গেট বন্ধ করে বিক্ষোভ, দুর্গাপুরে হুঁশিয়ারি বিজেপি বিধায়কের zoom
প্রতিবাদ সভা বিজেপির। নিজস্ব চিত্র।
Advertisement

শিল্প বাঁচাতে হলে শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষা করতে হবে। ন্যায্য পাওনা থেকে শ্রমিকরা বঞ্চিত হলে প্রয়োজন হলে গেট বন্ধ রেখে আন্দোলন হবে। দুর্গাপুরে (Durgapur) রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা ইন্ডিয়ান অয়েলের সামনে দাঁড়িয়ে হুঁশিয়ারি বিজেপি বিধায়ক লক্ষ্মণচন্দ্র ঘোড়ুইয়ের।

তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল আমলে শ্রমিকদের বেতন থেকে কাটমানি নেওয়া হত। এক নম্বরে থাকা শ্রমিকেরা বেশি বেতন পেতেন। দুই নম্বরে তার থেকে কম। তিন নম্বরে থাকা শ্রমিকেরা পেতেন আরও কম। দুই ও তিন নম্বরে থাকা শ্রমিকদের থেকে কাটমানি নেওয়া হতো বলেও অভিযোগ বিজেপি বিধায়কের। ঠিকাদার বেনিয়ম করলে এবার বিক্ষোভ হবে। শুধু বেতন নয়, শ্রমিকদের গেট পাস, ইএসআই, পিএফ-সহ সমস্ত প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা নিয়মিত দিতে হবে বলে সরব হয়েছেন তিনি।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

মঙ্গলবার সঠিক বেতনের দাবিতে দুর্গাপুরের ইন্ডিয়ান অয়েল বটলিং প্ল্যান্টের গেটের সামনে ঠিকা শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার ও বিভিন্ন দাবিদাওয়া নিয়ে ভারতীয় মজদুর সংঘের বিক্ষোভ চলে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক লক্ষ্মণচন্দ্র। তিনি সেখানে অভিযোগ করেন, শ্রমিকদের কাজকে তিনটে-চারটি ভাগে ভাগ করেছে। বেতন কারও বেশি-কম। বিধায়কের দাবি, কেন এই রকম হবে, কাজ এক, ঠিকাদার এক, ৮ ঘণ্টা সময় দিচ্ছে। কিন্তু স্ল্যাব আলাদা কেন? কারণ তৃণমূলের কাছের লোকের বেতন বেশি। দ্বিতীয় ও তৃতীয় তালিকার শ্রমিকদের বেতন কম। সেই টাকা যেত তৃণমূল নেতা ও ঠিকাদের পকেটে। তিনি বলেন, “কান খুলে শুনে রাখুন বেতন একই হবে। শ্রমিকদের কাজই একই। সমান হবে বেতন। যদি না দেয় গেট বন্ধ করে বিক্ষোভ হবে।”

তৃণমূল কংগ্রেসকে বিঁধে বিধায়ক অভিযোগ করেন, তাঁর গ্রামের বাসিন্দা এই সংস্থায় কাজ করেন। তিনি দীর্ঘ ১৫ বছর কাজ করছেন। কিন্তু পিএফ নেই। বিধায়কের দাবি, পিছনে দায়ি তৃণমূলের কাঠমানি রীতি। তিনি বলেন, “শ্রমিক শোষণ চলবে না। কয়েকজনের গেট পাস পেয়েছেন বাকিরা পান না। কেন এই রকম হবে। যদি শ্রমিকের প্রয়োজন থাকে, তাহলে কেন স্থায়ী নিয়োগ হবে না? কারণ নিয়োগ করলে পিএফ দিতে হবে। এটা চলবে না।”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.