৮ ভাদ্র  ১৪২৬  সোমবার ২৬ আগস্ট ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

নিজস্ব সংবাদদাতা, বনগাঁ: মাথার উপর নির্মীয়মান ব্রিজ আর তার নিচ দিয়ে নৌকা চড়ে এপারে  আসছেন মানুষজন। ভোট দেবেন তো? প্রশ্ন করতেই  এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সেতু নির্মাণ সম্পূর্ণ না হওয়ার কথা জানিয়ে ক্ষোভ উগরে দিলেন তাঁরা। বসিরহাট এলাকার হাসনাবাদ-সহ একাধিক ব্রিজ তৈরির কাজ সম্পন্ন হলেও কাটাখালির কাজ শেষ হয়নি৷ ক্ষোভ থাকলেও আশা এখনও ষোল আনা৷ আর সেই আশায় ভর করেই ভোটের লাইনে দাঁড়ালেন স্থানীয় বাসিন্দারা৷

[আরও পড়ুন: ভুয়ো পুলিশের পরিচয়ে ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ, গ্রেপ্তার যুবক]

সূত্রের খবর,বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রের বাদুড়িয়ার এলাকায় ইছামতী নদীর উপর কাটাখাল ঘাটের উপর সেতু নির্মানের কাজ থমকে রয়েছে কয়েক বছর ধরে।নদীর এপারে লোকনাথপুর, ওপারে লক্ষ্মীনাথপুর।  সরপোরাজপুর, ফরিদকাঠি, কাঠিয়াহাট-সহ একাধিক এলাকার  প্রায় ১০ হাজার মানুষ কাটাখাল ঘাট দিয়ে প্রত্যহ পরাপার করে বলে জানান মাঝি আকবর আলি৷ 

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, সড়ক পথে কলকাতা, বারাসাত যেতে হলে বসিরহাট, তেঁতুলিয়া ঘুরে যেতে হয়। তাতে প্রায় ৩০ কিলোমিটার পথ বেশি ঘুরতে হয়। বাদুড়িয়া থানা, স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যেতে হলেও ঘাটের নৌকাই ভরসা তাদের। জমি-জটের কারণে  প্রায় শেষ পর্যায়ে এসেও থমকে রয়েছে সেতু নির্মাণের কাজ। বছর নয় আগে বামজামানায় সেতুটির শিল্যান্যাস হয়েছিল৷ সেসময় সেতু নির্মাণের প্রয়োজনে লক্ষ্মীনাথপুর গ্রামের বহু কৃষক জমি দিতে রাজি হয়। তারা লিখিতভাবে জমি দেয়ার কথা জানিয়ে ছিলেন প্রশাসনকে। অভিযোগ, সেসময় জমির যে মূল্য দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, পরে অনেক কম টাকার প্রস্তাব দেওয়া হয়৷ কথা বলছে সরকার। স্থানীয় জমিদাতা কল্যাণ হালদার বলেন,‘৪০ হাজার/শতক, ১৫% বোনাসের কথা বলে এখন ১০হাজার প্রতি শতক দিতে চাইছে সরকার।’ব্রিজের জন্য  প্রয়োজনে জমিদান  করবেন, কিন্তু এত কম টাকা নেবেন না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিচ্ছেন হিরন্ময় বিশ্বাস, অমিত দাশগুপ্ত-সহ একাধিক জমির মালিকরা। সম্প্রতি জমিদাতাদের নিয়ে আলোচনায় বসে জেলাশাসক সমস্যা সমাধানের পথ খোঁজা শুরু করলেও,  নানা জটে বন্ধ হয়ে রয়েছে সেতু নির্মাণের কাজ।

[আরও পড়ুন: ভাঙড়ে উলটপুরাণ! শাসকদলকে চাপে ফেলে বুথ দখলে জমিরক্ষা কমিটি]

ব্রিজ নির্মাণের দাবিতে ক্ষোভ, অভিমান থাকা সত্ত্বেও আশা নিয়েই  ভোটকেন্দ্রে রবিবার ভোট দিতে গেলেন বাদুড়িয়ার ইছামতী পাড়ের  কয়েক হাজার মানুষ। জগন্নাথপুরের আনসার আলির বলছেন, ব্রিজ হল না এখনও,  অনেক অভিমান নিয়েই ভোট দিচ্ছেন তিনি। ভোট মিটলে এবার  নিশ্চয়ই শেষ হবে ব্রিজের কাজ৷ একই আশা আড়বেলিয়ার মিজানুর হাসানেরও৷ কবে মিটবে পারাপারের সমস্যা? কবে তৈরি হবে সেতু? ভোট দেওয়ার পর সেই প্রশ্ন ও আশা নিয়ে  কাটাখালি ঘাটে এসে নৌকা ধরে বাড়ি ফিরলেন জীবন মণ্ডল,শওকত আলি পারভেজরা।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং